বন্ধুর পরামর্শে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ'-এর কয়েকটি গল্প পড়েই বিরক্ত হয়ে গেল সুমন। তার ধারণা, এসব হরহামেশা ঘটে যাওয়া কাহিনি পড়ে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। তার চেয়ে বরং সাধারণ জ্ঞানের বই পড়লে অনেক কিছু জানা যায়, শেখা যায়। তার বোধে এটুকু ধরা পড়ে না যে, সাহিত্য মানুষকে সরাসরি তথ্য জানানোর জন্য রচিত হয় না। সাহিত্য অনুভূতির জগতে সাড়া ফেলে সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। আর তখনই সে হয়ে উঠে সুশিক্ষিত।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

শাস্ত্রমতে কাব্যরস অমৃত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

'কবি ও শিক্ষকের মতিগতি সম্পূর্ণ বিপরীত- উক্তিটির মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষার উদ্দেশ্যের ভিন্নতার কথাই বলতে চেয়েছেন।
প্রাবন্ধিকের মতে শিক্ষা বিষয়টি মানুষ সাধারণত নিতান্তই অনিচ্ছার সাথে গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। আর এই করার কাজটির দায়িত্বে থাকেন শিক্ষক। অন্যদিকে, কবির উদ্দেশ্য সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষের মনের জাগরণ ঘটানো। এটি বল প্রয়োগে নয় বরং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলেই কেবল সম্ভব। এ কারণেই শিক্ষক ও কবির মতিগতি সম্পূর্ণ বিপরীত বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সুমনের মানসিকতায় সাহিত্যের প্রতি বিমুখতা প্রকাশিত হয়েছে, যা প্রমথ চৌধুরী রচিত 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাথে অসংগতিপূর্ণ।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখুক সাহিত্যচর্চার উপর অত্যধিক গুরুত্বারোপ করেছেন। লেখকের মতে, সাহিত্য মানুষের মনকে জাগিয়ে তোলে। মানুষের মনের চাহিদা মেটাতে সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। সাহিত্যে মানবাত্মা খেলা করে। মানুষের মনোজগতের সাথেই এর সম্পর্ক।
উদ্দীপকের সুমন সাহিত্যচর্চাকে অপ্রয়োজনীয় হিসেবে গণ্য করে কেবল পুঁথিগত বিদ্যালাভের প্রতি মনোনিবেশ করাকে শ্রেয় মনে করেছে। সে
অনুধাবন করতে পারেনি যে একজন স্বয়ংসম্পূর্ণ মানুষ হয়ে উঠার জন্য শিক্ষালাভের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও জরুরি। পেশা ও জীবিকার জন্য সহায়ক হলেও মানসিকতা গঠনের ক্ষেত্রে কেবল শিক্ষাই যথেষ্ট নয় বরং শিক্ষালাভ ও সাহিত্যচর্চা এই দুয়ের সংমিশ্রণেই সে হয়ে উঠতে পারে সুশিক্ষিত। অর্থাৎ প্রবন্ধে উল্লিখিত সাহিত্যচর্চার গুরুত্বের বিষয়টি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে উদ্দীপকের সুমন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বিশ্লেষণে বলা যায়, শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণরূপে বিপরীতধর্মী।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখক শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। লেখকের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য। শিক্ষার তুলনায় মহত্তর। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখক প্রমথ চৌধুরীর মতে, সাহিত্যের সঙ্গে তুলনা চলে খেলাধুলার। শিক্ষা ও সাহিত্যে তাৎপর্য ভিন্ন। লেখকের মতে, শিক্ষা হলো সেই বস্তু যা লোকে নিতান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। অপরপক্ষে, কাব্যক মানুষ শুধু স্বেচ্ছায় নয়, সানন্দে পান করে; কেননা, শাস্ত্রমতে সে রস অমৃত।

