বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

Updated: 3 weeks ago
উত্তরঃ

মানুষ সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে। শুধু মানুষ নয়; সকল সৃষ্টি মহান স্রষ্টার প্রশংসা ও আরাধনা করে থাকে। প্রার্থনার মাধ্যমে আমরা মহান স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অনুগ্রহ এবং পরিচালনা লাভ করতে পারি। তাই প্রার্থনায় নিচের বিষয়গুলো থাকতে পারে- ১. ঈশ্বরের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন; ২. ঈশ্বরের আরাধনা; ৩. অনুনয় ও বিনয়; ৪. অনুতাপ ও. অনুশোচনা; ৫. ভুল স্বীকার করা এবং পবিত্র হয়ে চলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ভাববাদীগণ বস্তুজগতের সবকিছু পরমাত্মা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়, অর্থাৎ বস্তুজগতের সৃস্টি ও ধ্বংসসহ সকল প্রকার পরিবর্তন ঐশ্বরিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়- এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে একক ও অদ্বিতীয় স্রস্টার প্রার্থনা করতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

যীশু সবসময় প্রার্থনা করতেন। তাঁর শিষ্যদেরও তিনি সেই শিক্ষা দিতেন। তিনি উপাসনাসহ নানা বিষয়ে শিষ্যদের উপদেশ দিতেন। যেমন- ১. ধর্ম-কর্ম করা; ২. দান করা; ৩. সরল পথে চলা; ৪. প্রার্থনা করা; ৫. লোক দেখানো প্রার্থনা না করা; ৬. নীরবে এবং অন্তর থেকে প্রার্থনা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর সবকিছু দেখতে পান এবং পুরষ্কৃত করেন। তাই নীরবে এবং অন্তর থেকে আমাদের প্রার্থনা করা উচিত। অন্তর থেকে প্রার্থনা করলে ঈশ্বর প্রার্থনার উত্তর দেন। তাই আমাদের জীবনের সকল অবস্থায় প্রার্থনা করা উচিত। যেমন- ১. যেকোনো ভালো কাজ করার আগে; ২. ঘুম থেকে জেগে উঠে; ৩. ঘুমানোর পূর্বে এবং গভীর রাতে; ৪. গেৎসিমানী বাগানে ওমরুভূমিতে; ৫. একাকি নির্জনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

যীশুর শিক্ষায় অনেকগুলো মূল্যবোধ লক্ষ করা যায়। এসব মূল্যবোধ জীবনে অনুশীলন করার জন্য যীশু আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।
আমরা নিম্নোক্তভাবে যীশুর মূল্যবোধগুলো চর্চা করতে পারি:
১. প্রভু ঈশ্বর সর্বশক্তিমান ও অদ্বিতীয়- এই বিশ্বাস ধারন করা।
২. সবসময় ঈশ্বরের দয়ার প্রতি আশাবাদী থাকা।
২৩. মানুষ ও সকল সৃষ্টি জীবকে ভালোবাসা।
৪. ক্ষমা, দয়া এবং সেবার মানসিকতা রাখা।
৫. সাধ্য অনুযায়ী অন্যের উপকার করা।
৬. মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং সহানুভূতি দেখানো।
৭.বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা।
৮. সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য কাজ করা।
৯. সততা ও ন্যায্যতার সাথে জীবনকে পরিচালিত করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

যীশু সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে ভালোবেসেছেন। তাদের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাদের শ্রঞ্চা, করেছেন ও তাদের সাথে মিশেছেন। এতে যীশুর সমাজ পরিবর্তনের কাজটি অনেক সহজ হয়েছে। তিনি সমাজ পরিবর্তনে যেসব কাজ করেছেন, সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. যীশু সমাজের উন্নয়নের জন্য সকল শ্রেণির মানুষকে কর দিতে বলেছেন।
২. যীশু বলেছেন, 'যা কৈসরের প্রাপ্য, তা কৈসরকে দাও, আর ঈশ্বরের যা প্রাপ্য, তা ঈশ্বরকে দাও।'
৩. যীশু রাজ্যের সম্রাট ও বড়দের সম্মান করতে শিক্ষা দিয়েছেন।

৪. তিনি নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।
৫. যীশু দাসপ্রথা বিলোপ করেছেন।
৬. যীশু মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন।

মূলত এসব কাজের মাধ্যমেই যীশু সমাজকে পরিবর্তন করতে পেরেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

সমাজ বাস্তবতায় খ্রীষ্টীয় মূল্যবোধের আলোকে আমরা সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি। এক্ষেত্রে আমাদেরকেনিম্নোক্ত কাজগুলো করতে হবে:
১. প্রভু ঈশ্বরের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রেখে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে ভালোবাসা।
২. মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।
৩. অসুস্থ ব্যক্তির-নিরাময়ের ব্যবস্থা করা।
৪. মানুষের পাপকে ক্ষমা করে দেওয়া।
৫. বিজাতীয় মানুষকে শ্রদ্ধা ও সম্মান দেওয়া।
৬. পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা এবং তাদের সেবা-যত্ন করা।
এসব কাজ সুন্দরভাবে করার মাধ্যমে আমরা খ্রীষ্টীয় মূল্যবোধের আলোকে সমাজকে গড়ে তুলতে পারব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে আমাদের মন শান্ত ও সন্তুষ্ট থাকে। এজন্য সমাজের সকল মানুষের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান অতীব প্রয়োজন। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য আমরা যা যা করতে পারি, নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো:
১. পরিবার কৃষ্টি, ভাষা, জাতি, প্রতিবেশী ও দেশ মিলে পরস্পরের প্রতি গ্রহণযোগ্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা।
২. জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সম্প্রীতি ও সমঝোতা বজায় রাখা।
৩. মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রাখা।
৪. যীশুর বাণী অনুযায়ী প্রতিবেশীকে নিজের মতো প্রেম করা।
৫. শান্তির জন্য একে অন্যের প্রতি সহনশীলতা, ধৈর্য, মিল, ঐক্য ও সমন্বয় রাখা।
মূলত এসব কাজ অনুসরণের মাধ্যমেই আমরা সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান' কথাটির অর্থ গভীর ও ব্যাপক। ভেদাভেদ ভুলে সকলে একসাথে মিলেমিশে আনন্দের সাথে থাকা, ভয় থেকে মুক্তিলাভ ও মানুষের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্প্রীতি স্থাপন করাই হলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। একত্রে বা ঐক্যে বসবাস করলেই শান্তি প্রতিষ্ঠা হয় না, কিন্তু শান্তিপূর্ণ চিন্তা-ভাবনায় বাস্তব জীবনযাপন করতে হবে। শান্তিপূর্ণ আচরণের কারণে মনের মধ্যে শান্তি লাভ করি। মনের শান্তি, পারিবারিক শান্তি ও সামাজিক শান্তি ছাড়া সহাবস্থান সম্ভব নয়। পারিবারিক শান্তি, খ্রীষ্টমন্ডলী ও সমাজে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই পারিবারিক শান্তি একান্তভাবে প্রয়োজন। যেখানে সহযোগিতা ও ত্যাগ স্বীকার থাকে সেখানে একত্রে বাস করা সহজ হয়। মানুষের মন যখন শান্ত ও সন্তুষ্ট থাকে তখন শান্তিতে সহাবস্থান সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

খ্রীষ্টধর্মে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ে পবিত্র বাইবেলে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে।
পবিত্র বাইবেলে সহাবস্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে, "যারা তোমাদের অত্যাচার করে তাদের অমঙ্গল চেয়ো না, বরং মঙ্গল চেয়ো"। (রোমীয় ১২: ১৪)। "মন্দের বদলে কারো মন্দ কোরো না। সমস্ত লোকের চোখে যা ভালো সেই বিষয়ে মনোযোগ দাও। তোমাদের দিক থেকে যতদূর সম্ভব সমস্ত লোকের সঙ্গে শান্তিতে বাস করো" (রোমীয় ১২: ১৭-১৮)। "... তোমাদের সঙ্গে যে কেউ খারাপ ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে কিছুই কোরো না; বরং যে কেউ তোমার ডান গালে চড় মারে তাকে অন্য গালেও চড় মারতে দিয়ো।" (মথি ৫: ৩৯)। "সেইজন্য ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে বেদীর উপরে তোমার যজ্ঞ নিবেদন করার সময় যদি মনে পড়ে যে, তোমার বিরুদ্ধে তোমার ভাইয়ের কিছু বলবার আছে, তবে তোমার দান সেই বেদীর সামনে রেখে আবার মিলিত হও এবং পরে এসে তোমার যজ্ঞ নিবেদন করো। (মথি ৫: ২৩-২৪)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

আমরা বাংলাদেশে প্রধান চারটি ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করছি। সকল ধর্মেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য গুরুত্বারোপ করা হয়েছে আমরা চারটি ধর্মের সম্প্রীতিপূর্ণ শান্তির বাণী মেনে নিয়ে শ্রদ্ধাশীল হতে পারি। যেমন-
১.. খ্রীস্টধর্মের পবিত্র বাইবেলে নির্দেশিত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বাণীগুলো মেনে চলার চেষ্টা করা।
২. ইসলাম ধর্মের পবিত্র কোরআনে নির্দেশিত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বাণীগুলো মেনে চলার চেষ্টা করা।
৩. হিন্দুধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ভগবদগীতার নির্দেশিত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বাণীগুলো মেনে চলার চেষ্টা করা।
৪. বৌদ্ধধর্মের সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা যায়। এভাবে এই চারটি ধর্মের মৌলিক বিষয় জেনে আমরা একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্ম আছে। সকল ধর্মই শান্তি ও ঐক্যের কথা বলে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সবার আগে আমাদের মধ্যে ধর্মীয় ঐক্য প্রয়োজন। নিচে এ বিষয়ে আমাদের করণীয় তুলে
ধরা হলো:

১. সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ঐক্য তৈরি।
২. ঐক্য তৈরির জন্য মনকে উদার করা।
৩. সকল প্রকার সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে থাকা।
৪. ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করা।
৫. একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা রাখা।
৬. অন্যের মতামত গ্রহণ করার মনোভাব রাখা।
৭. ধৈর্য ও সহনশীল হওয়া।
সমাজের প্রত্যেক ধর্ম-বর্ণের মানুষ এসব করণীয় মেনে চললে সারাবিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্ম আছে। সব ধর্মই শান্তি ও ঐক্যের
কথা বলে। ঐক্য হলো মিল ও একতা। ঐক্য বিভিন্ন দিক থেকে হতে পারে। যেমন: মন, চিন্তা, সম্প্রীতি, ধর্মীয় ও বিশ্বাসের ঐক্য ইত্যাদি। ধর্মীয় ঐক্য স্থাপনের দ্বারা বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসী লোকদের মধ্যে সম্প্রীতি, শান্তি ও প্রগতি বৃদ্ধি পায়। ঐক্য সম্প্রীতিতে চলতে সাহায্য করে। অন্য ধর্মবিশ্বাসীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বেড়ে যায়। একে অপরের ধর্মীয় রীতি-নীতি ও প্রথার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে। এতে অন্যের মতামত প্রাধান্য পায়। মানুষ নির্ভয়ে বসবাস করে। ধর্মীয় ঐক্য স্থাপনের মধ্য দিয়ে আমরা একে অন্যের বন্ধু হয়ে উঠি। ধর্মীয় উৎসবগুলো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মানুষের মানসিক ও আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। ধর্মীয় ঐক্যের মাধ্যমে সহিংসতা লোপ পায়।
পরস্পরের মধ্যে বিবাদ কমে যায়। যেখানে ধর্মীয় ঐক্য থাকে সেখানে রক্তপাত থাকে না ও যুদ্ধবিগ্রহ দেখা যায় না। যেখানে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত থাকে সেখানে উন্নয়ন ব্যাহত হয়। অশান্তি বৃদ্ধি পায় এবং সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। তাই শান্তি স্থাপনে ধর্মীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

প্রভু যীশুখ্রীষ্ট নিজেই শান্তিরাজ। তিনি শাস্তি দিতে এ পৃথিবীতে এসেছিলেন। পবিত্র বাইবেলে যিশাইয় ভাববাদী যীশুখ্রীষ্ট সম্পর্কে বলেছেন, "কারণ আমাদের জন্য এক শিশুর জন্ম হয়েছে, আমাদের কাছে এক পুত্রসন্তান দেওয়া হয়েছে, শাসনভার তাঁরই কাঁধে দেওয়া হবে। আর তাঁকে বলা হবে আশ্চর্য পরামর্শদাতা, পরাক্রমী ঈশ্বর, চিরন্তন পিতা, শান্তিরাজ।"

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শান্তি প্রতিষ্ঠায় খ্রীস্টমণ্ডলীর কাজে আমরা নিজেদের জায়গা থেকে নানাভাবে সহায়তা করতে পারি। বর্তমানে বিশ্বশান্তির জন্য বাংলাদেশে খ্রীষ্টমণ্ডলী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। এছাড়াও অনেকগুলো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন কেয়ার, কারিতাস, সিসিডিবি, ওয়ার্ল্ড ভিশন, কম্প্যাশন কাজ করছে। খ্রীস্টমণ্ডলী এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মিশনারীগণও শান্তির জন্য বিভিন্নভাবে কাজ করছেন। এক্ষেত্রে আমরা নিজ নিজ জায়গা, পরিবার ও বিদ্যালয়ে শান্তির জন্য কাজ করতে পারি। আর এভাবেই শান্তি প্রতিষ্ঠায় খ্রীস্টমণ্ডলীর কাজে আমরা সহায়তা করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

যীশু শত্রুকে ক্ষমা করতে শিক্ষা দিয়েছেন।
মঙ্গল সমাচারে যীশুর জীবন ধ্যান করলে দেখতে পাই, যীশু সকল মানুষকে ভালোবাসতেন এবং সেবা করতেন। তিনি মানুষকে ক্ষমা এবং অসুস্থকে নিরাময় করতেন। তিনি ন্যায্যতার পক্ষে কাজ করতেন। তাঁর আরও কতকগুলো বিশেষ গুণ হলো পরোপকার, শ্রদ্ধা, সহানুভূতি, শান্তি, সম্প্রীতি ও সততা। ঈশ্বরের প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাস ছিল। তিনি গভীর বিশ্বাস নিয়ে পিতার কাছে প্রার্থনা করতেন। এই গুণগুলো যীশু স্বেচ্ছায় ও স্বাধীনভাবে বেছে নিয়ে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতেন। তাই বলতে পারি, ভালোবাসা, সেবা, ক্ষমা, পরোপকার, ন্যায্যতা, ঈশ্বরে বিশ্বাস ও প্রার্থনা যীশুখ্রীষ্টের জীবনের প্রধান মূল্যবোধ। এসব মূল্যবোধ যীশু নিজ জীবনে ধারণ করেছেন। তার জন্য তিনি চরম মূল্য দিয়েছেন ক্রুশে মৃত্যুবরণ করে। তাই আমরা খ্রীষ্টীয় মূল্যবোধগুলো নিজ জীবনে ও সমাজজীবনে চর্চা করতে সচেষ্ট হব

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
13

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews