বাংলাদেশে ৪৫টির অধিক নৃ-গোষ্ঠী আছে।
বাংলাদেশের বাঙালি ব্যতীত ভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ নৃ-গোষ্ঠী হলো চাকমা।
চাকমা নৃ-গোষ্ঠীর জীবনধারা সম্পর্কে নিচে কয়েকটি বাক্য দেওয়া হলো-
(ক) চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা আছে।
(খ) চাকমাদের নিজেদের একজন রাজা আছেন।
(গ) চাকমাদের প্রতিটি গ্রামে একজন গ্রামপ্রধান থাকেন, যাকে চাকমারা কারবারি বলেন।
(ঘ) চাকমারা কাঠ ও বাঁশ দিয়ে মাচার মতো ঘর তৈরি করেন।
(ঙ) চাকমারা 'জুম' পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করে থাকেন।
(চ) চাকমাদের প্রধান খাবার ভাত।
চাকমা নৃ-গোষ্ঠীরা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করেন। চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
চাকমা মেয়েরা কোমর থেকে নিচ পর্যন্ত এক ধরনের কাপড় পরেন। যাকে পিনোন বলা হয়। শরীরের উপরের অংশে যে
ওড়না পরেন তাকে হাদি বলা হয়। চাকমাদের দুটি উৎসব হলো-
(ক) বুদ্ধপূর্ণিমা চাকমারা বৈশাখ মাসে বুদ্ধপূর্ণিমা উৎসব পালন করেন।
(খ) বিজু উৎসব: বাংলা নববর্ষের সময় চাকমারা তিন দিন ধরে বিজু উৎসব পালন করেন।
'বিজু' চাকমা নৃ-গোষ্ঠীর ধর্মীয় উৎসব।
বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে এ উৎসব পালন করা হয়।
চাকমাদের উৎসব সম্পর্কে লেখা হলো-
(ক) চাকমারা বৌদ্ধদের মূল ধর্মীয় উৎসবগুলো পালন করেন।
(খ) উৎসবের সময় তারা বাড়িঘর ফুল দিয়ে সাজান।
(গ) উৎসবের সময় তারা পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
(ঘ) চাকমারা বৈশাখ মাসে বুদ্ধপূর্ণিমা পালন করেন।
(ঙ) বাংলা নববর্ষের সময় তারা তিন দিন ধরে বিজু উৎসব পালন করেন।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী মারমা।
মারমা নৃ-গোষ্ঠী অর্থাৎ মারমা জনগোষ্ঠী সম্পর্কে কয়েকটি বাক্য হলো-
(ক) মারমা নৃ-গোষ্ঠী বেশির ভাগ বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি এলাকায় বসবাস করেন।'
(খ) মারমা নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব রাজা আছেন।
(গ) মারমা নৃ-গোষ্ঠী 'জুম' পদ্ধতিতে চাষাবাদ করেন।
(ঘ) মারমা নৃ-গোষ্ঠীর লোকেরা বৌদ্ধধর্মের সকল উৎসব পালন করেন।
(ঙ) মারমা নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান উৎসব 'সাংগ্রাই'।
(চ) সাংগ্রাই উৎসবের দিনে তারা পানি দিয়ে খেলেন।
মণিপুরিরা তিনটি জনগোষ্ঠীতে বিভক্ত। 'ফানেক' বা 'লাহিং' হলো মণিপুরি মেয়েদের জন্য এক ধরনের ঘাগড়া জাতীয় পোশাক।
মণিপুরিদের উৎসব সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো-
(ক) মণিপুরিদের নানা ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব আছে।
(খ) তাদের নানা উৎসবের মধ্যে রয়েছে-রথযাত্রা, চৈত্রসংক্রান্তি দোলযাত্রা, রাসপূর্ণিমা ইত্যাদি।
(গ) মণিপুরিদের মধ্যে পাঙালরা ঈদ উৎসব পালন করে।
(ঘ) মণিপুরিরা যেকোনো উৎসব উপলক্ষে নাচ, গান, কীর্তন ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে আনন্দ করেন।
(ঙ) মণিপুরিরা প্রায় সারা বছরই উৎসবে মেতে থাকেন।
Related Question
View Allবাংলাদেশের ভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ।(শূন্যস্থান)
চাকমারা বেশির ভাগ বাস করেন রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে।
চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা আছে।
চাকমাদের নিজেদের ভাষায় রচিত গান আছে।
চাকমাদের প্রতিটি গ্রামে একজন করে গ্রামপ্রধান থাকেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!