ধর্মের বাণীকে ধারণ করে এমন গ্রন্থকে ধর্মগ্রন্থ বলে। আমার জানা কয়েকটি হিন্দুধর্মগ্রন্থের নাম নিচে লেখা হলো-
১. বেদ, ২. আরণ্যক, ৩. উপনিষদ, ৪. পুরাণ, ৫. রামায়ণ, ৬. মহাভারত, ৭. শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, ৮. শ্রীশ্রীচণ্ডী ইত্যাদি।
এগুলোর মধ্যে বেদ আমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
সাম মানে গান। যে মন্ত্র গান গাওয়া যায়, তাকেই সাম বলে। যজ্ঞ করার সময় দেবতাদের উদ্দেশে মন্ত্রগুলো, সুর দিয়ে গাওয়া হয়। সামমন্ত্রে গ্রন্থিত বেদ হচ্ছে সামবেদ। সামবেদে সর্বমোট ১৮০১টি মন্ত্র রয়েছে। সামবেদ পদ্যে রচিত।
যে বিদ্যা নিশ্চয়তার সঙ্গে গুরুর নিকটে বসে একনিষ্ঠভাবে অর্জন করা হয়, তাই উপনিষদ। উপনিষদ বেদের জ্ঞানকাণ্ড হিসেবে পরিচিত। উপনিষদের মূল আলোচ্য বিষয় হলো ব্রহ্ম। নিচে পাঁচটি উপনিষদের নাম লেখা হলো- ১. মাণ্ডুক্য, ২. ছান্দোগ্য, ৩. তৈত্তিরীয়, ৪. শ্বেতাশ্বতর ও ৫. বৃহদারণ্যক।
ব্রহ্ম সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো-
১. ব্রহ্ম নিরাকার, অনন্ত, অনাদি ও চিরসত্য।
২. তিনি আত্মারূপে সকল জীবের মধ্যে বিরাজমান।
৩. তিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মূলে অবস্থান করেন।
৪. তিনি সত্য ও চৈতন্যময়।
৫. ব্রহ্ম ছাড়া সবই অসত্য ও জড়।
ব্রহ্মা সম্পর্কে আমার ধারণা পাঁচটি বাক্য হলো-
১. ব্রহ্মা সৃষ্টির দেবতা।
২. তিনি বিষ্ণু ও শিবের সঙ্গে ত্রিমূর্তিতে বিরাজমান।
৩. তাঁর চারটি মুখ ও চারটি বাহু রয়েছে।
৪. লাল ফুল তাঁর প্রিয়।
৫. তিনি দেবতা, দানব ও মানবের গুরু।
পূজা হলো ভক্তি ও শ্রদ্ধাভরে বিভিন্ন দেব-দেবীকে আরাধনা বা উপাসনা করা। প্রথমে ফুল, তুলসীপাতা, বেলপাতা, চন্দন প্রভৃতি উপকরণ দিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হয়। এরপর জল, ফুল, মিষ্টি ইত্যাদি নৈবেদ্য সাজিয়ে তাঁদের কাছে নিবেদন করা হয়। নৈবেদ্য নিবেদনের পর ধূপ-দীপ জেলে আরতি করা হয়। সবশেষে তাদের স্তব-স্তুতি ও গুণকীর্তন করে প্রণাম করতে হয়। পবিত্র চিত্তে ও একাগ্রভাবে এই পূজা সম্পন্ন করলে দেব-দেবী সন্তুষ্ট হন।
পার্বণ হলো উৎসব। উৎসব হলো আনন্দ অনুষ্ঠন। অর্থাৎ যে উৎসবগুলো পূজা অনুষ্ঠানকে আনন্দময় করে তোলে, এমন ধরনের অনুষ্ঠানকে পার্বণ বলে। পার্বণগুলো হলো- জন্মাষ্টমী, নববর্ষ, পৌষসংক্রান্তি, চৈত্রসংক্রান্তি, নবান্ন ইত্যাদি।
সুচিতা সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো-
১. শুচিতা একটি নৈতিক গুণ এবং এটি ধর্মেরও অঙ্গ।
২. শুচিতা মানে নির্মলতা বা পরিচ্ছন্নতা।
৩. প্রার্থনা, উপাসনা যেকোনো কাজের পূর্বশর্ত হচ্ছে শুচিতা।
৪. শুচিতার মাধ্যমে শরীর ও মন পবিত্র হয়।
৫. শুচিতায় শরীর ও মন ভালো থাকে। ফলে যেকোনো কাজে মনোযোগী হওয়া যায়।
বিষ্ণুর প্রণামমন্ত্রটি সরলার্থসহ হলো-নমো ব্রহ্মণ্যদেবায় গোব্রাহ্মণহিতায় চ। জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।
সরলার্থ: ব্রহ্মণ্যদেব বিষ্ণুকে প্রণাম। গো, ব্রাহ্মণ এবং জগতের মঙ্গলকারী কৃষ্ণ ও গোবিন্দকে বারবার নমস্কার।
যোগ শব্দের অর্থ হলো যুক্ত করা। একের সঙ্গে অপরের মিলন বা তাদের একত্রিত করাকে বলা হয় যোগ। কিন্তু ধর্ম অনুশীলনের ক্ষেত্রে যোগ বলতে বোঝায় ভগবানের সাথে মনঃসংযোগ। যোগের আটটি অঙ্গ। যথা- যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান ও সমাধি।
পদ্মাসনের ধাপগুলো হলো-
কোনো সমতল স্থানে দুই পা সামনে ছড়িয়ে বসতে হয়। তারপর ডান পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে বাম জানুর উপর রাখতে হয়। আবার বাম পা ভেঙে ডান জানুর উপর রাখতে হয়। দুই পায়ের গোড়ালি তলপেটের সঙ্গে মিশে থাকবে.।. বসার জায়গার সঙ্গে দুই হাঁটুও মিশে থাকবে। হাঁটা যেন উঁচু না থাকে। সোজা হয়ে বসতে হয়। মাথা, ঘাড় ও মেরুদণ্ড সোজা থাকবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এক মিনিট বসে থাকার পর পা ছড়িয়ে দিতে হয়। এরপর বার পা পরিবর্তন করে বসতে হয়। শুরুতে এক থেকে দুই মিনিট এবং পরে একটু একটু করে সময় বাড়াতে হয়। আসন শেষে বাম পা প্রথমে তুলতে হয় এবং পরে ডান পা তুলতে হয়।
ব্রহ্মা সম্পর্কে আমার ধারণা পাঁচটি বাক্য হলো-
১. ব্রহ্মা সৃষ্টির দেবতা।
২. তিনি বিষ্ণু ও শিবের সঙ্গে ত্রিমূর্তিতে বিরাজমান।
৩. তাঁর চারটি মুখ ও চারটি বাহু রয়েছে।
৪. লাল ফুল- তাঁর প্রিয়।
৫. তিনি দেবতা, দানব ও মানবের গুরু।
পূজা হলো ভক্তি ও শ্রদ্ধাভরে বিভিন্ন দেব-দেবীকে আরাধনা বা উপাসনা করা। প্রথমে ফুল, তুলসীপাতা, বেলপাতা, চন্দন প্রভৃতি উপকরণ দিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হয়। এরপর জল, ফুল, মিষ্টি ইত্যাদি নৈবেদ্য সাজিয়ে তাঁদের কাছে নিবেদন করা হয়। নৈবেদ্য নিবেদনের পর ধূপ-দীপ জেলে আরতি করা হয়। সবশেষে তাদের স্তব-স্তুতি ও গুণকীর্তন করে প্রণাম করতে হয়। পবিত্র চিত্তে ও একাগ্রভাবে এই পূজা সম্পন্ন করলে দেব-দেবী সন্তুষ্ট হন
যোগ শব্দের অর্থ হলো যুক্ত করা। একের সঙ্গে অপরের মিলন বা তাদের একত্রিত করাকে বলা হয় যোগ। কিন্তু ধর্ম অনুশীলনের ক্ষেত্রে যোগ বলতে বোঝায় ভগবানের সাথে মনঃসংযোগ। যোগের আটটি অঙ্গ। যথা- যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান ও সমাধি।
পদ্মাসনের ধাপগুলো হলো-
কোনো সমতল স্থানে দুই পা সামনে ছড়িয়ে বসতে হয়। তারপর ডান পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে বাম জানুর উপর রাখতে হয়। আবার বাম পা ভেঙে ডান জানুর উপর রাখতে হয়। দুই পায়ের গোড়ালি তলপেটের সঙ্গে মিশে থাকবে.।. বসার জায়গার সঙ্গে দুই হাঁটুও মিশে থাকবে। হাঁটা যেন উঁচু না থাকে। সোজা হয়ে বসতে হয়। মাথা, ঘাড় ও মেরুদণ্ড সোজা থাকবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এক মিনিট বসে থাকার পর পা ছড়িয়ে দিতে হয়। এরপর আবার পা পরিবর্তন করে বসতে হয়। শুরুতে এক থেকে দুই মিনিট এবং পরে একটু একটু করে সময় বাড়াতে হয়। আসন শেষে বাম পা প্রথমে তুলতে হয় এবং পরে ডান পা তুলতে হয়।
মন্দির হলো দেবালয় বা দেব-দেবীর উপাসনালয়।
যেখানে ভক্তরা দেব-দেবীর আরাধনা ও পূজা-অর্চনা করেন।
এটি একটি পবিত্র স্থান, যেখানে গেলে দেহ ও মন পবিত্র হয় এবং মনে শান্তি আসে।
কয়েকটি মন্দিরের নাম নিচে লেখা হলো-
১. শিবমন্দির,
২. কালীমন্দির,
৩. দুর্গামন্দির,
৪. রাধা-কৃষ্ণের মন্দির ইত্যাদি।
ঢাকেশ্বরী মন্দির সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো-
১. ঢাকেশ্বরী মন্দির ঢাকায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির।
২. এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।
৩. দ্বাদশ শতকে সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
৪. এ মন্দিরে দশভুজা দেবী দুর্গার বিগ্রহ এবং পাশে বাসুদেব বিগ্রহ, শিবমূর্তি ও সন্তোষী মাতার মূর্তি রয়েছে।
৫. প্রতিবছর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা, দুর্গাপূজা, সরস্বতী পূজাসহ বিভিন্ন প্রকার পূজার আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত তীর্থক্ষেত্র হলো চন্দ্রনাথধাম বা চন্দ্রনাথমন্দির। এটি চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায় এই মন্দিরটি অবস্থিত। এখানে একটি শিবমন্দির রয়েছে। শিবের এক নাম চন্দ্রনাথ। চন্দ্রনাথমন্দিরে প্রতিদিন পূজা হয়। ফাল্গুন মাসে শিবচতুর্দশী তিথিতে বড় মেলা বসে। দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত এখানে আসেন। চন্দ্রনাথধাম একটি পবিত্র ও দর্শনীয় স্থান।
কীভাবে সকলের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা যায় সে সম্পর্কে নিচে লেখা হলো-
১. অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া- নিজের মত যেমন মূল্যবান, তেমনি অন্যের মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
২. সহনশীলতা ও উদারতা চর্চা করা- অন্যের ধর্ম, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসকে সম্মান করতে হবে।
৩. হিংসা, বিদ্বেষ ও ঘৃণা পরিহার করা- পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দের মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।
৪. মানবতাকে সর্বোচ্চ মূল্য দেওয়া ধর্ম, জাতি বা শ্রেণি নির্বিশেষে মানুষ হিসেবে সবাইকে ভালোবাসতে হবে।
৫. সহযোগিতা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা যেমন- বিপদে-আপদে, আনন্দ-বেদনায় একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।
মানুষের জীবনে ধর্মের প্রভাব পাঁচটি বাক্যে নিচে লেখা হলো-
১. ধর্ম মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে শিক্ষা দেয়।
২. ধর্ম মানুষকে শান্তি, সহানুভূতি ও ভালোবাসার মূল্যবাধ শেখায়।
৩. ধর্ম অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা গড়ে তোলে।
৪. ধর্ম মানুষকে অন্যায়, হিংসা ও ঘৃণা থেকে দূরে রাখে।
৫. ধর্ম মানুষের জীবনে নৈতিকতা, ঐক্য ও মানবতার বিকাশ ঘটায়।
খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিনটি বড়দিন হিসেবে উদযাপন করা হয়। আমাদের দেশে খ্রিষ্টধর্মের অনুসারীরা এই দিনে গির্জায় প্রার্থনা করে। একে অপরকে উপহার দেয়। সবাই মিলে আনন্দ উপভোগ ও খাওয়া-দাওয়া করে। এছাড়া তারা গুড ফ্রাইডে পালন ও ইস্টার সানডে উদযাপন করে।
সম্প্রীতি সম্পর্কে হিন্দুধর্মের তিনজন মহামানবের বাণী
হলো-
১. শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বলেছেন, "যত মত, তত পথ।”
২. স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, "বিবাদ নয়, সহায়তা; বিনাশ নয়, পরস্পরের ভাবগ্রহণ; মতবিরোধ নয়, সমন্বয় ও শান্তি।”
৩. সারদা দেবী বলেছেন, "যদি শান্তি চাও, কারও দোষ দেখো না। দোষ দেখবে নিজের। জগৎকে আপন করে নিতে শেখো। কেউ 'পর নয়, জগৎ তোমার।"
যে জ্ঞানরাশি অবগত হলে মানুষের চতুর্বর্গ (ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ) লাভ ঘটে, তাই বেদ।
বেদের ২টি প্রকারভেদ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো-
১. ঋগ্বেদ: ঋগ্বেদে দেবতাদের স্তুতি ও প্রার্থনামূলক মন্ত্র রয়েছে। এগুলো পদ্যে রচিত। এই বেদে ১০৫৫২টি মন্ত্র রয়েছে।
২. সামবেদ: সামমন্ত্রে গ্রন্থিত বেদ হচ্ছে সামবেদ। সামবেদ পদ্যে রচিত। এই বেদে ১৮০১টি মন্ত্র রয়েছে।
যে বিদ্যা নিশ্চয়তার সঙ্গে গুরুর নিকটে বসে একনিষ্ঠভাবে অর্জন করা হয় তাই উপনিষদ।
ঈশ উপনিষদের প্রথম মন্ত্রটি নিচে সরলার্থসহ লেখা হলো-
ঈশা বাস্যমিদং সর্বং যৎকিঞ্চ জগত্যাং জগৎ। তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীথা মী-গৃধঃ কস্যম্বিদ্ ধনম্।। (১/১)
সরলার্থ: এই গতিশীল বিশ্বে যা কিছু চলমান বস্তু আছে, তা ঈশ্বরের দ্বারা আচ্ছাদিত মনে করবে। ত্যাগের সঙ্গে ভোগ করবে, কারও ধনের প্রতি লোভ করবে না।
শুচিতা একটি নৈতিক গুণ ও ধর্মের অঙ্গ। শুচিতা মানে নির্মলতা ও পরিচ্ছন্নতা।
শুচিতার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ শুচিতার মাধ্যমে মন শান্ত হয়। ফলে যেকোনো কাজে একাগ্রতা ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। প্রার্থনা ও উপাসনার পূর্বশর্ত হিসেবেও শুচিতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি এটি ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও সমাজের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মন্দির হলো দেবালয় বা পবিত্র স্থান।
ভক্তরা মন্দিরে গিয়ে কী করেন নিচে সে সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো-
১. মন্দিরে অলংকার ও বাদ্যযন্ত্রে ভূষিত দেব-দেবীর মূর্তি দেখে মুগ্ধ হন।
২. ভক্তিতে মাথা নত করেন।
৩. নিজের মনের বাসনা পূরণ ও সকলের শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন।
৪. দেব-দেবীর দর্শন করেন।
৫. দেব-দেবীর পূজা-অর্চনা করেন।
তীর্থক্ষেত্র হলো দেব-দেবী, অবতার কিংবা মহাপুরুষ ও মহীয়সী নারীদের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র স্থান। যেখানে ভক্তরা পূজা-অর্চনা ও সাধন-ভজন করতে যান।
তীর্থক্ষেত্রে গেলে কী হয় সে সম্পর্কে চারটি বাক্য হলো-
১. মন পবিত্র হয় ও পুণ্যলাভ হয়।
২. নতুন নতুন জায়গা দেখা হয়।
৩. অনেক অজানা বিষয় জানা যায়।
৪. মনে কোনো হিংসা-বিদ্বেষ থাকে না।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ। তারা বছরে দুটি ঈদ উদযাপন করে। ঈদুল ফিতরা ও ঈদুল আজহা।
খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর যিশুখিষ্ট্রের জন্মদিনটি বড়দিন হিসেবে উদযাপন করা হয়। এছাড়া তারা গুড় ফ্রাইডে পালন ও ইস্টার সানডে উদযাপন করে।
এ সম্পর্কে নিচে তিনটি বাক্য লেখা হলো-
১. বাংলাদেশ বহুদিন ধরেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য পরিচিতি একটি দেশ।
২. এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী সবাই শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে।
৩. সবাই অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে।
Related Question
View Allহিন্দুধর্ম প্রাচীনতম ধর্ম।
বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!