ববিতা ব্যানার্জী তার বান্ধবী রেখা সেনের বিয়েতে চট্টগ্রাম যায়। বিয়ের দিন ববিতা সুন্দর করে তুলার তৈরি কাপড় পরে, যাতে সোনার ব্রেসলেট, পায়ে রূপার নূপুর, গলায় সোনার হার, মাথাन बन পরে। বিয়ে বাড়িতে মাছ-মাংস, দই, ক্ষীর ইত্যাদি পরিবেশন করা যায়।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

পুরাণ ও মহাকাব্যে বর্ণিত দেব-দেবী নির্ভর ধর্মকে পৌরাণিক ধর্ম বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পাল রাজাদের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধ ধর্ম আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল।

প্রাচীন যুগে এ অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের একটি বিশিষ্ট স্থান ছিল। পাল রাজারা এদেশে সুদীর্ঘ চারশ বছর শাসন করেন। তারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের বিশেষ পৃষ্ঠপোষক। তবে অন্যান্য ধর্ম-সম্প্রদায়ের প্রতিও তারা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। পালদের রাজত্বকালে তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধ ধর্ম বাংলা-বিহার ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত পোশাক-পরিচ্ছদের সাথে প্রাচীন বাংলার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রাচীন বাংলার সামাজিক জীবন বেশ বৈচিত্র্যময় ছিল। তবে পোশাক- পরিচ্ছদের ব্যাপারে রাজা-মহারাজা ও ধনীদের কথা বাদ দিলে বিশেষ কোনো আড়ম্বর তখন ছিল না। বাংলার পুরুষ ও নারীরা ধুতি ও শাড়ি পরত। পুরুষেরা কখনো কখনো গায়ে চাদর আর মেয়েরা ওড়না পড়ত। তবে উৎসব-অনুষ্ঠানে বিশেষ পোশাকের ব্যবস্থা ছিল।

উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, ববিতা ব্যানার্জী বিয়ের অনুষ্ঠানে তুলার তৈরি কাপড়, সোনার ব্রেসলেট, রুপার নূপুর, গলায় সোনার হার ও মাথায় ওড়না পড়েছেন। তার পোশাক-পরিচ্ছদ বাংলার প্রাচীন আমলকে নির্দেশ করে। কেননা, ঐ আমলে সাধারণ মানুষের জীবন আড়ম্বরপূর্ণ না থাকলেও বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ উভয়ের অলঙ্কার ব্যবহারের রীতি ছিল। তারা কানে কুণ্ডল, গলায় হার, আঙ্গুলে আংটি, হাতে বালা ও পায়ে মল ব্যবহার করত। তবে হাতে শঙ্খের বালা পড়ত শুধু মেয়েরা। তাদের অনেকে চুড়ি পড়তে ভালোবাসত। ধনীরা মণি-মুক্তা ও সোনা-রূপার দামি অলঙ্কার ব্যবহার করত। মেয়েদের সাজসজ্জায় আলতা, সিঁদুর ও কুমকুমের ব্যবহারও তখন প্রচলিত ছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত পোশাক- পরিচ্ছদের সাথে প্রাচীন বাংলার পোশাক-পরিচ্ছদের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উক্ত আমল অর্থাৎ প্রাচীন বাংলার সময় থেকে এ পর্যন্ত বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিল রয়েছে।

প্রাচীন বাংলায় বাঙালির প্রধান খাদ্যগুলো বর্তমান সময়ের মতই ছিল। চাল থেকে প্রস্তুত নানা প্রকার পিঠা জনপ্রিয় ছিল। সে যুগে বাঙালি ব্রাহ্মণেরা আমিষ খেত। তখন বহু ধরনের মাছ পাওয়া যেত। পূর্ববঙ্গে ইলিশ ও শুঁটকি মাছ এখনকার মতই খুব প্রিয় খাবার ছিল।

উদ্দীপকে রেখা সেনের বিয়েতে মাছ, মাংস, দই, ক্ষীর প্রভৃতি খাবার পরিবেশন করতে দেখা যায়। এগুলো প্রাচীন বাংলার খাদ্যাভ্যাসকে তুলে ধরে। বর্তমান যুগের মতো তখনও ভাত, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, দুধ, দই, ঘি, ক্ষীর ইত্যাদি খাওয়া হতো। সবজির মধ্যে বেগুন, লাউ, কুমড়া, ঝিঙ্গা, কাঁকরোল, কচু উৎপন্ন হতো। বর্তমান বাংলায়ও এসব চোখে পড়ে। আম, কাঁঠাল, কলা, তাল, পেঁপে, নারকেল, ইক্ষু সে সময়ের উল্লেখযোগ্য ফল। বর্তমান বাংলাদেশি তথা বাঙালি জাতির মানুষও এসব ফল খেয়ে থাকে। তবে বর্তমানে যে ডাল খাওয়া হয়, তার উল্লেখ প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে কোথাও পাওয়া যায়নি। তখন দুধ, নারকেলের পানি, ইক্ষুরস, তালরসসহ নানা প্রকার পানীয় প্রচলিত ছিল। বর্তমানে এগুলো ছাড়াও অনেক দেশিবিদেশি ফলের রস ও অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় দেখা যায়। তুর্কি মোগল পাঠান আমলে পোলাও, বিরিয়ানি, কাবাব ইত্যাদি এবং সাম্প্রতিক যুগে পাশ্চাত্যসহ বিশ্বের নানা অঞ্চলের বিচিত্র খাবার বাঙালির খাদ্যতালিকায় যুক্ত হয়েছে।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, কালের প্রবাহে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেলেও তারা হাজার বছরের পুরোনো খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই ধরে রেখেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
109

মানুষ সামাজিক জীব । সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করাই তার স্বভাব। এভাবে বাস করতে হলে চাই একে অন্যের সাথে সহযোগিতা। এ কারণেই মানুষের প্রয়োজন পড়ে বিভিন্ন সামাজিক অর্থনেতিক ও রাজনৈতিকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। জীবন বাঁচাতে প্রধান তিনটি জিনিসের প্রথম প্রয়োজন- খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থান। এর পরই মানুষ জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে মনোযোগ দেয় শিক্ষা, বিজ্ঞান, শিল্পকলা, আইন প্রভৃতির উন্নয়নে । সমাজ জীবন বিকাশে মানুষের এ সমস্ত কাজকর্মের একত্রিত রূপই হচ্ছে তার সংস্কৃতি । আর্যদের আগমনের পূর্বে বাংলার প্রাচীন মানুষ একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন গড়ে তুলেছিল । বাংলার সমাজ-সংস্কৃতির এটাই সবচেয়ে প্রাচীন রূপ । পণ্ডিতদের মতে, এদের ভাষার নাম ছিল 'অস্ট্রিক । জাতি হিসেবে এদের বলা হতো নিষাদ । এরপর বাংলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায় 'আলপাইন' নামে এক জাতি । আর্যরা এদেশে আসার পূর্বে এরা মিলেমিশে বাংলার সংস্কৃতি গড়ে তোলে । বাঙালির জনপ্রকৃতিতে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর ধারা এসে মিলিত হয়েছে। এটি তাদেরকে 'সংকর-জন' হিসেবে পরিচিত করেছে। বহু বছর বিচিত্র আদান-প্রদান ও মিশ্রণের ফলে বাঙালির একটি নিজস্ব দৈহিক বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা –

  • প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বর্ণনা করতে পারব;
  • প্রাচীন বাংলার শিল্পকলা, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রকলার বর্ণনা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার ধর্ম, আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতিতে জনগণের প্রদর্শিত মূল্যবোধ ও বিশ্বাস ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চর্চায় তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশসমূহের অবদান সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতে সক্ষম হব;
  •  ইতিহাস চর্চার মাধ্যমে প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আর্যদের বৈদিক ভাষা থেকেই কালক্রমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়। মূলত প্রাচীন যুগে আর্যরা যে ভাষা ব্যবহার করত এবং যে ভাষায় বৈদিক গ্রন্থ রচিত হয় তা সংস্কার করা হয়। সংস্কারের পর এ ভাষা সংস্কৃত নামে অভিহিত হয়। সংস্কৃত হতে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত হতে অপভ্রংশ ভাষার উৎপত্তি হয়। অপভ্রংশ ভাষা হতে অষ্টম বা নবম শতকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
634
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত খাদ্য ও পোশাক পরিচ্ছদের সাথে বাংলার প্রাচীন আমলের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রাচীনকালেও বর্তমান সময়ের মতো বাঙালির প্রধান খাদ্য ছিল ভাত, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, দুধ, ক্ষীর ইত্যাদি। খাওয়া-দাওয়া শেষে মসলাযুক্ত পান খাওয়ার রীতি ছিল। চাউল হতে প্রস্তুত নানা প্রকার পিঠা তখন জনপ্রিয় মুখরোচক খাবার ছিল। তাছাড়া নানা জাতের মাছ পাওয়া যেত। পূর্ববঙ্গে ইলিশ ও শুঁটকি মাছ খুব প্রিয় খাবার ছিল। তরকারির মধ্যে বেগুন, লাউ, কুমড়া, ঝিংগে, কাকরোল, কচু উৎপন্ন হতো। ফলের মধ্যে আম, কাঁঠাল, কলা, নারকেল, পেঁপে পাওয়া যেতো। দরকারি বিভিন্ন জিনিস গ্রামেই তৈরি হতো।