উদ্দীপকের সুমনের ভাবনা অনুসারে শিক্ষা মানুষের যে উপকারে আসে সাহিত্য মানুষের সেরকম কোনো উপকারে আসে না। সাহিত সরাসরিভাবে মানুষকে কোনো তথ্য বিতরণ করে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুযায়ী এটি সাহিত্যের উদ্দেশ্যও নয়। এটি শিক্ষার উদ্দেশ্য শিক্ষা মানুষ গ্রহণ করে নিতান্তই বাধ্য হয়ে। মানুষ যা বাধ্য হয়ে করে তা থেকে সে আনন্দ পায় না। উদ্দীপক অনুসারে সুমনের বোধে বাহিরে থাকে সাহিত্যের উদ্দেশ্য। সাহিত্য মানবাত্মাকে জাগ্রত করে, অনুভূতির জগতে সাড়া ফেলে, যা সুমন বুঝতে পারে না।
উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' উভয়ের শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পর্কিত মূলভাব পর্যালোচনায় নিলে দেখা যায় শিক্ষা ও সাহিত্য পরস্পর বিপরীতধর্মী প্রবন্ধ মতে সাহিত্য মানুষকে আনন্দ দেয়, শিক্ষা গলাধঃকরণ করে। উদ্দীপক মতে শিক্ষা বাহ্যিক জীবনের কাজে লাগে সাহিত্য অনুভূতিজ জগৎকে জাগ্রত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
50
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে 'অতি সস্তা খেলনা' বলতে সেই সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে, যা অতি সহজেই পাঠকের মনোরঞ্জন করে।
লেখকের মতে, সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়। সাহিত্য যখন কারো মনোরঞ্জন করে তখন তার মধ্যে আর কোনো আদর্শ থাকে না। তা পরিণত হয় একটি সস্তা খেলনায়। প্রকৃত সাহিত্যিকদের কাছ থেকে এ রকম 'সস্তা খেলনা' জাতীয় সৃষ্টিকর্ম প্রাবন্ধিক প্রত্যাশা করেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
120
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মনোরঞ্জনের মাধ্যমে সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, খেলাধুলার যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না, সাহিত্যেরও পিছনে তেমনই আনন্দদান ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়। লেখকের ব্যক্তি-মননের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটবে সাহিত্যে। প্রাবন্ধিকের মতে, সাহিত্যে যখন তত্ত্ব-উপদেশ প্রকাশ পায় বা সাহিত্য যখন জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন তা স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জ্ঞানের কথা আমাদের মনে কোনো আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। যেমন, সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এ তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ের যে সৌন্দর্য তা আমাদের মনে আনন্দের জন্ম দেয়। এই আনন্দ সৃষ্টি করা অর্থাৎ সৌন্দর্যলোকের সন্ধান দেওয়াই সাহিত্যের কাজ। সাহিত্যে নির্মিত সৌন্দর্য-অনুভূতি যদি লোকহিত সাধন করে, তাতে সাহিত্যের কুললক্ষণ নষ্ট হয় না। শুধু লোকহিতার্থে ও সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে এ বিষয়ই উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি অনুচ্ছেদটিতে যথাযথভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
83
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে শিক্ষা ও সাহিত্যের পার্থক্য স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের 'শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী' বক্তব্যটি উপরের অনুচ্ছেদে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে।

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুযায়ী সাহিত্যের কাজ মানুষের মনকে জাগানো। সেখানে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। অন্যদিকে, শিক্ষা হলো সেই জিনিস যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষ গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। সেখানে আনন্দ থাকে না, থাকে বাস্তবতার কৌশল। সাহিত্যে থাকে রসের আবেগ ও ব্যক্তি-মনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। লেখকের এ বক্তব্য প্রমাণ করে, শিক্ষা ও সাহিত্য এক জিনিস নয়। উভয়ের উদ্দেশ্যও ভিন্ন।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্যকে স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকের মর্মার্থ হচ্ছে, শিক্ষণীয়। বিষয় অর্থাৎ জ্ঞানের কথা একবার জানা হয়ে গেলে তা আর জানতে ইচ্ছা করে না বা তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। কিন্তু-সাহিত্য সৃষ্টিকাল থেকে আজও পাঠক-হৃদয়ে সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি জাগিয়ে রেখেছে।
আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের বক্তব্য থেকে উপলব্ধি করা যায়, শিক্ষা মানুষকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বেঁধে রাখে এবং তা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকেই বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনের প্রসার ঘটায় ও পাঠককে নির্মল আনন্দদান করে। শুধু লোকহিতার্থে বা পাঠকের সন্তুষ্টির জন্য সাহিত্য রচনার প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। সাহিত্যিক তখন শিক্ষকে রূপান্তরিত হন। বস্তুত, মানুষের বিবেক ও বিবেকতাড়িত বিষয়ের সমষ্টিগত দৃষ্টিভঙ্গি সাহিত্যের মাধ্যমে প্রকাশ ছাড়া আর কোনো মাধ্যম দিয়ে সম্ভব নয়। এ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বলা যায়, শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী তা উল্লিখিত অনুচ্ছেদে যথার্থভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
86
উত্তরঃ

রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম হলো 'নরকের দুয়ার'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
338
উত্তরঃ

মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ, কেননা-তা উদ্দেশ্যহীন বা নিষ্কাম কর্ম।
প্রাবন্ধিকের মতে, সাধারণত মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কোনোকিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই তার একমাত্র প্রত্যাশা। মানুষ খেলা করে শুধু সেসময়ের কাঙ্ক্ষিত আনন্দের জন্য, অন্য কোনোকিছু পাওয়ার ইচ্ছা তার থাকে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, এ কথাটির পিছনে ব্যক্তির কামনা-বাসনা বা অভিসন্ধির মতো কোনো হীন প্রবৃত্তি কাজ করে না। ক্রীড়াকে তাই তিনি শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বিবেচনা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
82
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews