বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

Updated: 3 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর সারা জগৎ সৃষ্টি করলেন। আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন। এক সময় পৃথিবী ছিল শূন্য ও অন্ধকার। ঈশ্বর বললেন, আলো হোক। সঙ্গে সঙ্গে আলো হলো। ঈশ্বর অন্ধকার থেকে আলো ভিন্ন করে দিলেন। আলোর নাম রাখলেন 'দিন' এবং অন্ধকারের নাম 'রাত্রি'। ঈশ্বর দিনের জন্য সূর্য তৈরি করলেন এবং রাতের জন্য চাঁদ ও তারা। তিনি সূর্য, চাঁদ ও তারা আকাশের বুকে বসালেন, যেন পৃথিবী আলোকিত হয়।
তারপর ঈশ্বর বললেন, সমস্ত জল এক জায়গায় আসুক ও ভূমি জেগে উঠুক। তখন স্থলভাগ উঠলো এবং সাগরের সৃষ্টি হলো।
তারপর ঈশ্বর বললেন, মাটি থেকে ঘাস ও ফলের গাছ উৎপন্ন হোক। তখনই মাটিতে ঘাস ও সবরকমের গাছ জন্মাল। তখন ঈশ্বর চেয়ে দেখলেন, তাঁর সমস্ত কাজ চমৎকার। (আদিপুস্তক-১: ১-১২)
ঈশ্বর তাঁর মুখের কথায় সবকিছু সৃষ্টি করলেন। দিন, রাত, সূর্য, চাঁদ, গ্রহ-তারা, আকাশ, বাতাস, গাছপালা ও পানি সবই মানুষের জীবনযাপনে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এদের ওপর মানুষের জীবন নির্ভরশীল। এই সুন্দর সৃষ্টির জন্য আমরা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

আমরা সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে এই সুন্দর জগৎ সৃষ্টির প্রতিটি উপাদানের যত্ন নিবো। ঈশ্বর আমাদের জন্য তাঁর মুখের কথায় দিন, রাত, সূর্য, চাঁদ, গ্রহ-তারা, আকাশ, বাতাস, গাছপালা, পানি প্রভৃতি সৃষ্টি করে দিয়েছেন। এসব আমাদের উপকারের জন্যই সৃষ্টি করেছেন তিনি। তাই প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি যত্নশীল হওয়া আমাদের অবশ্য কর্তব্য। আমরা নিম্নোক্তভাবে এই সুন্দর জগৎ সৃষ্টির প্রতিটি উপাদানের যত্ন নিতে পারি-
১. ঈশ্বর আমাদেরকে দিনের আলো দিয়েছেন কাজ করার জন্য এবং রাতের অন্ধকার দিয়েছেন ঘুমিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। আমরা এই আলো ও অন্ধকারের সঠিক ব্যবহার করব।
২. গাছপালা থেকে বাতাসের মাধ্যমে আমরা বাঁচার অক্সিজেন পাই। তাই আমরা বাতাস দূষণ করব না এবং অকারণে গাছপালা কাটব না।
৩. বেশি করে গাছপালা লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করব।
৪. পানির অপর নাম জীবন। তাই আমাদের কোনো কার্যক্রম দ্বারা যেন পানি দূষিত না হয় সেদিকে খুব খেয়াল রাখব। সেই সাথে পানি অপচয় করা থেকেও বিরত থাকব।
সেই সাথে 'এসব সুন্দর আর উপকারী সৃষ্টির জন্য আমরা সবসময় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

জীবজগতের প্রতি আমাদের উত্তম ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করতে হবে। কেননা প্রভু ঈশ্বর আমাদের জন্যই পৃথিবী জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করে দিয়েছেন। তারা মানুষের জীবনের একটা বড় অংশ। মানুষের জীবন জীবের উপর নির্ভরশীল। জীবজগৎ থেকে মানুষ তার খাদ্য পেয়ে থাকে। তারা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। জীবজগৎ ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভ করেছে। আবার মানুষও জীবজগতের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের আশীর্বাদ পেয়েছে। এসব কারণে জীবজগতের প্রতি আমাদের সবসময় উত্তম আচরণ করা উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

প্রভু ঈশ্বর মানুষের, প্রয়োজন এবং উপকারের জন্য জগতের সকল পশুপাখি ও জীবজন্তু তৈরি করেছেন। আর এজন্যই বলা হয়েছে, "মানুষের জন্য পশুপাখি ও জীবজন্তু আশীর্বাদস্বরূপ।"

