এসিটিক এসিডের ৫% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে।
CuSO4.5H₂O-কে লবণ বলা হয়। কারণ এটি সালফিউরিক এসিডের হাইড্রোজেনকে ক্ষারক Cu(OH), এর ধাতব অংশ দ্বারা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি হয়। এটি লিটমাস পেপারের বর্ণের কোনো পরিবর্তন করে না।
উদ্দীপকে বনির পেট ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার কারণে এন্টাসিড জাতীয় ঔষধ খেতে দেওয়া হয়েছিল। বনির মূলত এসিডিটির সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণেই মিসেস রাশিদা তাকে এন্টাসিড জাতীয় ঔষধ দেন।
পেটে এসিডিটির মূল কারণ এসিড জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া। পেটে খাদ্য হজমের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার HCI এসিড লাগে। বিভিন্ন কারণে এর পরিমাণ বাড়লে এসিডিটি দেখা দেয়।
এন্টাসিড জাতীয় ঔষধ হলো Mg(OH), বা Al(OH), সমৃদ্ধ ঔষধ। এগুলো এসিডিটির জন্য প্রধান দায়ী HCI এসিডের সাথে প্রশমন বিক্রিয়া
করে। ফলে ব্যথার উপশম হয়। এক্ষেত্রে বিক্রিয়াগুলো নিম্নরূপ:
Mg(OH)2 + 2HCl→ MgCl2 + 2H2O
Al(OH)3+2HCI AlCl3 + 3H2O
বনির সৃষ্ট সমস্যাটি হলো এসিডিটি। এসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে উপযুক্ত খাদ্য নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করতে হবে। যেমন- যেসব খাদ্যদ্রব্য বা পানীয়ের কারণে এসিডিটি হয়, সেগুলো অতিরিক্ত পরিমাণ গ্রহণ না করে পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে এবং সাময়িকভাবে ঐ খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। কিছু কিছু খাদ্য আছে যেগুলো ক্ষারধর্মী, ফলে এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে পারে। যেমন- ব্রকলি, পুঁইশাক, গাজর, শিম, বীট, লেটুসপাতা ইত্যাদি। অন্যদিকে, ক্ষারধর্মী ফলমূল যেমন- কিসমিস, খেজুর, পেপে, কিউরি, নাসপাতি, তরমুজ, স্ট্রবেরি এগুলো তাকে এসিডিটি কমাতে সাহায্য করবে। কিছু কিছু খাদ্যশস্য যেমন- ডাল, মিষ্টি, ভুট্টা, দেয়া ধান
প্রভৃতি এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। দুধ জাতীয় খাবারের মধ্যে সয়া মাখন, ছাগলের দুধ হতে তৈরি মাখন, সয়া দুধ, বাদাম দুধ এগুলো ক্ষারধর্মী যা এসিডিটি হ্রাস করে। নানা রকম বাদাম, হারবাল চা, আদা চা খেয়েও তিনি অতিরিক্ত এসিড কমাতে পারেন।
যদি খাদ্য তালিকায় উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্য রাখা যায় তবে এসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। তাই বলা যায়, বনির মতো এসিডিটির সমস্যা সৃষ্টি প্রতিরোধে সঠিক খাদ্যভ্যাসই যথেষ্ট
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!