বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 4 days ago
উত্তরঃ

যেকোনো দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা
যায় শিক্ষার মাধ্যমে। জনসংখ্যাকে দক্ষ করতে হলে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রদান করতে হবে। যেমন- সাধারণ শিক্ষা, প্রকৌশল শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা, স্বাস্থ্য শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা। এই শিক্ষাগুলো গ্রহণ করে মানুষ বিশেষ দক্ষতা অর্জন করে। যেমন প্রকৌশল শিক্ষা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যায়, কারিগরি শিক্ষা নিয়ে টেকনিশিয়ান বা নার্স হওয়া যায়। আবার সাধারণ শিক্ষা নিয়ে শিক্ষক বা অফিসের কর্মচারী হওয়া যায়। জনসংখ্যা যখন এভাবে দক্ষ হয়ে জনসম্পদে পরিণত হয়, তখন দেশে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে তাদের পরিবারের আর্থিক চাহিদা পূরণ করে। এই দক্ষ জনশক্তি শুধু দেশের ভেতরেই নয়, বিদেশেও কাজ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে। এর ফলে দেশের বেকারত্ব দূর হয় এবং মাথাপিছু আয় বেড়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
এভাবে সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা বাড়িয়ে আমরা দেশের সাধারণ জনগণকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দক্ষ 'জনশক্তি বা জনসম্পদ তৈরি হয়। এই জনসম্পদ দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

১. সাধারণ ও দাপ্তরিক জনসম্পদ: সাধারণ শিক্ষা গ্রহণ করে অনেক মানুষ শিক্ষক হন। তারা অফিস-আদালতের কর্মচারী বা অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত হন।
২. কারিগরি জনসম্পদ: কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে অনেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, মেডিকেল টেকনিশিয়ান বা নার্স হন। এই ধরনের জনসম্পদ সরাসরি সেবামূলক কাজ করেন।
৩. প্রকৌশল ও স্বাস্থ্য জনসম্পদ: প্রকৌশল শিক্ষা নিয়ে মানুষ ইঞ্জিনিয়ার হন। এছাড়াও স্বাস্থ্য শিক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার এবং কৃষি শিক্ষার মাধ্যমে কৃষিবিদ তৈরি হয়।
৪. বৃত্তিমূলক জনসম্পদ: বৃত্তিমূলক শিক্ষা গ্রহণ করে কিছু মানুষ বিশেষ কাজে দক্ষতা অর্জন করেন। যেমন- ইলেকট্রিশিয়ান, দর্জি, রেস্তোরাঁ কর্মী, পশু পালন, মৎস্য চাষি এবং কম্পিউটার মেরামতের মতো পেশার জন্য জনসম্পদ তৈরি হয়।
এই বিভিন্ন ধরনের জনসম্পদ দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কলকারখানায় প্রচুর দক্ষ জনবলের প্রয়োজন।
একটি দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে গড়ে তুললে যে ধরনের সুফল পাওয়া যায়. তা হলো-
১. তারা আরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।
২. তারা বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত হওয়ার সুযোগ পাবে।
৩. দেশের বেকারত্ব কমে যাবে।
৪. পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব হবে।
৫. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নও সাধিত হবে।

উত্তরঃ

একটি দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলো সেই দেশের দক্ষ জনশক্তি বা জনসম্পদ। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য প্রধানত সঠিক শিক্ষা ও সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়।
জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রদান করতে হয়। যেমন-উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে প্রকৌশল শিক্ষা গ্রহণ করে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যায়, এবং উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার ও কৃষিবিদ তৈরি করা যায়। আবার, কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে টেকনিশিয়ান বা নার্স হওয়া যায়। এছাড়া, বৃত্তিমূলক শিক্ষা নিয়ে অনেকে ইলেকট্রিশিয়ান, দর্জি বা কম্পিউটার মেরামতের মতো বিশেষ দক্ষতা অর্জন করে। যখন মানুষ এভাবে দক্ষ হয়ে জনসম্পদে পরিণত হয়, তখন দেশে। তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে দেশে বেকারত্ব দূর হয় এবং মাথাপিছু আয় বেড়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত হয়।..

উত্তরঃ

বাংলাদেশে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন পেশার দক্ষ জনসম্পদ তৈরি হয়। এই জনসম্পদ দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ শিক্ষা গ্রহণ করে অনেক মানুষ শিক্ষক বা অফিস-আদালতের কর্মচারী হন। অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা নিয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, মেডিকেল টেকনিশিয়ান ও নার্স তৈরি হয়, যা সেবামূলক খাতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে প্রকৌশল ও স্বাস্থ্য শিক্ষা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার ও ডাক্তাররা দেশের অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও, বৃত্তিমূলক শিক্ষা নিয়ে ইলেকট্রিশিয়ান, দর্জি, হোটেলকর্মী, পশুপালন ও কম্পিউটার মেরামতের মতো পেশায় দক্ষ জনসম্পদ তৈরি হয়, যা গ্রামীণ অর্থনীতি থেকে শুরু করে শিল্পক্ষেত্র পর্যন্ত সব জায়গায় কাজ করে।

উত্তরঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসা দেশের জন্য একটি খুবই ভালো সংকেত। এর ফলে দেশের ওপর চাপ কমে যায় এবং নানা সুবিধা আসে।
জনসংখ্যা কম হারে বাড়লে দেশে বেকার লোকের সংখ্যা কম হয়, কারণ কম মানুষের জন্য কাজ যোগানো সহজ হয়। এর ফলে মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে যায়। এছাড়াও, দেশের মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান এবং নিরাপত্তার মতো মৌলিক প্রয়োজনগুল্যে পূরণ করা সহজ হয়। কম মানুষের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানও উন্নত করা সহজ হয়, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত করে।

উত্তরঃ

পোশাক তৈরির কারখানার মতো যেকোনো কাজের জন্য প্রয়োজনীয় জনসম্পদকে সুনির্দিষ্টভাবে দক্ষ হতে হয়। কারখানার কাজ চালানোর জন্য বিভিন্ন স্তরের লোক দরকার হয়।
পোশাক তৈরি কারখানার জন্য দক্ষ শ্রমিক প্রয়োজন, যারা নকশা অনুযায়ী কাপড় কাটেন ও সেলাই করেন। এছাড়াও, কারখানার যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবল দরকার। কাপড় বিক্রি ও রপ্তানি করার জন্য ম্যানেজার ও যোগাযোগের লোক প্রয়োজন হয়। এই সকল দক্ষ জনবল মিলে পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখে। এইভাবে, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের মাধ্যমেই কারখানাগুলো সফলভাবে পরিচালিত হয়।

3

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews