বর্ণনামূলক-প্রশ্ন গুলো উওর দাও

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

পানি দূষণ রোধে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে হবে-
১. শিল্পবর্জ্য ও কারখানার পানি পরিশোধন করে নদী ও খালে ছাড়তে হবে।
২. প্লাস্টিক ও আবর্জনা নদীতে না ফেলে যথাস্থানে ফেলতে হবে।
৩. জমিতে সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে।
৪. পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে।
৫. মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পরিবেশ দূষণ কমানোর জন্য বাসাবাড়ির বর্জ্য যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বা নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে এজন্য বাসাবাড়ির সব বর্জ্য একসাথে না ফেলে প্রথমে আলাদা আলাদা রাখতে হরে। এরপর নিম্নরূপে নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলতে হবে-
১.নীল পাত্রে: পচনশীল পদার্থ যেমন- খাবারের উচ্ছিষ্ট, ফলের খোসা, সবজির উচ্ছিষ্টাংশ ইত্যাদি।
২. সবুজ পাত্রে : কাচ জাতীয় পদার্থ যেমন- ভাঙা গ্লাস, বোতল ইত্যাদি।
৩.হলুদ পাত্রে : প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ যেমন- প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, প্লাস্টিকের কাপ ইত্যাদি।
৪. লাল পাত্রে : ধাতব পদার্থ যেমন- টিনের কৌটা, পুরোনো চামচ, অ্যালুমিনিয়ামের জিনিস ইত্যাদি।
প্রয়োজনে বাসাবাড়ির বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করার ব্যবস্থা ক্রতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে আমি এবং আমার পরিবারের করণীয় কয়েকটি উপায় নিচে দেওয়া হলো-
১. প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার না করে কাপড় বা পাটের ব্যাগ ব্যবহার করা।
২. বাড়ির আশপাশে প্লাস্টিক সামগ্রী না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলা।
৩. বাড়ির আঙিনা বা খোলা জায়গায় প্লাস্টিক সামগ্রী না পোড়ানো।
৪. প্লাস্টিকের আবর্জনা নদীতে না ফেলা।
৫. পুরনো প্লাস্টিক জিনিস ফেলে না দিয়ে পুনঃব্যবহার (Recycle) করা।
৬. বন্ধু ও পরিবারের সবাইকে প্লাস্টিকের দূষণ সম্পর্কে সচেতন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক পরিবেশে মানুষসহ অন্যান্য জীব ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে। এই স্বাভাবিক পরিবেশে ক্ষতিকর কোনো কিছু প্রবেশ করে যখন মানুষসহ অন্যান্য জীবের বসবাসে সমস্যা হয় তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।

পরিবেশ দূষণের প্রধান তিনটি ধরন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- মাটি দূষণ: বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর বস্তু মাটিতে মেশার ফলে যে দূষণ ঘটে তাই মাটি দূষণ। কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার, কীটনাশক, রাসায়নিক পদার্থ, বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ইত্যাদি মাটিতে মিশে মাটি দূষিত করে। মাটি দূষণের ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়।
পানি দূষণ: পানি দূষণ হলো পানিতে বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ যেমন- আবর্জনা, প্রাণীর মল, সার ও কীটনাশক, শিল্পকারখানায় উৎপন্ন তরল বর্জ্য পদার্থ ইত্যাদি মিশ্রিত হওয়া।
বায়ু দূষণ: বায়ু দূষণ হলো বায়ুতে ক্ষতিকর কোনো উপাদান যেমন- গাড়ি ও ইটভাটার কালো ধোঁয়া, শিল্পকারখানায় উৎপন্ন ধোঁয়া, ধূলিকণা, দুর্গন্ধ ইত্যাদি মিশ্রিত হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

কৃষিকাজে মাটি দূষণের তিনটি প্রভাব হলো-
১. কেঁচো ও উপকারী অণুজীব মারা যায়।
২. জমির উর্বরতা কমে যায়।
৩. জমিতে ফসল উৎপাদন হ্রাস পায়।
মাটি দূষণ রোধে পাঁচটি করণীয় হলো-
১. রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
২. নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ও ময়লা ফেলা।
৩. প্লাস্টিক বা পলিথিনের পরিবর্তে কাপড় বা পাটের ব্যাগ ব্যবহার করা।
৪. কারখানা ও শিল্পবর্জ্য পরিশোধন করে যথাস্থানে ফেলা।
৫. বেশি করে গাছ লাগানো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যেসব কারণে পরিবেশের উপাদান মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত হয় সেগুলো পরিহার করে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখাই হলো পরিবেশ সংরক্ষণ। পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা যায় ফলে মানুষসহ অন্যান্য জীব ভালোভাবে বাঁচতে পারে।

পরিবেশ সংরক্ষণের দুটি প্রয়োজনীয়তা হলো-
১. জীবের বেঁচে থাকার জন্য স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা।
২. পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা।
পরিবেশ সংরক্ষণে আমার চারটি করণীয় হলো-
১. বর্জ্য পদার্থ নির্ধারিত স্থানে ফেলব।
২. পায়ে হেঁটে বা সাইকেল চালিযে পথ চলব।
৩. পলিথিন, প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে ব্যবহার করব।
৪: বাড়ি ও বিদ্যালয়ের খালি জায়গায় গাছ লাগাবো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পরিবেশ হলো আমাদের চারপাশে থাকা মাটি, পানি, বায়ু, আলো, ঘর, বাড়ি, নদী, পাহাড়, গাছপালা, পশুপাখি, কলকারখানা, গাড়ি ইত্যাদি উপাদান।
পরিবেশ দূষণের দুটি উৎস হলো- ১. গাড়ি ও ২.. পলিথিন।
পরিবেশ সংরক্ষণে বাসাবাড়ির বর্জ্যপদার্থ ফেলতে নিচের পদ্ধতি
অনুসরণ করবো-
১. পচনশীল পদার্থ ফেলবো নীল রঙের পাত্রে।
২. কাচ জাতীয় পদার্থ ফেলবো সবুজ রঙের পাত্রে।
৩. প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ ফেলবো হলুদ রঙের পাত্রে।
৪. ধাতব পদার্থ ফেলবো লাল রঙের পাত্রে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

জীবের জীবনে পানি দূষণের প্রভাব লেখো।
উত্তর; পানি দূষণ হলো পানিতে নিতে বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ যেমন-আবর্জনা, প্রাণীর মল, সার ও কীটনাশক, শিল্পকারখানায় উৎপন্ন জনা, প্রাণার মল, তরল বর্জ্য পদার্থ ইত্যাদি মিশ্রিত হওয়া।
পানি দূষণের তিনটি কারণ হলো-
১. আবর্জনা ও প্রাণীর মল পানিতে ফেলা।
২. শিল্পকারখানা ও হাসপাতালের বর্জ্য পানিতে ফেলা।
৩. কৃষিজমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার।
পানি দূষণের ফলে মানুষের খাবার উপযোগী নিরাপদ পানির পরিমাণ কমে যায়। দূষিত পানি পান করে মানুষ কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয় ও বিভিন্ন চর্মরোগ আক্রান্ত হয়। পানিতে বসবাস করা মাছ ও অন্যান্য জলজ জীবের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে মাছের অভাবে মানুষের প্রাণিজ প্রোটিন পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
11

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews