ডাক্তার আসা বা হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে অসুস্থ বা আহত কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত সাময়িক সেবা দেওয়া বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই হলো প্রাথমিক চিকিৎসা।
প্রাথমিক চিকিৎসার সাধারণ তিনটি নিয়ম হলো-
১. জরুরি সেবার জন্য সাহায্য চাইতে হবে।
২. নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. প্রয়োজন ব্যতীত আহত ব্যক্তিকে স্থির রাখতে হবে।
কাউকে সাপে কাটলে ডাক্তার না আসা পর্যন্ত যা করা উচিত তা হলো-
১. রোগীকে যথাসম্ভব স্থির অবস্থায় রাখতে হবে।
২. কাটা স্থানের একটু উপরে দড়ি বা কাপড় দিয়ে শক্ত করে বাঁধতে হবে।
৩. শরীরের যে অংশ সাপে কেটেছে তা বুকের অবস্থান থেকে যথেষ্ট নিচে রাখতে হবে।
সাপে কাটার পর যা করতে হবে তা হলো-
১. রোগীকে যথাসম্ভব স্থির অবস্থায় রাখতে হবে।
২. শরীরের যে অংশ সাপে কেটেছে তা বুকের অবস্থান থেকে যথেষ্ট নিচে রাখতে হবে।
৩. কাটা স্থানের একটু উপরে দড়ি বা কাপড় দিয়ে বেঁধে দিতে হবে।
৪. যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
সাপে কাটলে যা করা যাবে না তা হলো-
১. বিষ বের করার জন্য ক্ষতস্থানে মুখ দিয়ে চোষা যাবে না।
২. ক্ষতস্থানের চারপাশে ত্বক কাটা যাবে না।
৩. ক্ষতস্থানে বরফ লাগানো যাবে না।
৪. ওঝা বা সাপুড়ের কাছে চিকিৎসার জন্য যাওয়া যাবে না।
সাপে কাটলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে চিকিৎসার জন্য
হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। ওঝা বা সাপুড়ের কাছে
চিকিৎসার জন্য যাওয়া যাবে না।
সাপ থাকতে পারে এমন দুটি জায়গা হলো-
১. বনজঙ্গল ও ২. গর্ত।
সাপে কাটা প্রতিরোধের চারটি উপায় নিম্নরূপ-
১. সাপ নিয়ে নাড়াচাড়া বা খেলাধুলা করা যাবে না।
২. সাপ থাকতে পারে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে।
৩. জঙ্গল বা ঝোপঝাড়ে যেতে হলে অবশ্যই লম্বা লাঠি ব্যবহার করতে হবে।
৪. বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
আগুনজনিত দুর্ঘটনার স্থানে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসবো। এরপর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিকটস্থ ফায়ার স্টেশনে যোগাযোগ করব।
ডাক্তার আসা বা হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে অসুস্থ বা আহত ব্যক্তিকে দ্রুত সাময়িক সেবা দেওয়া বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করাকেই প্রাথমিক চিকিৎসা বলে।
প্রাথমিক চিকিৎসার চারটি নিয়ম হলো-
১. জরুরি সেবার জন্য সাহায্য চাইতে হবে।
২. নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. প্রয়োজন ব্যতীত আহত ব্যক্তিকে স্থির রাখতে হবে।
৪. আহত ব্যক্তিকে উৎসাহমূলক কথা বলে শান্ত রাখতে হবে।
আগুনজনিত দুর্ঘটনায় সবার আগে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করব। একা একা আগুন নেভাতে যাওয়া ঠিক নয়।
আগুন লাগার তিনটি কারণ হলো-
১. রান্নার সময় অসাবধানতা,
২. বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট ও
৩. মোমবাতি বা কুপিবাতি ব্যবহারে অসতর্কতা।
আগুন নেভানোর তিনটি উপায় হলো-
১. অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা।
২. কারও গায়ে আগুন লাগলে ভেজা কম্বল বা কাঁথা দিয়ে জড়িয়ে ধরা।
৩. আগুনের উৎসে পানি ঢালা।
আগুনজনিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধের চারটি উপায় হলো-
১. চুলার কাছাকাছি যাওয়া বা ম্যাচ নিয়ে খেলা থেকে বিরত থাকা।
২. রান্নার সময় লম্বা হাতাওয়ালা বা ঢিলেঢালা পোশাক না পরা।
৩. সহজে আগুন ধরে এমন সব বস্তুকে আগুনের শিখা থেকে যথাসম্ভব দূরে রাখা।
৪. বৈদ্যুতিক প্লাগে অতিরিক্ত সংযোগ পরিহার করা।
আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য চারটি
পরামর্শ নিম্নরূপ-
১. পোড়া স্থানে কমপক্ষে ১০ মিনিট পানি ঢালতে হবে।
২. পোড়া স্থানে বরফ ব্যবহার করা যাবে না।
৩. ফোস্কা গলানো যাবে না।
৪. সামান্য পোড়ায় বার্নল বা পানি নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে।
শরীরের কোনো অঙ্গ বিদ্যুৎ উৎসের সংস্পর্শে এলে পুড়ে যেতে পারে বা হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনাকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া বলে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে উদ্ধার করার জন্য প্রথমেই মেইন সুইচ বন্ধ করে বা বৈদ্যুতিক প্লাগ খুলে ফেলে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব না হলে শুকনো কাঠ বা বাঁশ দিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বিদ্যুতের উৎস থেকে আলাদা করতে হবে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে চারটি বাক্য হলো-
১. বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস, নাড়ির স্পন্দন এবং ক্ষতস্থান পরীক্ষা করতে হবে।
২. আহত ব্যক্তি শ্বাস না নিলে পানিতে ডোবা রোগীর মতো শ্বাস দিতে হবে।
কাউকে পানিতে ডুবতে দেখলে প্রথমে আমি সাহায্যের জন্য বড়দের ডাকবো এবং জরুরি সেবার জন্য কাউকে পাঠাব।
আমি পানিতে ডুবতে থাকা কোনো ব্যক্তিকে নিচের উপায়ে
উদ্ধার করব-
১. সম্ভব হলে এবং নিরাপদ মনে করলে পানিতে ডুবতে থাকা ব্যক্তির হাতের নাগালে লম্বা দড়ি বা লাঠি ধরব।
২. লম্বা কোনো বস্তু না পেলে ভেসে থাকতে পারে এমন বস্তু যেমন- বড় কাঠের টুকরা, কলাগাছ ইত্যাদি পানিতে ভাসিয়ে দেব। ডুবতে থাকা ব্যক্তি যেন সেটি ধরে ভাসতে পারে ও উপরে উঠে আসতে পারে।
৩. একা একা সাঁতার কেটে উদ্ধারের চেষ্টা করব না। এতে নিজেও ডুবে যেতে পারি।
Related Question
View Allদুর্ঘটনার ফলে আমাদের শরীর ও সম্পদের ক্ষতি হয়।
বেশির ভাগ দুর্ঘটনাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সাপ নিয়ে নাড়াচাড়া বা খেলাধুলা করব না।
বৈদ্যুতিক প্লাগে অতিরিক্ত সংযোগপরিহার করতে হবে।
সবার আগে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হবে।
প্রাথমিক চিকিৎসার কিছু সাধারণ নিয়ম রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!