আয়াঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে মূলত বন্যার প্রকোপ বেশি থাকে। বন্যা সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আমরা যাতে বন্যা মোকাবিলা করতে পারি, সে জন্য কিছু প্রস্তুতি নেওয়া যায়। যেমন-
১. নিয়মিত রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে আবহাওয়া সম্পর্কে খবর শুনব।
২. বাড়ির কাছে খাল-নদীতে চিহ্ন দিয়ে বাঁশ-লাঠি পুঁতে রাখব, যাতে বুঝতে পারি পানি কতটুকু বাড়ল।
৩. বন্যার আগে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধ জমিয়ে রাখব।
৪. পড়ার বই-খাতা ও ঘরের গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে গুছিয়ে রাখব।
৫. মনে সাহস রাখব এবং ধৈর্যের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলা করব।
বাংলাদেশে ১৯৭০, ১৯৯১ এবং ২০০৭ সালে তিনটি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় যা করতে হবে তা হলো-
১. ঘূর্ণিঝড়ের সময় কিছু সংকেত দেওয়া হয়। স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত ১ নম্বর থেকে মহাবিপদ সংকেত ১০ নম্বর পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২. নিয়মিত সংকেত শুনব, অন্যদের জানাব ও নিজেরা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেব।
৩. আশ্রয়কেন্দ্র বা নিরাপদ কোনো স্থানে যাবার আগে নিজেদের বইপত্র ও অন্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে নিরাপদ স্থানে রাখব।
৪. মা-বাবার সাথে মিলেমিশে কাজ করব। বড়দের কথা মেনে চলব এবং সবসময় নিরাপদ স্থানে থাকব।
শুষ্ক মৌসুমে আগুন লাগার ঘটনা বেশি ঘটে। মানুষের সৃষ্ট নানা কারণে আগুন লাগতে পারে। এখানে কিছু কারণ দেওয়া হলো-
১. রান্নার পর চুলার আগুন সম্পূর্ণ নিভিয়ে না দিলে।
২. সিগারেট, বিড়ি, হুকার আগুন থেকে।
৩. ঘরে কুপি, হারিকেন, মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখলে।
৪. বাড়ির বিদ্যুতের লাইনে সমস্যা থাকলে।
৫. কারখানার দাহ্য পদার্থ (যে জিনিসে সহজে আগুন ধরে) থেকে।
৬. শিশুরা আগুন নিয়ে খেলা করলে বা আতশবাজি ফোটাতে গেলে।
৭. এক বাড়িতে আগুন লাগলে সহজেই অন্য বাড়িতে আগুন ধরে যেতে পারে।
Related Question
View Allপৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে বৈচিত্র্য রয়েছে।
উত্তর অঞ্চলের ভূমি কিছুটা উঁচু।
গ্রীষ্মকালে অনেক গরম পড়ে।
দক্ষিণ অঞ্চলের ভূমি বেশ নিচু।
কোনো এলাকায় গাছপালা বেশি থাকলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!