আর পোশাক পরিচ্ছদের ক্ষেত্রে প্রাচীন যুগে রাজা মহারাজা ও ধনীদের বাদ দিলে তেমন বিশেষ আড়ম্বর ছিল না। প্রাচীন বাংলার নারী-পুরুষ উভয়েই অলংকার পরতো। তারা কানে কুণ্ডল, গলায় হার, আঙুলে আংটি, হাতে বালা ও পায়ে মল পরিধান করতো। মেয়েদের সাজসজ্জায় আলতা, সিঁদুর ও কুমকুমের ব্যবহার প্রচলিত ছিল।

উদ্দীপকে দেখা যায়, টিনা নীলার বিয়েতে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে প্রাচীন বাংলার খাবারের সাথে টিনার বিয়ের আয়োজনে খাদ্যতালিকার মিল দেখতে পায়। সাজসজ্জার ক্ষেত্রেও প্রাচীন যুগের সাথে সাদৃশ্য খুঁজে পায় টিনা। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে টিনা তার বান্ধবী নীলার গ্রামের বাড়িতে যা কিছু প্রত্যক্ষ করেছে সেগুলোর সাথে বাংলার প্রাচীন আমলের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
485
উত্তরঃ

নীলাদের গ্রামের আর্থিক কাঠামোর মাঝে প্রাচীন বাংলার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে বলে আমি মনে করি।

প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা কৃষির জন্য সুখ্যাত ছিল। এ অঞ্চলে পাট, ইক্ষু, তুলা, নারকেল, সুপারি, এলাচ, লবঙ্গ ইত্যাদি উৎপন্ন হতো। এছাড়াও কুটিরশিল্পের মধ্যে মাটির তৈরি কলস, ঘটি-বাটি, বাসনপত্র ইত্যাদি ছিল। আর লোহার তৈরি জিনিসপত্রের মধ্যে ছিল দা, কুড়াল, কোদাল ইত্যাদি। বস্ত্রশিল্পের জন্য বাংলা প্রাচীনকালেই বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল। বিশ্বখ্যাত মসলিন কাপড় প্রাচীন কাল থেকেই বাংলায় তৈরি হতো। আর কার্পাস তুলা ও রেশমের তৈরি উন্নতমানের সূক্ষ্ম বস্ত্রের জন্যও বঙ্গ প্রসিদ্ধ ছিল।

বঙ্গে স্থল ও জলপথেই বাণিজ্যের আদান-প্রদান চলত। দেশের ভেতরে বাণিজ্য ছাড়াও সে সময় বাংলার বৈদেশিক বাণিজ্য বেশ উন্নত ছিল। তাছাড়াও প্রাচীন বাংলায় পূজা-পার্বণ ও আমোদ-প্রমোদের ব্যবস্থা ছিল। দুর্গার অর্চনা উপলক্ষে বরেন্দ্রে বিপুল উৎসব হতো। ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া, আকাশপ্রদীপ, জন্মাষ্টমী, দশহরা, গঙ্গাস্নান ইত্যাদি অনুষ্ঠান হতো বঙ্গে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রামের আর্থিক কাঠামোর মাঝে প্রাচীন বাংলার চিত্র ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
463
উত্তরঃ

প্রাচীন বাংলার মানুষের অবস্থা মোটামুটি উন্নত ছিল।

প্রাচীন বাংলার সমাজ জীবনে নানা ধরনের প্রথা বিদ্যমান ছিল। আর প্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক জীবনের মূলভিত্তি ছিল কৃষি। এছাড়াও কুটিরশিল্প গড়ে উঠেছিল বঙ্গে। আর প্রাচীন বাংলায় স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রশিল্পের বহু নিদর্শন ছিল। তাছাড়াও তৎকালীন বাংলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews