আমরা প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখে শহিদ দিবস পালন করি। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যারা শহিদ হয়েছিলেন, তাদেরকে যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শনের জন্য আমরা শহিদ দিবস পালন করি। দিবসটিতে আমি যা করব তা সম্পর্কে কয়েকটি বাক্য হলো-
১. খুব ভোরে উঠে বিদ্যালয়ে যাব।
২. সবাই মিলে বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে ফুল দেব।
৩. বিদ্যালয়ের আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করব।
৪. শহিদদের জন্য বিশেষভাবে প্রার্থনা করব।
৫. ভাষাশহিদদের স্মরণে র্যালি বের করব।
৬. বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করব।
ভারত ও পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীন পাকিস্তান সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য হলো-
১. পাকিস্তানের দুটি ভাগ ছিল।
২. একটি পূর্ব পাকিস্তান এবং অপরটি পশ্চিম পাকিস্তান।
৩. পাকিস্তানের রাজধানী ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে।
৪. পশ্চিম পাকিস্তানিরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত।
৫. পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি করে।
৬. বাঙালিরা তা মেনে নেয়নি এবং এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।
১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। আগরতলা মামলার প্রতিবাদে এ অভ্যুত্থান হয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের ফলাফল হলো-
১. এ অভ্যুত্থানে ছাত্র-শিক্ষকসহ অনেকে শহিদ হন।
২. এ অভ্যুত্থানের ফলে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।
৩. পাকিস্তান সরকার ১৯৭০ সালে নির্বাচন দিতে বাধ্য হন।
৪. বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে।
৫. সরকার গঠন করতে না দেওয়া হলে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ। মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা হলো-
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে জনগণকে উৎসাহিত করে। যুদ্ধ পরিচালনার জন্য 'মুক্তিবাহিনী' গঠন করে। মুজিবনগর সরকারের উৎসাহে সকল শ্রেণি-পেশার বাঙালিদের পাশাপাশি বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মানুষও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন, সাহায্য দান ইত্যাদিতে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অনেক।
Related Question
View All১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
পাকিস্তানের দুইটি ভাগ ছিল।
পাকিস্তানের রাজধানী ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে।
পশ্চিম পাকিস্তানিরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত।
পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাঙালিদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকার রাজপথে মিছিল বের হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!