ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের জীবনের একটি অবদান স্মরণ করে দোল উৎসব শুরু হয়। 'বুড়ির ঘর' সম্পর্কে বলা যায়-
১. এক অসুর ছদ্মবেশে কুঁড়েঘরে আশ্রয় নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ ও অন্যদের ক্ষতি করতে চেয়েছিল।
২. শ্রীকৃষ্ণ তা বুঝতে পেরে তাকে বিনাশ করেন।
৩. যে ঘরে অসুরটি ছিল, তার নাম 'বুড়ির ঘর'।
৪. উৎসবটিকে 'মেড়া পোড়ানো'ও বলে।
৫. মেড়ার ঘর পোড়ানোর পর রাধাকৃষ্ণের পূজা করা হয়।
মহালয়া হলো দুর্গাপূজার আগমনী উৎসব। এটি একটি ধর্মীয় উৎসব। মহালয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো সকৃতজ্ঞ চিত্তে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করা এবং দেবী দুর্গার আগমনী ঘোষণা দেয়া। মহালয়ায় প্রয়াত পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে যে প্রার্থনা করা হয় তা হলো-
১. তোমরা চলে গেছ, আমরা আছি।
২. তোমরা ভালো থেকো।
৩. আমাদের আশীর্বাদ করো, আমরাও যেন ভালো থাকি।
৪. তোমাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পারি।
৫. আমরাও যেন মহত্ত্বের পরিচয় দিতে পারি।
বাংলা বছরের শেষ দিনকে বলা হয় চৈত্রসংক্রান্তি।
ধর্মীয়ভাবে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস প্রভৃতির মধ্য দিয়ে চৈত্রসংক্রান্তি উদ্যাপিত হয়। এর সাথে জড়িত উৎসব হলো শিবের গাজন, গাজনের মেলা এবং চড়ক পূজা। আমরা যেসব কারণে ঐতিহ্য অনুসরণ করে চলব তা হলো-
১. এর মাধ্যমে আমরা ভক্তিতে-শ্রদ্ধায়, আনন্দ-উৎসবে ও মিলন-সংহতিতে এগিয়ে যাব।
২. এর দ্বারা আমরা মিলনের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হব।
৩. ঐতিহ্য অনুসরণ করার মাধ্যমে আমরা মানুষের সেবা করতে উদ্বুদ্ধ হব।
৪. দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষায় উদ্বুদ্ধ হব।
Related Question
View Allহিন্দুধর্ম তার অনুসারীদের মধ্যে নৈতিক গুণের বিকাশ ঘটিয়েছে। গুণের।
দেব-দেবীদের রূপের ধারণা দিয়েছেন ঋষি-কবিরা।
ধর্মসংগীতের মধ্য দিয়ে শিল্পচর্চার পরিচয় পাওয়া যায়।.
মহালয়া ঘোষণা দেয় দেবী দুর্গার আগমনী।
এ-সকল ঐতিহ্যকে আমরা সংরক্ষণ করে রাখব।
মহালয়ায় প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!