পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ মানে হলো অন্যের সাথে মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা এবং তাঁদের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা। এটি প্রতিটি সম্পর্কের মূলভিত্তি।
সামাজিক জীবনে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি অপরিহার্য গুণ। এর গুরুত্ব নিচে তুলে ধরা হলো-
১. এটি সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
২. একে অপরকে শ্রদ্ধা করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় না।
৩.. পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ফলে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়।
৪. এটি একটি সুন্দর ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণের প্রধান শর্ত।
মহামুনি বিশ্বামিত্র যখন অযোধ্যার রাজদরবারে এলেন, তখন রাজা দশরথ তাকে অত্যন্ত আনন্দের সাথে স্বাগত জানান। তিনি মুনির আগমনে অমৃত লাভের মতো আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তার কুশল সংবাদ নেন। রাজা দশরথ বিনয়ের সাথে মুনির প্রয়োজন জানতে চান এবং তা পূরণের অঙ্গীকার করেন। শেষ পর্যন্ত বিশ্বামিত্রের যজ্ঞ রক্ষায় তিনি তার প্রিয় পুত্র রাম ও লক্ষ্মণকে তার সাথে পাঠিয়ে গভীর শ্রদ্ধাবোধের পরিচয় দেন।
বিশ্বামিত্র মুনি একটি মহৎ যজ্ঞ শুরু করেছিলেন, কিন্তু মারীচ ও সুবাহু নামে দুই শক্তিশালী রাক্ষস নানাপ্রকারে সেখানে বাধা সৃষ্টি করছিল। তারা যজ্ঞবেদির উপর রক্ত ও মাংস ফেলে পবিত্রতা নষ্ট করছিল। যজ্ঞ চলাকালীন অভিশাপ দেওয়া নিয়মবিরুদ্ধ হওয়ায় মুনি নিজে ক্রোধ প্রকাশ করতে পারছিলেন না। তাই রাক্ষসদের বিনাশ করে যুজ্ঞ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য তিনি রাজা দশরথের সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন। কেননা তিনি জানতেন একমাত্র মহাবীর রামই তাদের বিনাশ করতে পারবে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allএকসঙ্গে থাকতে হলে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হয়।
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ মানে অন্যের সাথে মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা।
জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন।
আমরা নৈতিক গুণে সমৃদ্ধ হব।
বিশ্বামিত্র নির্বিঘ্নে যজ্ঞ সম্পন্ন করলেন।
১. মানুষ সমাজবদ্ধ জীব।
২. বেঁচে থাকার জন্য অন্যের সহযোগিতা প্রয়োজন।
৩. একসঙ্গে থাকতে হলে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হয়।
৪. খাদ্যশস্যের জন্য কৃষকের সাহায্য নিতে হয়।
৫. নিরাপত্তার জন্য পুলিশের সাহায্য নিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!