মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হওয়ার পিছনে তার কিছু মানবিক গুণ কাজ করে। জয় ও রাতুলের গল্পের আলোকে এমন পাঁচটি গুণ হলো-
১. সততা ও সত্যবাদিতা: সর্বদা সত্য কথা বলা এবং কাজে স্বচ্ছ থাকা।
২. সহমর্মিতা: অন্যের দুঃখকে নিজের মনে করে পাশে দাঁড়ানো।
৩. উদারতা: সংকীর্ণতা পরিহার করে বড়ো মনের পরিচয় দেওয়া।
৪. পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ: ছোটো-বড়ো সবাইকে সম্মান করা।
৫. সদাচার ও পরোপকারিতা: মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা ও সাহায্য করা।
অশোকের ঝাপসা দেখার বিষয়টি জানার পর জয় অত্যন্ত সচেতনতার সাথে নিচের কাজগুলো করে-
১. প্রথমে সে বিষয়টি তাদের শ্রেণি শিক্ষককে জানায়।
২. শিক্ষকের অনুরোধে অশোককে সামনের বেঞ্চে বসার ব্যবস্থা করে দেয়।
৩. এরপর সে প্রধান শিক্ষকের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে।
৪. অশোকের চশমার প্রয়োজনীয়তার কথা প্রধান শিক্ষককে বুঝিয়ে বলে।
৫. শেষ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে সে অশোকের চশমার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।
উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে, প্রকৃত সুখ কেবল নিজের উন্নতিতে নয় বরং সবাইকে নিয়ে শান্তিতে থাকার মধ্যে। জয় কেবল নিজের পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকত না। সে অসুস্থ ঠাকুরমার সেবা করেছে, পথে বৃদ্ধাকে সাহায্য করেছে এবং বন্ধুর চোখের সমস্যায় এগিয়ে এসেছে। জয় বিশ্বাস করত যে, সমাজের সবাই যখন বিপদমুক্ত থাকে, তখনই প্রকৃত আনন্দ পাওয়া যায়। তাই সে অন্যের বিপদে সবসময় আগে ঝাঁপিয়ে পড়ত।
কবিতায় বলা হয়েছে যে, মানুষ কেবল নিজের জন্য পৃথিবীতে আসেনি, বরং একে অপরের সাহায্যের জন্য এসেছে। জয়ের প্রতিটি কাজই ছিল 'পরের তরে' বা অন্যের মঙ্গলের জন্য। সে ঠাকুরমার সেবা করা, বৃদ্ধার ব্যাগ বহন করা বা বন্ধুর চশমার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে সে কেবল নিজের কথা ভাবে না। জগতের সকল মানুষ যে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল, জয় তার কাজের মাধ্যমে সেই সত্যটিই ফুটিয়ে তুলেছে।
Related Question
View Allমানুষের কতকগুলো নৈতিক ও মানবিক গুণ রয়েছে।
অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট মনে করে সহায়তা করাই হলো সহমর্মিতা l
একা ভালো থাকা ভালো থাকা নয়।
মানুষের দুঃখকষ্টে সমব্যথী হওয়াই সহমর্মিতা।
১. মানুষের কতকগুলো নৈতিক ও মানবিক গুণ রয়েছে।
২. সহমর্মিতা, সত্যবাদিতা নৈতিক গুণ।
৩. সুখে-দুঃখে সহানুভূতিশীল আচরণই সহমর্মিতা।
৪. সহমর্মিতা মানুষকে মহান করে।
৫. মানুষের বিপদে পাশে থাকব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!