মাটির উর্বরতা হচ্ছে মাটির ফসল উৎপাদনের ক্ষমতা।
তিনটি অজৈব সার হলো- ১. ইউরিয়া, ২. টিএসপি ও ৩. এমওপি।
মাটির উর্বরতা বজায় রাখতে যা করতে হবে-
১. প্রয়োজনে পরিমাণমতো সার প্রয়োগ করতে হবে।
২. জমিতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসল চাষ অর্থাৎ ফসল আবর্তন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
৩. সঠিক মাত্রায় পানি সেচ ও নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে হবে।
৪. ঢালু জমিতে বাঁধ দিয়ে চাষ করতে হবে।
যে জমিতে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় উপাদান বেশি থাকে তা বেশি উর্বর।
মাটির তিনটি ব্যবহার হলো-
১. বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ জন্মানোর জন্য মাটি ব্যবহৃত হয়।
২. বসবাসের জন্য মাটির উপর ঘরবাড়ি ও দালানকোঠা নির্মিত হয়।
৩. বিভিন্ন মৃৎশিল্প তৈরিতে মাটি ব্যবহৃত হয়।
পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণই হচ্ছে মাটি।
বায়ুপ্রবাহ বা অতি বৃষ্টির কারণে মাটির উপরের স্তর সরে গিয়ে মাটি ক্ষয় হয়। বায়ুপ্রবাহ বা অতি বৃষ্টিতে মাটির উপরে স্তর সরে গিয়ে মাটি ক্ষয় হয়। তাছাড়া গাছপালা কেটে ফেলা এবং জমির অতিরিক্ত চাষাবাদের কারণেও মাটি ক্ষয় হয়।
মাটি ক্ষয়ের চারটি ক্ষতিকর দিক হলো-
১. জমি উর্বরতা হারায়।
২. মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৩. ফসলের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়।
৪. পরিবেশে ধুলাবালি সৃষ্টি করে বায়ু দূষণ বাড়ায়
সার হলো একটি পদার্থ যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহার করা হয়।
সার দুই প্রকার। যথা- ১. জৈব সার ও ২. অজৈব সার।
মাটি সংরক্ষণে পাঁচটি করণীয় হলো-
১. বৃক্ষরোপণ ও গাছপালা রক্ষা করা।
২. মাটি উন্মুক্ত না রেখে ঘাস লাগানো।
৩. ফসলের অপ্রয়োজনীয় গোড়া মাটিতে রেখে দেওয়া।
৪. কৃষি ক্ষেতের মাঝে উঁচু আইল বাঁধা।
৫. চাষাবাদে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা।
ফসল আবর্তন একটি কৃষি পদ্ধতি। একই জমিতে একই ফসল বছরের পর বছর চাষ না করে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসল চাষ করাই হলো ফসল আবর্তন। এটি মাটির পুষ্টি রক্ষা, কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ এবং ফসল উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মাটি দূষণের চারটি ফলাফল হলো-
১. জীবের বাসস্থান ও প্রকৃতি ধ্বংস হয়।
২. মাটির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৩. দূষিত মাটিতে জন্মানো ফসলে ক্ষতিকর পদার্থ থাকতে পারে।
৪. মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বিভিন্ন রোগ হয়।
মাটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।
মাটি সংরক্ষণ হলো মাটির ক্ষয়রোধ করা বা মাটির উর্বরতা বজায় রাখা।
মাটি দূষণ রোধের পাঁচটি উপায় হলো –
১. নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা।
২. মাটিতে পচেনা এমন জিনিসপত্রের ব্যবহার কমানো, পুনঃব্যবহার এবং রিসাইকেল করা।
৩. জমিতে জৈব সার যেমন- কম্পোস্ট ব্যবহার করা।
৪. বনাঞ্চল রক্ষা ও বৃক্ষ রোপণ করা।
৫. জমিতে অতিরিক্ত সেচ প্রতিরোধ করা।
Related Question
View Allমাটি হচ্ছে পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ।
মাটিতে ক্ষতিকর পদার্থ ফেললে মাটি দূষিত হয়
পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণই হলো মাটি।
মাটিই হচ্ছে উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!