পশুপাখি ও জীবজন্তু আশীর্বাদরূপে মানুষের জীবন যেসব কাজে লাগে, নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো:

১. পশুপাখি ও জীবজন্তু সৃষ্টিজগতের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। এতে মানুষের জীবনযাপন শৃঙ্খল ও সুন্দর হয়।
২. পশুপাখি ও জীবজন্তু প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। এতে মানুষ উপকৃত হয়।
৩. পশুপাখি ও জীবজন্তুর মাংস খেয়ে মানুষ জীবনধারণ করে।. এতে মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব হয়।
৪. পশুপাখি ও জীবজন্তু দিয়ে মানুষ হালচাষ এবং বাহনের কাজ করে। এতে মানুষের উপার্জন বাড়ে।
৫. পশুপাখি ও জীবজন্তু প্রকৃতিকে সুন্দর রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে মানুষ আনন্দ ও প্রশান্তি লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মানুষের জন্য সমগ্র সৃষ্ট জগৎ এবং এর ভেতরে মানুষের জীবনধারণের-জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সৃষ্টি পাঠিয়েছেন। এসব সৃষ্টির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- আদম এবং হবা (নারী)। আর এই মানুষের জন্যই তিনি সৃষ্টি করেছেন চাঁদ, সূর্য, গ্রহ-তারা, আকাশ, বাতাস, গাছপালা, পানি, আগুন, ভূগর্ভস্থ সম্পদ ইত্যাদি। ঈশ্বর এসব সৃষ্টি মানুষকে উদ্দেশ্য করে পাঠিয়েছেন। এজন্য মানুষকে সৃষ্টি 'জীবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলা হয়। মানুষকে সকল কিছুর ওপর কর্তৃত্ব করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের জন্য সৃষ্টিজগতের সবকিছু তৈরি করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের সৃষ্টির কাজ দেখে ঈশ্বর যে আমাদের স্রষ্টা ও পালনকর্তা সে বিষয়ে আমার দৃঢ় ধারণা তৈরি হয়েছে। প্রভু ঈশ্বর এক এক করে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। সব সৃষ্টি শেষ করার পর ঈশ্বর দেখলেন, সবই অতি উত্তম হয়েছে। তিনি উপলব্ধি করলেন এই সৃষ্টির যত্ন ও রক্ষা করার জন্য কাউকে দরকার। তখন তিনি মানুষ সৃষ্টি করার কথা ভাবলেন। তিনি নর ও নারী উভয়কে সৃষ্টি করলেন। ঈশ্বরের সর্বোত্তম সৃষ্টি হলো মানুষ। তিনি মানুষ সৃষ্টি করে মানুষকে দায়িত্ব দিলেন বিশ্বসৃষ্টির যত্ন নিতে। প্রভু ঈশ্বরের এরূপ সৃষ্টির কাজ দেখে আমি অত্যন্ত অভিভূত হয়েছি এবং ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর এই সুন্দর পৃথিবী আমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন। আমরা যেন ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারি। তিনি আমাদের জন্য আলো দিয়েছেন যেন সবকিছু পরিষ্কারভাবে দেখতে পাই। রাত সৃষ্টি করেছেন মানুষ ও সমগ্র সৃষ্টি যেন বিশ্রাম করতে পারে। প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেবার জন্য বাতাস দিয়েছেন। বায়ু সেবন ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি ন'। চারিদিকে নানারকম গাছপালা দেখতে পাচ্ছি, যেগুলো থেকে আমরা আমাদের খাবার পেয়ে থাকি। ভাবতেও অবাক লাগে এসব 'গাছের ফল কত সুস্বাদু! ভূমির ফসল থেকে আমরা আমাদের প্রতিদিনের খাবার যোগাড় করে থাকি। পশু-পাখি, নদী-সমুদ্রের মাছ আমাদের খাদ্য। আমরা যে কাপড়-চোপড় পরে আছি সেগুলোও এসেছে প্রকৃতি থেকে। পাহাড়, পর্বত, নদী-নালা সবকিছুই মানুষের উপকারে আসে। এককথায় বলা যায়, প্রকৃতির দান ও দয়ায় আমরা বেঁচে আছি। প্রকৃতি ছাড়া আমাদের জীবন অচল। মূলত এভাবেই ঈশ্বরের জীবজগৎ ও প্রকৃতি আমাদেরকে নানানভাবে উপকার করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

জীবজগৎ ও পরিবেশ মানুষের লোভ ও স্বার্থের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে নানাভাবে ধ্বংস হচ্ছে। নিচে এর কারণগুলো তুলে ধরা হলো:
১. মানুষের অতি মাত্রায় ভোগবাদী চিন্তা।
২. মানুষের আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা ও কাজ।
৩. অতিরিক্ত লোভ-লালসা ও প্রকৃতির প্রতি উদাসীনতা।
৪. নির্বিচারে বন ও বৃক্ষ নিধন।
৫. বাতাসের অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড।
৬. কালো ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের আধিক্য।
৭. দুর্গন্ধময় জল ও জলাবদ্ধতা তৈরি।

মানুষের দ্বারা সৃষ্ট প্রকৃতির বিরুদ্ধে এসব কাজের কারণেই আমাদের জীবজগৎ ও পরিবেশ প্রতিনিয়ত ধ্বংস হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগৎ ধ্বংস করার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে'। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলো হলো: ১. গ্রিনহাউস এফেক্ট; যা বাতাসে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইডের কারণে সৃষ্টি হয়; ২. প্রকৃতি বন-বৃক্ষ নিধন; ৩. বাতাসে কালো ধোঁয়া ও বায়ুদূষণ; ৪. জীববৈচিত্র্য হ্রাস; ৫. অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি-বন্যা; ৬. বৈশ্বিক উজ্ঞতা বৃদ্ধি। এসব ক্ষতিকর কাজগুলো মানুষের দ্বারা নির্বিচারে সংঘটিত হচ্ছে। ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তিত হচ্ছে। এ অবস্থা পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই আমাদেরকে অতি শীঘ্রই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবজগতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

আমাদের পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষা করা আমাদের একান্ত দায়িত্ব। তাই পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষায় আমি 'যেসব কাজ করতে পারি, সেগুলো নিচে তুলে ধরছি।'
১. নিজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং নিজ বাড়ি ও বিদ্যালয়ের আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা।
২. নিজের বাড়ি ও বিদ্যালয়ে গাছ লাগানো।
৩. সবাই মিলে বিদ্যালয়ের আঙিনা পরিষ্কার করা।
৪. বাড়িতে এবং বিদ্যালয়ে প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
৫. প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা লাভ ও সচেতন হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

পরিবেশ সুন্দর রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমরা সবাই মিলে সচেতন থাকলে আমাদের চারপাশের পরিবেশকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর রাখতে পারি। স্কুলে আমার বন্ধুকে পরিবেশ সুন্দর রাখার জন্য যেসব পরামর্শ দিতে পারি, সেগুলো নিচে তুলে ধরছি:

১. নিজে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা।
২. নিজের বই-খাতা এবং জামাকাপড় পরিষ্কার রাখা ও গুছিয়ে রাখা।
৩. যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকা।
৪. বাড়ি এবং বিদ্যালয়ের আঙিনায় ফুল ও ফলের গাছ লাগানো।
৫. অযথা পশু-পাখিকে কষ্ট না দেওয়া ও হত্যা না করা।
৬. নিয়ম মেনে ব্যক্তিগত পরিচর্যা করা এবং পড়াশোনা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের সৃষ্টি কী অপূর্ব সুন্দর! যা দেখে আমরা মুগ্ধ হই। গাছ, পাতা ও ফুল বিশ্বপ্রকৃতিকে মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে। আমাদের বিশ্বপ্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরনের গাছ রয়েছে। এসব গাছের পাতা আমাদের প্রকৃতিকে সতেজতা দান করার পাশাপাশি আমাদের মনে প্রশান্তি যোগায়। বাহারি রঙের ফুল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও কয়েকগুণ সমৃদ্ধ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ক্যাথলিকমণ্ডলীর প্রধান ধর্মগুরু 'তোমার প্রশংসা হোক' নামক শিরোনামে একটি সর্বজনীন পত্র লিখেছেন। ক্যাথলিকমণ্ডলীর প্রধান ধর্মগুরু এই পত্রে বসতবাটির যত্ন নিতে যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা পাঁচটি বাক্যে তুলে ধরা হলো-
১. জগতের সমস্ত কিছুই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।
২. সমগ্র সৃষ্টি ঈশ্বরের অসীম ভালোবাসা ও অনুরাগের কথা বলে।
৩. সমগ্র সৃষ্টির লক্ষ্য এক ও অভিন্ন, তাহলো স্বয়ং ঈশ্বর।
৪. ঈশ্বরের সৃষ্টি জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করার অপরাধে মানুষ অপরাধী।
৫. বনজঙ্গল, জমিজমা ও জলাভূমি ধ্বংস করা পাপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
15

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews