ঈশ্বর বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন সময়ে অবতাররূপে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন। তিনি যে কারণে অবতার রূপে আবির্ভূত হন তা হলো-
১. পৃথিবীতে খারাপ অবস্থা বিরাজ করলে।
২. অশুভ শক্তির কাছে শুভ শক্তি পরাজিত হলে।
৩. মানুষ ধর্মকে ভুলে অধর্মের আশ্রয় নিলে।
৪. দুংখীদের আর্তনাদ ও দুঃখ মোচনের জন্য।
৫. জগতের 'কল্যাণের জন্য।
৬. দুষ্কৃতিকারীদের ধ্বংস করার জন্য।
৭. সাধু-সজ্জনকে রক্ষা ও ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য।
যুগে যুগে পৃথিবী থেকে অশান্তি দূর করে শাস্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একজন অবতার রূপে আসেন। তিনি হলেন ঈশ্বর। ঈশ্বর নিজেকে দশটি অবতারে প্রকাশ করেছেন।
ঈশ্বরের প্রথম অবতার সম্পর্কে বলা যায়-
১. তিনি মৎস্য অবতাররূপে আবির্ভূত হন।
২. রাজা সত্যব্রতের নিকট ভগবান বিষ্ণু পুঁটি মাছরূপে এসে ধরা দেন।
৩. তিনি রাজাকে বলেন সাতদিনের মধ্যে জগতের প্রলয় হবে।
৪. তিনি সত্যব্রতকে সবরকমের জীবদম্পত্তি খাদ্য-শস্য ও বৃক্ষবীজ নৌকায় উঠাতে বলেন।
৫. তিনি মহাপ্রলয় থেকে সৃষ্টিকে রক্ষা করেন।
৬. ফলে বেদ সংরক্ষিত হয়।
রাম ত্রেতা যুগে অবতীর্ণ হন রামের পৃথিবীতে অবতীর্ণ হওয়ার একটি কারণ হলো, ত্রেতাযুগে রাক্ষসরাজ রাবণ খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। তিনি দেবতাদের উপর অত্যাচার শুরু করেন। পৃথিবীতে অশান্তির সৃষ্টি হয়। তখন শ্রীবিষ্ণু রাজা দশরথের পুত্ররূপে রাম নামে আবির্ভূত হন।
রামু অবতার সম্পর্কে কয়েকটি বাক্য হলো-
১. ভগবান শ্রীবিষ্ণু রাজা দশরথের পুত্ররূপে রাম নামে আবির্ভূত হন।
২. পিতৃসত্য পালনের জন্য তিনি স্ত্রী সীতা ও ভাই লক্ষ্মণকে নিয়ে বনবাসে যান।
৩. রাম যুদ্ধে রাবণকে সবংশে নিহত করেন।
৪. রাম সীতাকে উদ্ধার করে নিজ রাজ্যে ফিরে আসেন।
৫. তিনি স্বর্গ ও পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে দেন।
ভগবান শ্রীবিষ্ণুর অবতার দশটি। ১০ অবতার হলো-
১. মৎস্য অবতার; ২. কূর্ম অবতার; ৩. বরাহ অবতার; ৪. নৃসিংহ অবতার; ৫. বামন অবতার; ৬. পরশুরাম অবতার; ৭. রাম অবতার;
৮. বলরাম অবতার; ৯. বুদ্ধ অবতার; ১০. কল্কি অবতার।
প্রার্থনা হচ্ছে ঈশ্বরের নিকট কিছু চাওয়া। ঈশ্বর এ বিশ্বের সর্বময় কর্তা। তিনি করুণাময়। তাঁর দয়ার উপরেই আমাদের সবকিছু নির্ভর করে। তাই ঈশ্বরের নিকট আমাদের প্রাণের আবেদন জানাই। কোনো শুভ কাজের পূর্বে অথবা কোনো বিপদে পড়লে বিপদ থেকে মুক্তির জন্যও আমরা ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করি।
আমি যেভাবে প্রার্থনা করি তা নিচে দেওয়া হলো-
১. আমি সাধারণত করজোড়ে ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করি।
২. দেহ ও মন পবিত্র রেখে প্রার্থনা করি।
৩. আমি একা এবং সমবেতভাবে ঈশ্বরের প্রার্থনা করি।
৪. ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রার্থনা করতে পারি।
৫. স্তব-স্তুতি করে ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করি।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শ্লোক:
অনেকবাহৃদর বস্ত্রনেত্রং
পশ্যামি ত্বাং সর্বতোংনন্তরূপম্।
নান্তং মধ্যং ন পুনস্তবাদিং পশ্যামি বিশ্বেশ্বর বিশ্বরূপ ।(১১/১৬)
সরলার্থ: অসংখ্য তোমার হাত, অসংখ্য উদর, অসংখ্য মুখ ও চোখ। তোমার অনন্ত রূপ আমি সর্বত্র দেখছি। কিন্তু হে বিশ্বেশ্বর, বিশ্বরূপ, তোমার আদি, অন্ত, মধ্য কোথাও কিছু খুঁজে পাচ্ছি না।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allঈশ্বরের কোনো আকার নেই।
ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী প্রভৃতি দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপ।
বামন বিষ্ণু অবতারের অন্যতম।
পরশু হাতে থাকায় ভূগুরামের নাম হলো পরশুরাম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!