উত্তরঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনভূমির ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। যেমন-

১.অক্সিজেন দেয়: গাছপালা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন তৈরি করে।
২.বায়ু পরিষ্কার রাখে: গাছপালা খারাপ গ্যাস যেমন কার্বন ডাইঅক্সাইড টেনে নেয় এবং পরিবেশ পরিষ্কার রাখে।

৩. বৃষ্টি আনে: বনভূমি বৃষ্টিপাত বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে: গাছপালা গরম কমায়, ঠান্ডা বাড়ায়। এতে আবহাওয়া সুন্দর থাকে।

৫.পশুপাখির আশ্রয়স্থল: বনভূমি অনেক পশুপাখির আশ্রয়স্থল-হিসেবে কাজ করে।

৬. মাটি রক্ষা করে গাছের শিকড় মাটি আঁকড়ে ধরে রাখে, যাতে ভাঙে না বা ধসে পড়ে না।

অর্থাৎ বনভূমি আমাদের পরিবেশের বন্ধু। আমরা যদি বন কেটে ফেলি, তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। তাই গাছ লাগাতে হবে এবং বনভূমি রক্ষা করতে হবে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে সুন্দর সুন্দর প্রাকৃতিক জায়গা আছে
যেমন- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবন, নীলগিরিসহ আরও অনেক স্থান। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পর্যটন স্থান সংরক্ষণে আমি. নানা কাজকর্মের মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারি। যেমন আমি কখনই পর্যটন স্থানে ময়লা ফেলব না, ডাস্টবিনে ফেলক গাছ ভাঙব না, ফুল ছিঁড়ব না। বনে বা পার্কে থাকা পশুপাখির্কে বিরক্ত করব না। যেখানে ঘুরতে যাবো সেখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকব। বন্ধুদেরও বলব যেন কেউ ময়লা না ফেলে বা কিছু নষ্ট না করে, সুন্দরভাবে কথা বলব, ভদ্রভাবে চলাফেরা করব। প্রাকৃতিক পর্যটন স্থান আমাদের দেশের গর্ব। এগুলো রক্ষা করা আমাদের সবার কাজ। আমি ছোটো হলেও সচেতনভাবে অনেক ভালো কাজ করতে পারি।

উত্তরঃ

মানবজীবনে বনাঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম। ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সুন্দরবন ও উপকূলীয় বনভূমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বনের গাছপালা বাড়িঘর ও আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়'। তাছাড়া গাছপালা থেকে ফল, মধু, ঘরের ছাউনি, জ্বালানি ও ঔষধি উপকরণ পাওয়া যায় এবং বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। ঘন ও গভীর বনে পশুপাখি, কীটপতঙ্গ নিরাপদে, নির্ভয়ে বিচরণ ও বসবাস করে। এছাড়াও গাছপালা মাটির ক্ষয়রোধ করে, পরিবেশ নির্মল রাখে। সুতরাং আমি বলতে পারি, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বনভূমির গুরুত্ব অপরিসীম।

উত্তরঃ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমির প্রয়োজন হয় মোট ভূমির ২৫ শতাংশ। কিন্তু সরকারি হিসেবে বর্তমানে দেশে মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৭ শতাংশ। তাই বৃক্ষরোপণ ওবনায়নের মাধ্যমে বনভূমির পরিমাণ বাড়াতে জনগণকে সচেতন হতে হবে। গাছ কেটে বন ধ্বংস করা বন্ধ করতে হবে। বন দখল করে শিল্প ও কৃষিকাজে ভূমির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি বনায়নে জনগণকে সচেতন হতে হবে।

উত্তরঃ

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। কেননা প্রাকৃতিক পর্যটন স্থান প্রকৃতি হতে সৃষ্টি। এগুলোর নয়নাভিরাম সৌন্দর্য মানুষকে পুলকিত করে। কিন্তু আমাদের দেশের প্রাকৃতিক পর্যটন স্থানে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ করে সৌন্দর্য নষ্ট করা হচ্ছে। বেড়াতে আসা পর্যটকরাও যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে দূষণ করে। এজন্য জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আমরা একটিতেই এ শিল্পে পিছিয়ে আছি। তাই এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনার পাশাপাশি বন ও প্রাকৃতিক পর্যটন স্থানগুলোর

3

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews