কোনো দেশের পক্ষে একা একা সব চাহিদা পূরণ এবং সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয় না বলে বর্তমান যুগকে পরস্পর নির্ভরশীলতার যুগ বলা হয়।
সাধারণত বর্তমান যুগের কোনো দেশই তার চাহিদার সব প্রয়োজন নিজেরা পূরণ করতে পারে না। এছাড়া দেশগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তাই এসব সমস্যার সমাধান এবং চাহিদা পূরণের জন্য দেশগুলোকে পরস্পরের ওপর নির্ভর করতে হয়। এ কারণে বর্তমান যুগকে পরস্পর নির্ভরশীলতার যুগ বলা হয়।
Related Question
View All১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
জাতিসংঘের একটি মৌলিক নীতি হলো- জাতিসংঘের সকল দিস্য রাষ্ট্র সমান মর্যাদা ও সমান সার্বভৌমত্বের অধিকারী হবে।
প্রতিসংঘের সদস্যভুক্ত কোনো রাষ্ট্র অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় অধিক মর্যাদার ধিকারী হবে না বা বঞ্চিত হবে না এবং সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রেও সকলের ধিকার সমান হবে। কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ রতে পারবে না।
উদ্দীপকের দুই ইউনিয়নের বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াটি জাতিসংঘের যে নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা হলো, সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে।
বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতার মহান লক্ষ্য নিয়ে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ সাতটি মৌলিক নীতি ঘোষণা করেছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নীতি হলো- সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে।
উদ্দীপকের 'ক' উপজেলার অন্তর্গত সকল ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২০১২ সালে 'ক' উপজেলার চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে কিছু নীতিমালা করা হয়। এর ফলে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষ নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুটি ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে 'ক' উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়, যা জাতিসংঘের অন্যতম নীতি তথা 'সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে'- এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ক' উপজেলার শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টার অনুরূপ-উক্তিটি যথার্থ।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার একটি প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা। সূচনালগ্ন থেকেই বিশ্বশান্তি রক্ষার প্রধান দায়িত্ব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উপর ন্যস্ত। ফলে বিশ্বের কোথাও আন্তর্জাতিক শান্তি বিরোধী কোনো কাজ সংঘটিত হলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এভাবে জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি রক্ষায় ভূমিকা পালন করে থাকে। দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা অর্জন এর অন্যতম উদাহরণ।
উদ্দীপকের 'ক' উপজেলার ক্ষেত্রে দেখা যায়, উপজেলার সব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা একত্রিত হয়ে উপজেলার চেয়ারম্যানকে পরিষদের সভাপতি করে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কিছু নীতিমালা করেন। একইসাথে প্রতিটি ইউনিয়নের বিরোধ মীমাংসা, উন্নয়ন এবং এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ শুরু করেন। ফলে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষ নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়।
উপরের আলোচনায় এটি সুস্পষ্ট যে, জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সাথে 'ক' উপজেলার শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সাদৃশ্যপূর্ণ।
জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের নাম অ্যান্টনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘের অন্যতম কাজ হলো আঞ্চলিক সংস্থাসমূহের সহযোগিতা গ্রহণ করা।
নিজেদের জন্য উন্নয়ন ও শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি পৃথিবীতে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থাও গড়ে উঠেছে। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে সার্ক, আসিয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রভৃতি। জাতিসংঘ এসব সংস্থার সহযোগিতা গ্রহণ করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!