বর্তমান বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ এর সুনির্দিষ্ট ২২টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং এর যথাযথ বাস্তবায়ন। এ পরিকল্পনার অধীনে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হওয়ায় সম্প্রতি সরকার সর্বশেষ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকার মনে করে এসব পরিকল্পনার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরাও আশা করছেন, এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পসমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব হবে।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত দীর্ঘমেয়াদে ১০ থেকে ২৫ বছর সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য কোনো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্বাচন করে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তা-ই প্রেক্ষিত পরিকল্পনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে চার বা পাঁচ বছরের কয়েকটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় ভাগ করা হয়। আবার চার বা পাঁচ বছরের মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাগুলোকে ছোট ছোট অনেকগুলো স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় ভাগ করা হয়। এসব বিভাজন এমনভাবে করা হয় যেন স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বৃহত্তর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সংযোজিত করা হয়। তাই বলা যায়, স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত রচনা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাসমূহের মেয়াদকাল উল্লেখ করা হলো-

ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা : বাংলাদেশে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল (২০১১-১৫), যেটি জুলাই ২০১০ থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। এ পরিকল্পনায় উন্নয়নের কৌশলকে মূলস্তম্ভ বিবেচনা করে ন্যায্যতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পাশাপাশি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণের উপর জোর দিয়েছে। এ পরিকল্পনার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য হচ্ছে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, ভালো চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা, মানব উন্নয়ন, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ, আয় বৈষম্য হ্রাসকরণ এবং আঞ্চলিক বৈষম্য হ্রাসকরণ।

সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এমন সময় এটি শুরু হতে যাচ্ছে যখন বাংলাদেশে সবেমাত্র মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মর্যাদায় প্রবেশ করছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক (পরিকল্পনার প্রথম বছরে একই সাথে জাতিসংঘের ২০১৫ উত্তর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে সুষ্ঠুভাবে উন্নয়ন কার্য সম্পাদনের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে বিনির্মাণ কাজ এগিয়ে নেওয়া সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

অতএব বলা যায়, ষষ্ঠ ও সপ্তম দুটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকালে প্রেক্ষিত পরিকল্পনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পর্যায়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

বিশেষজ্ঞগণের আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇒ আর্থসামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ: স্কুল কলেজ, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট, সেতু, টেলিযোগাযোগ, বিদ্যুতায়ন, পানি সরবরাহ, পার্ক ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণে সময় বেশি লাগে ও ব্যয়বহুল। ফলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশে এগুলো নির্মাণ করা সম্ভম্ব।

⇒ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার: বাংলাদেশের উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রয়োজন।

⇒ জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর: বাংলাদেশের মতো অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশে পরিকল্পিত উপায়ে বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, জনসংখ্যার গুণগতমান উন্নয়ন, কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

⇨ বেকার সমস্যা সমাধান বেকার সমস্যা বাংলাদেশে এক ভয়াবহ সমস্যা। এ অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের প্রসার ঘটাতে পারলে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে।

⇒ বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস: সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশ অতিমাত্রায় বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে উৎপাদন ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধি করে বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করা যায়।

⇒ সুষম উন্নয়ন: বাংলাদেশের উন্নয়নের সুফল দেশের সব অঞ্চলের লোকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের প্রায় সব অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটানো প্রয়োজন। এজন্য সুষ্ঠু ও বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা অত্যাবশ্যক।

পরিশেষে বলা যায়, বিশেষজ্ঞগণের আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
28
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণত কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে যেসব কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে জাতীয় স্বার্থে সেগুলো অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে এগুলো একত্রে বাস্তবায়ন সম্ব হয় না। তাই এসব কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়। তাই বলা যায়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সমষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
53
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রশিদের কাজের ধারা স্বল্পমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাকে নির্দেশ করছে।

এ ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে দ্বি-বার্ষিক ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলা হয়। বাণিজ্যের প্রসার, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্য সামাজিক স্বার্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন করা দরকার। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এক বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সময়সীমা বিবেচনা করে এই পরিকল্পনা করা হয়। সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অনিশ্চয়তা হ্রাস করে। এ ধরনের পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথ ত্বরান্বিত করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। উন্নয়ন কর্মসূচিগুলোর সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

অতএব বলা যায়, স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা এমন কিছু পরিকল্পনা, যেখানে জাতীয় স্বার্থ অন্তর্নিহিত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
52
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রশিদের কাজের ধারা স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে। আবার ইউনুসের কাজের ধারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করছে। এ দুই ধরনের পরিকল্পনা দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত। নিচে এই দুই ধরনের পরিকল্পনার তুলনা করা হলো-

সাধারণ সময়সীমার মধ্যে কতগুলো সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। পক্ষান্তরে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য কোনো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্বাচন করে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে।
সাধারণত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সময় ১-৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মেয়াদ ১০-২৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ভেতর ব্যক্তির ক্ষুদ্রস্বার্থ বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থ ক্ষুদ্র স্বার্থ অপেক্ষা অগ্রাধিকার পায়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা একটি অস্থায়ী পরিকল্পনা। এর মধ্যে অর্থনৈতিক অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থাকতে পারে। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভেতর অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তসমূহের স্থয়িত্ব, অস্তিত্ব, সঠিক কর্মদক্ষতা ও দিকনির্দেশনা থাকে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা অর্থনৈতিকভাবে কম কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা গ্রহণে সহায়ক। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অর্থনৈতিকভাবে অধিক কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা গ্রহণে সহায়ক।

অতএব স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
52
উত্তরঃ

পাঁচ বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ পনেরো বছর পর্যন্ত সময়সীমার পরিকল্পনাই মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
53
উত্তরঃ

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় ১৯৭৩ সালে। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সরকারি খাতের ব্যয় বরাদ্দের ৮১% ও বেসরকারি খাতের ব্যয় বরাদ্দের ৪৯.১১% অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়। বার্ষিক জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৫.৫-এর স্থলে প্রকৃত বৃদ্ধি হয়েছিল ৪% হারে। বার্ষিক মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য ২.৫% ধরা হলেও পরিকল্পনা শেষে তা বার্ষিক ১.১% হারে বৃদ্ধি পায়। জিডিপির বার্ষিক ১৫.২% হারে সঞ্চয় আহরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সঞ্চয় আহরণের হার ছিল ৩.৯%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
64
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews