বদিউজ্জামান কাদের ভয়ে এবং কোথায় লুকিয়েছিল? তার অবস্থা সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

বদিউজ্জামান নীলগঞ্জ গ্রামে আসা চল্লিশজন রাজাকারসহ দ্বিতীয় মিলিটারি দলের ভয়ে জঙ্গলা মাঠের পাশে একটা ডোবায় গলা পর্যন্ত ডুবে লুকিয়ে ছিল।

বদিউজ্জামান যুদ্ধময় পরিস্থিতিতেও জীবিকার তাগিদে মধুবন বাজার তার মনিহারি দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। তখন মিলিটারির দ্বিতীয় দল গ্রামে প্রবেশ করায় সে বাজারে যাওয়া বাদ দিয়ে নীলগঞ্জে ফিরে আসার উদ্দেশ্যে উলটা দিকে রওয়ানা হয়। ভয়ে সে অসতর্কতাবশত এক ডোবায় পড়ে যায়। সেখান থেকে উঠে ফেরার রাস্তা প্রায় বন্ধ কারণ মিলিটারি তার সন্নিকটে। তাই প্রাণ বাঁচাতে সে গলা পানিতে নিজেকে ডুবিয়ে একটা মোরতা ঝোপের আড়ালে মাথা ঢেকে রাখে, তার মাথার উপর রোদ ঝাঁঝাঁ করতে থাকে। শীতে ও ঠান্ডা পানিতে অবস্থান এবং সাথে পানির পচা গন্ধ ও গিরগিটির উৎপাত এমনই এক বিপজ্জনক অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিল সে।

469

Related Question

View All
উত্তরঃ

'১৯৭১' উপন্যাসটি ক্ষুদ্র পরিসরে রচিত একটি উপন্যাস। কিন্তু এটির বিষয়বস্তুর ভাবগম্ভীর্য বিশাল। কাহিনির প্রয়োজনেই লেখক বেশকিছু চরিত্রের সমাবেশ ঘটিয়েছেন উপন্যাসটিতে। চরিত্রগুলোর মধ্য একটি উজ্জ্বল চরিত্র নীলগঞ্জ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান মল্লিক। হানাদার বাহিনীর নির্মম অত্যাচারের দৃশ্য দেখা যায় এই চরিত্রের মধ্য দিয়ে। মিলিটারি গ্রামে আগমনের পরপরই তলব করে তাকে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কতিপয় জোয়ান এবং কয়েকজন অফিসার নীলগঞ্জ গ্রামে আশ্রয় নিয়েছে এবং পাকিস্তানি মেজর বখতিয়ারকে বন্দি করে রেখেছে এমনই কাহিনি সাজিয়ে মিলিটারি গ্রামে আসে। আর গ্রামবাসী বেঙ্গল রেজিমেন্টের সহযোগিতা করেছে এমন অভিযোগও তাদের। মুক্তিবাহিনীকে সাহায্যকারীদের মধ্যে স্কুলমাস্টার আজিজ একজন বলে সন্দেহ মিলিটারি অধিনায়ক মেজর এজাজের। তাই তো উপন্যাসে মেজর এজাজকে দেখতে 'পাই স্কুলমাস্টারের প্রতি অত্যাচারী, অমানবিক ও অসম্মানজনক আচরণ করতে।

শুধু অত্যাচার, নির্যাতন ও শোষণ নয় বরং অপমানজনক নির্যাতন করে স্কুলমাস্টার আজিজের সাথে। তার দোষ একটাই- সে মুক্তিবাহিনী সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়নি। প্রথমে স্কুলের টিচার্স রুমের কামরায় অবর্ণনীয় অত্যাচার চলে আজিজের সাথে। চিত্রা বুড়ির ছেলের হত্যাকারী মনাকে বিচারের মঞ্চে প্রধান দর্শক হিসেবে আজিজকে উপস্থিত করে মেজর। কিন্তু এসব আচরণে আজিজ দমে যায় না দেখে মেজর শেষাংশে তাকে এক অসম্মানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। হয় মৃত্যু নয়তো উলঙ্গ হয়ে পুরুষাঙ্গে ইট বেঁধে গ্রামে ঘুরে বেড়ানো। ।। স্কুলের হেডমাস্টার আজিজ তার চরিত্রে কিছুটা স্থূলতা থাকলেও আত্মসম্মানকে বিসর্জন দেয়নি। লজ্জাজনকভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে সে মৃত্যুকেই পরম সত্য বলে মেনে নেয়। এই আত্মসম্মানবোধেই বাঙালি জাতিকে মুক্তির সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করেছিল। বাঙালি জাতি আত্মসম্মানবোধকে কুকুরের আত্মসম্মানবোধের সাথে তুলনা করে মেজর এজাজ যে ভুল করেছিল সেখানে স্কুলমাস্টার আজিজের মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়া যেন আত্মসম্মানবোধের জাগরণ। তাই বলা যায়, অপমানজনকভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে সম্মানের সাথে হেডমাস্টার আজিজের মৃত্যুই তাকে উপন্যাসে উজ্জ্বল করে তুলেছে। এ কারণে আলোচ্য উক্তিটি আজিজ মাস্টারের ক্ষেত্রে পুরোপুরি সত্য।

408
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews