বর্ণনামূলক/সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা কিংবা সামাজিকভাবে গড়ে তোলা বনকে উপকূলীয় বন বলে।

উত্তরঃ

সামাজিক বনের দুইটি গুরুত্ব হলো-

১. এ বন বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ থেকে আমাদের রক্ষা করে।
২. পরিকল্পিত সামাজিক বন আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে। তাছাড়া আমাদের শিক্ষা ও বিনোদনের ক্ষেত্রেও এ বনের গুরুত্ব রয়েছে।

উত্তরঃ

বাড়ির ছাদের টবে লাগানো যায় এমন তিনটি গাছ হলো-১. লেবু গাছ, ২. পেয়ারা গাছ ও ৩. ডালিম গাছ।

উত্তরঃ

পাহাড়ি বন ও সামাজিক বনের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

পাহাড়ি বন

সামাজিক রন

১. এ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো- গর্জন, গামার, সেগুন ইত্যাদি।১. এ বনের প্রধান গাছগুলো হলো- শিশু, মেহগনি, বড়ই, রেইনট্রি ইত্যাদি।
২. পাহাড়ি বনের প্রধান প্রাণী হলো- বন্য হাতি, শূকর, বানর ইত্যাদি।২. সামাজিক বন হলো এক ধরনের অভয়ারণ্য, এখানে কোনো বন্যপ্রাণী থাকে না।
৩. এ বনের প্রধান প্রধান পাখি হলো বনমুরগি, ময়না, টুনটুনি, ধনেশ, কাঠঠোকরা ইত্যাদি।৩. এ বনের পাখি হলো- ঘুঘু, কাক, দোয়েল, শ্যামা, বউ কথা কও, শালিক ইত্যাদি।
৪. পাহাড়ি বন হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক বন।৪. সামাজিক বন হলো কৃত্রিম বন, য়াসানুষের দ্বারা তৈরি।
উত্তরঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের ২৫% ভূমিতে বন থাকা প্রয়োজন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনের গুরুত্ব নিচে দেওয়া হলো-

১. উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণকালে অভিরিস্তা কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এতে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়।
২. উদ্ভিদ প্রস্বেদনের মাধ্যমে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এ জলীয়বাষ্প বৃষ্টিপাত ঘটাতে সহায়তা করে।
৩. ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস রোধ করে। নদ-নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. ভূগর্ভস্থ পানির মজুদ বৃদ্ধি করে।
৫. আবহাওয়ার চরমভাবাপন্নতা হ্রাস করে।
৬. বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে।
৭. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
৮. জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
৯. ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জনপদকে রক্ষা করে।
১০. গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে।
১১. প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ হ্রাস করে।

বনজ সম্পদ অপব্যবহারে দেশের পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে। তাই বনজ সম্পদ সংরক্ষণ ও সমৃদ্ধকরণে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।

উত্তরঃ

পলিব্যাগের চারা রোপণের পদ্ধতি নিচে বর্ণনা করা হলো:

১. সতর্কতার সাথে পলিব্যাগটি ধরে একটি ধারালো ব্লেড বা ছুরি দিয়ে পলিব্যাগটি কেটে অপসারণ করতে হবে।

২. খেয়াল রাখতে হবে চারার গোড়ার মাটি যেন ভেঙে না পড়ে।
৩. চিত্রের মতো করে, চারাটি সাবধানে গর্তে বসিয়ে মাটি দিয়ে চারদিকের ফাঁকা অংশ ভরাট করে দিতে হবে।
৪. লাগানোর সময় চারাটির সবুজ অংশ যাতে মাটিতে ঢেকে না যায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
৫.. চারার গোড়ার মাটি একটু উঁচু করে দিতে হবে যাতে গোড়ায় পানি জমতে না পারে।

উত্তরঃ

গাছপালার ঢাকা বিস্তৃত এলাকাকে বন বলা হয়। বনে বড় বড় উদ্ভিদের সংখ্যা বেশি থাকে। এ ছাড়া মাঝারি গাছপালা ও লতা-গুল্মও বনে জন্মে থাকে। হরেক রকমের পশু-পাখি এবং কীটপতঙ্গ বনে বাস করে। এসব গাছপালা ও জীবজন্তু এক সাথে মিলেমিশে বন্জ পরিবেশ সৃষ্টি করে।

উত্তরঃ

বনের ৪টি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. বৃহদাকার বৃক্ষরাজি থাকবে।
২. ঝোঁপঝাড় থাকবে।
৩. লতানো গাছ থাকবে।
৪. কীটপতঙ্গ; যথা- প্রজাপতি, মথ, মৌমাছি, উইপোকা থাকবে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার প্রাকৃতিক বনকে পাহাড়ি বন বলে।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বন বলতে সেই বনকে বোঝায় যা আপনা আপনি সৃষ্টি হয়। সুন্দরবনও এরকম একটি প্রাকৃতিক বন যা শত শত বছর ধরে বিস্তৃত অঞ্চল নিয়ে আপনা আপনি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সুন্দরবনকে প্রাকৃতিক বন বলা হয়।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বনের ৫টি উদ্ভিদ হলো- সুন্দরী, শাল, গর্জন, গেওয়া, কেওড়া।

প্রাকৃতিক বনের ৫টি প্রাণী হলো- হাতি, বাঘ, হরিণ, বানর, ভালুক।

উত্তরঃ

বৃহত্তর ঢাকার গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার সমতল ভূমিতে শালবন অরস্থিত।

উত্তরঃ

মানব সৃষ্ট কারণে সমতল ভূমির প্রাকৃতিক বন দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এ বনকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য এলাকার জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। এ কারণেই সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

উত্তরঃ

বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লার সমতল এলাকায় যে প্রাকৃতিক বন রয়েছে তা সমতল ভূমির বন হিসেবে পরিচিত। এসব 'বনের প্রধান বৃক্ষ, শালগাছ। তাই এ বনকে শালবন বলা হয়।

উত্তরঃ

মানুষ তার নিজের প্রয়োজন মেটানোর জন্য পরিকল্পনা করে যে বন তৈরি করে তার্কে সামাজিক বনায়ন বলে। সড়ক, রেলপথ, রাজপথ ও বাঁধের ধারে এ ধরনের বনায়ন করা হয়।

উত্তরঃ

সারাদেশের বনজ সম্পদের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষো এবং পরিবেশ রক্ষায় গ্রামীণ জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ সৃন্টি করতে সামাজিক বনায়ন করা হয়।

উত্তরঃ

সামাজিক বনায়নে অংশগ্রহণের মাধ্যমে গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। সামাজিক বন থেকে প্রাপ্ত মৌ, ফলমূল ও অন্যান্য সামগ্রী এ বনায়নে অংশগ্রহণকারী সবার মাঝে বণ্টন করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

উত্তরঃ

একই জমিতে ইপিল-ইপিল, নারকেল ও লিচু গাছের সাথে আনারস চাষের দুটি সুবিধা হলো-
১. জমির উর্বরাশক্তি বৃদ্ধি পায়।
২. পশুপাখি ও কীটপতঙ্গের আবাস সৃষ্টি।

উত্তরঃ

রোপণ করা চারা থেকে পরিণত গাছ পাওয়ার বড় শর্ত হল চারার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা। চারাগাছ বড়ই নাজুক থাকে। সামান্য প্রতিকূল অবস্থাও সহ্য করতে পারে না। তাই বেড়ে ওঠার জন্য সযত্ন পরিচর্যার প্রয়োজন।

উত্তরঃ

টবে লাগানোর টব বিভিন্ন রকম ও আকারের হয়ে থাকে। তাই টবের আকারের উপর ভিত্তি করে গাছের আকার নির্ধারণ করতে হবে।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বন আমাদের যেসব উপকার করে তা নিচে দেওয়া হলো-
১. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে,
২. মূল্যবান কাঠ পাওয়া যায়,
৩. শিল্পের কাঁচামাল পাওয়া যায়,
৪. ভেষজ উদ্ভিদ পাওয়া যায়,
৫. মোম ও মধু পাওয়া যায়,
৬. ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস হতে আমাদের রক্ষা করে।

উত্তরঃ

পাহাড়ি বন ও ম্যানগ্রোভ বনের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

পাহাড়ি বন

ম্যানগ্রোভ বা লোনাভূমির বন

১. বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মধ্যে পাহাড়ি বনের পরিমাণ বেশি।১. সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ লোনাভূমির বন।
২. দেশের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।২. বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মূল ভূখণ্ড থেকে সমুদ্রের তীর পর্যন্ত বিস্তৃত।
৩. এ এলাকায় অনেক বাঁশ পাওয়া যায় যেমন- বরাক, মুলি, উরা, মরাল, তল্লা, এলী ইত্যাদি।৩. অন্যান্য বৃক্ষ, যেমন- পশুর, গরান, গেওয়া, কেওড়া, কাঁকড়া, বাইন, বাদাম, গোলপাতা ইত্যাদি।
উত্তরঃ

পাহাড়ি বনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. গর্জন, চাপালিশ, চম্পাফুল, তেলসুর, শীলকড়ই ইত্যাদি মূল্যবান বৃক্ষ এ পাহাড়ি বনে পাওয়া যায়।
২. এসব বৃক্ষের কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র ও শৌখিন কাঠজাত দ্রব্যাদি তৈরি হয়ে থাকে।
৩. গর্জন কাঠ রেলওয়ে স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৪. পাহাড়ি বনের বাঁশ ও বেত দিয়ে শৌখিন শিল্পসামগ্রী তৈরি করা যায়। এসব শিল্পসামগ্রীর বিদেশে প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
৫. গৃহনির্মাণ ও কাগজ তৈরিতে এ বনের বাঁশ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৬. শীলকড়ই কাঠ দিয়ে খুঁটি তৈরি করা হয়।

উত্তরঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সামাজিক বনায়নের গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো-

১. বনের গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন পরিবেশে ছেড়ে দেয়। ফলে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের ভারসাম্য বজায় থাকে।'

২. এসব বনের গাছপালা বাতাসে-জলীয় বাষ্প সরবরাহ করে। ফলে পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকে। এ জলীয় বাষ্প মেঘ ও বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে।

৩. আবহাওয়ার চরমভাবাপন্নতা হ্রাস করে। বায়ু প্রবাহের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে।

৪. জীবজন্তুর খাদ্য উৎপাদন করে এবং আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

৫. ভূমিক্ষয় ও ভূমিধ্বস থেকে পরিবেশ রক্ষা করে।

৬. টর্নেডো, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে জনপদ রক্ষা করে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বনায়নের পরিমাণ বাড়ানোর পাঁচটি উপায় হলো-

১. বসতবাড়ির আশপাশে পতিত জমিতে বৃক্ষ রোপণ করে।

২. পুকুর ও জলাশয়ের পাড়ে বৃক্ষ রোপণ করে।

৩. সড়ক, রেলপথ, বাঁধ ও খালের ধারে বনায়ন করে।

৪. কৃষি বন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে।

৫. বনভূমিতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বনায়ন করে।

উত্তরঃ

বসতবাড়িতে গাছ লাগানোর সময় যেসকল বিষয় লক্ষ রাখতে হবে, তা হলো-

১. বসতবাড়ি হতে দূরে গাছপালা লাগাতে হবে। যাতে গাছের মরা ডাল ও পাতা ঝরে বসতবাড়ির টিনের চালা ও ছাদের ক্ষতি করতে না পারে।

২. বাড়িতে আলো-বাতাস প্রবেশে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

৩. বঝড় তুফানে গাছপালা ভেঙে পড়ে যেন জীবনহানি করতে না পারে।

৪. গাছপালা যেন বসতবাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে মনোরম পরিবেশ তৈরি করে।

158

লতা, গুলা ও ছোটবড় গাছপালায় আচ্ছাদিত এলাকাকে বন বলা হয়। বনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে উঁচু ও কাষ্ঠল বৃক্ষ থাকবে। বনে নানারকম পশু-পাখি ও পোকামাকড় বাস করে বনজ পরিবেশ তৈরি করে। বন আমাদের পরিবেশকে আবাস উপযোগী রাখে। কোনো দেশের সমগ্র এলাকার ২৫% প্রাকৃতিক বন থাকাটা আদর্শ অবস্থা। সরকারি হিসাব মতে, বাংলাদেশের ১৭% এলাকায় প্রাকৃতিক বন রয়েছে। বনকে রক্ষা করা ও নতুন বন সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি। এ অধ্যায়ে প্রাকৃতিক বন, সামাজিক বন ও কৃষি বন সৃষ্টি এবং এর পরিচর্যা সম্পর্কে আমরা জানব। তাছাড়া বনের গুরুত্ব সম্পর্কেও আমরা তথ্য জানতে এবং উপলব্ধি করতে পারব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • কৃষি ও সামাজিক বনের সাথে প্রাকৃতিক বনের তুলনা করতে পারব।
  • বাংলাদেশের মানচিত্রে প্রাকৃতিক বন চিহ্নিত করতে এবং ঐ সকল বনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর তালিকা তৈরি করতে পারব।
  • কৃষি ও সামাজিক বনায়নের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব।
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, কৃষি ও সামাজিক বনায়নের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বসতবাড়ির আঙ্গিনায়, ছাদে, টবে, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • বসতবাড়ির আঙ্গিনায়, ছাদে, টবে, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা করতে পারব।
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কৃষি ও সামাজিক বনায়নের অবদান তুলে ধরে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব।
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কৃষি ও সামাজিক বনায়নের অবদান উপলদ্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিজ্ঞানের ভাষায় লতা, গুল্ম ও ছোট বড় গাছপালায় আচ্ছাদিত এলাকাকে বন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
273
উত্তরঃ

সামাজিক বনায়নে অংশগ্রহণের মাধ্যমে গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। সামাজিক বন থেকে প্রাপ্ত মৌ, ফলমূল ও অন্যান্য সামগ্রী এ বনায়নে অংশগ্রহণকারী সবার মাঝে বণ্টন করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
289
উত্তরঃ

রহিমা বেগমের গাছগুলো হলো নারকেল, শিশু, পেয়ারা ও জাম। এ গাছগুলো লাগানোর ক্ষেত্রে রহিমা বেগম নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করবে-

১. পেয়ারা ও নারকেল গাছ বাড়ির দক্ষিণ এবং পূর্বদিকে লাগাবে। কারণ দক্ষিণ ও পূর্বদিক দিয়ে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস বাড়িতে প্রবেশ করে।
২. শিশু গাছ দক্ষিণ ও পশ্চিমদিকে রোপণ করবে। কারণ এ গাছের পাতা শীতকালে ঝরে যায় বলে সহজে শীতকালে বাড়িতে রোদ আসতে পারে। এছাড়াও এ গাছ কাল-বৈশাখী ঝড়ের কবল থেকে বাড়িঘর রক্ষা করে।
৩. জামগাছ বাড়ির উত্তর, উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তর পূর্বদিকে লাগাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
208
উত্তরঃ

বসতবাড়ির চারপাশে যেসব খালি জায়গা থাকে সেখানে যদি পরিকল্পনামাফিক পরিকল্প গাছ লাগানো যায় তবে এসব গাছ থেকে প্রাপ্ত দ্রব্যাদি পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ করে। অন্যদিকে বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে। এদিক বিবেচনায় রহিমা বেগমের লাগানো গাছগুলো থেকে প্রাপ্ত ফল তার পরিবারের সবার দৈনন্দিন ফলের চাহিদা পূরণ করবে। গাছগুলোর উচ্ছিষ্টাংশ ও শুকনো ডালপালা তার পরিবারের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করবে। গাছগুলো যখন বড় হবে তখন এগুলোর কাঠ দিয়ে সে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র তৈরি করতে পারবে। শুধু তাই নয় লাগানো এসব গাছপালার অতিরিক্ত ফলমূল, কাঠ তিনি বিক্রি করে দিতে পারবেন। এর মাধ্যমে তার বাড়তি আয় হবে। অর্থাৎ লাগানো গাছগুলো একদিকে' খরচ কমাবে অন্যদিকে আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করবে। যার ফলে তার পরিবারে সমৃদ্ধি আসবে এবং সে সচ্ছলভাবে জীবন অতিবাহিত করতে পারবেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
186
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার প্রাকৃতিক বনকে পাহাড়ি বন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
575
উত্তরঃ

বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লার সমতল এলাকায় যে প্রাকৃতিক বন রয়েছে তা সমতল ভূমির বন হিসেবে পরিচিত। এসব বনের প্রধান বৃক্ষ শালগাছ। তাই এ বনকে শালবন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
468
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews