কম্পিউটারের প্রধান অংশ ৪টি। নিচে এদের নাম ও কাজ বর্ণনা করা হলো-
১. ইনপুট ইউনিট: কম্পিউটারে তথ্য দেওয়ার জন্য আমরা যেসমস্ত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি, সেগুলো হলো ইনপুট ইউনিট। যেমন---কিবোর্ড দ্বারা কোনো কিছু লেখা বা টাইপ করা হয়; মাউস দ্বারা কোনো কিছুতে ক্লিক করা, স্কুল আপ বা ডাউন করা হয়।
২.প্রসেসিং ইউনিট: প্রসেসিং ইউনিটের পুরো নাম- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)। আমরা কম্পিউটার চালানোর সময় বিভিন্ন নির্দেশনা দিই, সেগুলোকে CPU প্রসেসিং করে ডিসপ্লে বা মনিটরে দেখায়।
৩. মেমোরি বা স্টোরেজ ইউনিট: তথ্য প্রসেসিংয়ের পর এই ইউনিট তথ্য সংরক্ষণ করে রাখতে সাহায্য করে। কম্পিউটার মেমোরি ইউনিটের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজনে সেই তথ্য ব্যবহার করে নির্দেশিত কাজ করে।
৪. আউটপুট ইউনিট: আউটপুট ইউনিট হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে আমরা ডাটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল দেখতে, পড়তে বা শুনতে পাই। যেমন- মনিটরের মাধ্যমে যেকোনো ছবি ও ভিডিয়ো দেখতে পাই। প্রিন্টারের মাধ্যমে কোনো তথ্য বা ছবি কাগজে ছাপানো আকারে পাই।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেসব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত তা হলো-
১. ভিআর ডিভাইস ব্যবহারের পূর্বে তার নির্দেশিকা ও সতর্কতা সম্পর্কে জানতে হবে।
২. মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় এমন বিষয়বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে, প্রয়োজনে বিরতি নিয়ে দেখতে হবে।
৩. মোশন সিকনেস বা গতি-অসুস্থতা যেমন- মাথাব্যথা বা চোখের ক্লান্তিবোধ হলে ৩০- ৬০ মিনিট বিরতি নিতে হবে।
৪. চোখে বিশেষ কন্টাক্ট লেন্স বা 3D চশমা পরতে হবে।
কম্পিউটারে তথ্য দেয়ার জন্য আমরা যে সমস্ত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি, সেগুলো হলো ইনপুট ইউনিট। ইনপুট ইউনিটে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলোর কাজ সম্পর্কে নিচে লেখা হলো-
১. কিবোর্ড: কোনো কিছু লেখা বা টাইপ করার কাজে ব্যবহার করি।
২. মাউস: কোনো কিছুতে ক্লিক করা, স্কুল আপ ও ডাউন করার কাজে ব্যবহার করে থাকি।
৩. স্ক্যানার : কোনো ডকুমেন্টকে সফ্টকপিতে রূপান্তর করতে এবং কারো কাছে পাঠাতে আমরা স্ক্যানার ডিভাইস ব্যবহার করে থাকি।
৪. মাইক্রোফোন: ভয়েস ইনপুট করার জন্য আমরা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে থাকি।
৫. ওয়েবক্যাম: কোনো কিছুর ছবি তোলা, ভিডিয়ো ধারণ করা ও কারো সাথে ভিডিয়ো যোগাযোগের মাধ্যমে কথা বলা যায়।
প্রযুক্তি হলো মানুষের তৈরি এমন উপায় রা যন্ত্র, যা আমাদের জীবনকে সহজ ও আরামদায়ক করেছে।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত তিনটি প্রযুক্তি হলো-
১. মোবাইল,
২. ইমেল এবং
৩. সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক মেসেঞ্জার ইত্যাদি)।
শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত তিনটি প্রযুক্তি হলো-
১. কম্পিউটার,
২. ইন্টারনেট এবং
৩. স্মার্ট বোর্ড।
রোবট হলো এমন একটি মেশিন বা যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
রোবটের তিনটি ব্যবহার ক্ষেত্র হচ্ছে-
১. চিকিৎসা ক্ষেত্র, ২. কৃষি ক্ষেত্র এবং ৩. সামরিক বাহিনী।
রোবটের তিনটি নিরাপদ ব্যবহার হচ্ছে-
১. রোবোট পরিচালনাকারীকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
২. রোবোটের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে, যাতে তা সব সময় সচল ও নিরাপদ থাকে।
৩. রোবোট ব্যবহারের আগে তা পরীক্ষা ও যাচাই করে দেখা উচিত, যেন কোনো ত্রুটি না থাকে।
প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞান নির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কল্পবাস্তবতা বলে।
উন্নত বিশ্বে ডাক্তারদের আধুনিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার হচ্ছে।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির নিরাপদ ব্যবহারগুলো হচ্ছে-
১. ভিআর ডিভাইস ব্যবহারের পূর্বে তার নির্দেশিকা ও সতর্কতা সম্পর্কে জানতে হবে।
২. মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় এমন বিষয়বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে, প্রয়োজনে বিরতি নিয়ে দেখতে হবে।
৩. মোশন সিকনেস বা গতি-অসুস্থতা যেমন- মাথাব্যথা বা চোখের ক্লান্তি বোধ হলে ৩০-৬০ মিনিট বিরতি নিতে হবে।
৪. চেখে বিশেষ কন্টাক্ট লেন্স বা 3D চশমা পরতে হবে।
অটোমেশন হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার পদ্ধতি।
যেখানে কোনো যন্ত্র মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। অটোমেশনের দুটি নিরাপদ ব্যবহার হচ্ছে-
১. সিস্টেমটি সঠিকভাবে কার্যকর আছে কী-না তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।
২. ব্যবহারকারীকে প্রশিক্ষিত এবং অটোমেশন ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তি যা মানুষের মতো চিন্তা করতে, সমস্যা সমাধান করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের দুটি নিরাপদ ব্যবহার হলো-
১. এআই সিস্টেমে সঠিক এবং সত্য তথ্য ব্যবহার করতে হবে।
২. সম্পূর্ণ অনুমতি না থাকলে, কোনো ব্যক্তিগত তথ্য এআই সিস্টেমে ব্যবহার করা উচিত নয়।
কম্পিউটারের প্রধান অংশ ৪টি। যথা-
১. ইনপুট ইউনিট,
২. প্রসেসিং ইউনিট,
৩. মেমোরি ইউনিট,
৪. আউটপুট ইউনিট।
কম্পিউটার বিভিন্ন অংশের সমন্বয়ের মাধ্যমেই কাজ করে থাকে।
প্রথমে কম্পিউটারের ডাটা ইনপুট ইউনিটের মাধ্যমে প্রবেশ করে, সেটি ডাটা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে প্রসেসিং ইউনিটের মাধ্যমে মেমোরি ইউনিটে সংরক্ষিত হয়। সর্বশেষে আউটপুট ইউনিটের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করা হয়। এভাবে কম্পিউটার তার বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করে কাজ করে থাকে।
প্রসেসিং ইউনিটের পুরো নাম-
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)
মেমোরি ইউনিট তথ্য সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
মেমোরি ইউনিট দুই ধরনের। যথা:
১. অস্থায়ী মেমোরি: RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি।
২. স্থায়ী মেমোরী: ROM হলো স্থায়ী মেমোরি।
কম্পিউটারে তথ্য দেওয়ার জন্য আমরা যে সমস্ত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি সেগুলো হলো ইনপুট ইউনিট।
দুটি ইনপুট ইউনিটের ব্যবহার হলো-
১. কিবোর্ড কোনো কিছু লেখা বা টাইপ করার কাজে ব্যবহার করি।
২. মাউস কোনো কিছুতে ক্লিক করা, স্কুল আপ ও ডাউন করার কাজে ব্যবহার করি।
আউটপুট ইউনিট হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে আমরা ডাটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল দেখতে, পড়তে বা শুনতে পাই।
মনিটর: কোনো তথ্য, ছবি ও ভিডিয়ো মনিটরে দেখতে পাই।
স্পিকার: কোনো শব্দ শুনতে চাইলে আমরা স্পিকার ব্যবহার করে থাকি।
ড্রোন হলো এক ধরনের উড়ন্ত রোবট, যা মানুষ দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
ড্রোন তৈরির প্রধান উদ্দেশ্য হলো মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলোকে সহজ করা।
ড্রোনের নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে চারটি বাক্য হলো-
১. ড্রোন চালানোর জন্য নিরাপত্তা এবং ব্যবহারের বিধিনিষেধ অবশ্যই জানা দরকার।
২. ড্রোন চালানোর সময় এটিকে সর্বদা নজরদারিতে রাখতে হবে।
৩. একটি ড্রোনের আশপাশে অন্য কোনো ড্রোন চালানো যাবে না।
৪. ড্রোন ব্যবহারকারীকে সঠিকভাবে ড্রোন ব্যবহারের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
আউটপুট ইউনিট হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে আমরা ডাটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল দেখতে, পড়তে বা শুনতে পাই। যেমন- মনিটর, প্রজেক্টর, প্রিন্টার, স্পিকার, হেডফোন ইত্যাদি।
আউটপুট ইউনিটে ব্যবহৃত তিনটি যন্ত্রের কাজ নিচে দেওয়া হলো-
১. প্রিন্টার: কোনো তথ্য বা ছবি কাগজে বা ডকুমেন্ট ছাপানোর জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
২. স্পিকার: কোনো শব্দ শুনতে চাইলে স্পিকার ব্যবহার করা হয়।
৩. মনিটর: কোনো তথ্য, ছবি ও ভিডিয়ো মনিটরে দেখতে মনিটর ব্যবহার করা হয়।
দুটি চিকিৎসা প্রযুক্তির নাম হলো- ১. এক্স-রে ও ২. ইসিজি।
প্রযুক্তির অপব্যবহার আমাদের নিম্নরূপে ক্ষতি করে-
১. সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ায়।
২. ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য ফাঁস করে দেয়।
৩. পড়াশোনার ক্ষতি ও চোখের সমস্য হয়।
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের তিনটি উপায় হলো-
১. নিজের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা।
২. সময় বেঁধে প্রযুক্তির ডিভাইসগুলো যেমন- মোবাইল রা কম্পিউটার ব্যবহার করা।
৩. শিক্ষকের বা অভিভাবকের পরামর্শে ইন্টারনেট ব্যবহার করা।
বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ সৃষ্টি করার প্রযুক্তি হচ্ছে জৈব প্রযুক্তি।
কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত তিনটি পুরাতন প্রযুক্তি হলো-
১. লাঙল, ২. কাস্তে ও ৩. ট্রাক্টর।
কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত তিনটি নতুন প্রযুক্তি হলো-
১. প্যাডেল থ্রেসার,
২. রোবট ও
৩. আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স।
প্যাডেল থ্রেসার হচ্ছে এক ধরনের কৃষি প্রযুক্তি, যার সাহায্যে ফসল মাড়াই করা হয়।
কৃষিক্ষেত্রে রোবটের তিনটি ব্যবহার হচ্ছে-
১. চারা রোপণ,
২. ফসল সংগ্রহ এবং
৩. মাটি ও ফসল পর্যবেক্ষণ।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের তিনটি ব্যবহার হচ্ছে -
১. ছাদ বাগান করা।
২. ফসলের রোগ নির্ণয় ও সমাধান।
৩. পোকামাকড়ের সঠিক তথ্য ও সমাধান।
Related Question
View Allবিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ সৃষ্টিতে ব্যবহ্যত হয় জৈব প্রযুক্তি l
কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
এক সময় খেলাধুলার প্রচার ও বিনোদনের মাধ্যম ছিল রেডিয়ো l
রোবট পরিচালনাকারীকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
দৈনন্দিন জীবনে সকল ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে।
চাকা আবিষ্কারের পর থেকে ধীরে ধীরে যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এসেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!