বর্ণনামূলক প্রশ্ন গুলোও উত্তর দাও

Updated: 3 days ago
উত্তরঃ

বজ্রপাতের সময় আমি নিরাপদে থাকার জন্য কিছু সতর্কমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। প্রথমে খোলা জায়গায় বা বড়ো গাছের নিচে আশ্রয় নেবো না। গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরে থাকব। আমি মোবাইল ফোন বন্ধ রাখব এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘরের ভিতরে আশ্রয় নেবো। যদি নৌকায় থাকি, তবে নিচু হয়ে নৌকার পাটাতনে অবস্থান করব। বৈদ্যুতিক তার বা খুঁটি থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করব এবং যেখানে সম্ভব সেখানে বজ্রনিরোধক দণ্ড ব্যবহার করব।

উত্তরঃ

জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগের আগে ও পরে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলোচ্ছ্বাসের আগে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো মানুষকে সতর্ক বার্তা দেয়। মানুষকে সচেতন করে। মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্র এবং নিরাপদ স্থানে যেতে সহায়তা করে। ইউনিয়ন পরিষদের পরিচালনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।
দুর্যোগের পর সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ত্রাণ বিতরণ করে। আহতদের চিকিৎসা প্রদান করে। অবকাঠামো মেরামতে সহায়তা করে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ১০৯০, ৯৯৯ ও ৩৩৩ নম্বরে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেয়।

উত্তরঃ

জলোচ্ছ্বাস হলো একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। জলোচ্ছ্বাসের ফলে অনেক মানুষ ও গবাদি পশু মারা যায়। জলোচ্ছ্বাসের সময় ক্ষয়ক্ষতি কমানোর উপায় নিচে দেওয়া হলো-

১. পূর্ব থেকে সতর্কতা অবলম্বন করলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমানো সম্ভব।
২. ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করে জলোচ্ছ্বাস প্রবণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।
৩. স্বেচ্ছাসেবক দলের মাধ্যমে সতর্ক বার্তা প্রচার করা।
৪. জরুরি সাহায্য পেতে ৯৯৯, ৩৩৩ নম্বরে কল দেওয়া।
এভাবে জলোচ্ছ্বাসের সময় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।

উত্তরঃ

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের নেতৃত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হয়।
জলোচ্ছ্বাসের সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির পাঁচটি কাজ নিচে তুলে ধরা হলো-

১. জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ এলাকায় সহায়তা প্রদান করে।
২. দুর্যোগের সময় সতর্ক বার্তা প্রচার করে।
৩. মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে সাহায্য করে।
৪. খাবার, পানি ও জরুরি ত্রাণ বিতরণ করে।
৫. হতাহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

উত্তরঃ

বজ্রপাত বর্ষা মৌসুমে হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বজ্রপাতে আকাশে আলোর ঝলকানি দেখা যায় এবং বিকট শব্দ হয়। বজ্রপাতের সময় বিভিন্নভাবে মানুষের ক্ষতি হয়। যেমন-
১. বজ্রপাতের আঘাতের ফলে মানুষ ও পশুপাখি হতাহত হয়।
২. বজ্রপাতের ফলে গাছপালা পুড়ে যায়।
৩. বজ্রপাতের ফলে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বজ্রপাতে বাংলাদেশে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। বজ্রপাতে মৃত্যুর একটি বড়ো কারণ হচ্ছে জনসচেতনতার অভাব।

উত্তরঃ

বজ্রপাত হলো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
বজ্রপাতের সময় পাঁচটি করণীয় নিচে দেওয়া হলো-
'১. খোলা জায়গায় কোনো বড়ো 'গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া যাবে না।
২. বজ্রপাতের সময় ফোন বন্ধ রাখতে হবে।
৩. ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিতে হবে।
৪. বৈদ্যুতিক তার বা খুঁটি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে।
৫. যথাযথ বজ্রনিরোধক দণ্ড ব্যবহার করতে হবে।

3

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews