বর্তমান সরকার রূপকল্প ২০১০-২০২১ এর আওতায় ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১০-২০১৫ এবং সম্প্রতি ৭ম পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি বর্তমানে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ৯২ হাজার ৫শত কোটি টাকার ব্যয় বরাদ্দ সংবলিত বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা (ADP)'র অন্তর্গত ১২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন আছে। সরকার আশা করছে এসব উন্নয়ন পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের সাহায্যে দারিদ্র্য বিমোচন করে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সচেতনভাবে পরিকল্পিত ও প্রণীত আর্থসামাজিক কর্মসূচিই হলো উন্নয়ন পরিকল্পনা।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

নির্দেশভিত্তিক পরিকল্পনা সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহে প্রণয়ন করা হয়ে থাকে। এ পরিকল্পনায় অবাধ বাজার প্রক্রিয়াকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। নির্দেশ ভিত্তিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। দেশের সব সম্পদ ও উপাদানের উপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠিত থাকায় কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কর্তৃক সরাসরি সম্পদ সংগ্রহ করা যায়। এ পরিকল্পনায় সময় বা অর্থের কোনো প্রকার অপচয় সংঘটিত হয় না বলেই অপেক্ষাকৃত সুনিশ্চিত ফলাফল পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

সময় মেয়াদের ভিত্তিতে উদ্দীপকে উল্লেখিত উন্নয়ন পরিকল্পনাসমূহের শ্রেণিবিভাগ নিচে আলোচনা করা হলো-

সময় মেয়াদের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়; যথা- (১) দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; (২) মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা; (৩) বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী প্রত্যাশিত চিত্ররূপকে সামনে রেখে দীর্ঘ সময়, যেমন- ১০, ১৫ বা ২০ বছরের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বলে। মানুষের জীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা, রুচি, প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদি পরিবর্তনশীল বলে কোনো দেশে বাস্তবে আজ পর্যন্ত ৩০ বছর ঊর্ধ্ব সময়সীমার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়নি।

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা: পাঁচ বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ তিনটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত করে, এমন ধরনের পরিকল্পনাকে বেশিরভাগ অর্থনীতিবিদ মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। তবে এরূপ পরিকল্পনার সময়সীমা বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উপাদান এমনকি আঞ্চলিক বিষয় দ্বারাও প্রভাবিত হয়।

বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা: সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থসামাজিক লক্ষ্য অর্জনে নির্দিষ্ট বর্ষে বাস্তবায়নের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকে বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বলা হয়। এটি একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা; এ ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, সময় মেয়াদের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা তিন প্রকার; যথা- দীর্ঘমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের মনোভাবের যথার্থতা নিচে যাচাই করা হলো-

একটি রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির জন্য উন্নত অর্থনৈতিক কাঠামো দরকার, যার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রয়োজন। এই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন ঐ রাষ্ট্রের সরকার করে থাকে। সরকার দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে এবং এই উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী ও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পূরণ করে। সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়। এসব সমস্যা সমাধান করে সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে থাকে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় দেখা যায় সরকার দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ২০১০-২১ সাল মেয়াদি এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দেশের দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত করা, জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস করা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দুটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সরকার ধীরে ধীরে তাদের কাজ সম্পাদন করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকার দারিদ্র্যের হার ৩১.৫%-এ নামিয়ে এনেছে। মাথাপিছু আয় ১৩১৪ ডলারে উন্নীত করেছে। সার্বিক GDP ৭-এর ঊর্ধ্বে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৬ এ নামিয়ে আনা হয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের মনোভাবে ইতিবাচক দিকগুলো প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
19
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণত কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে যেসব কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে জাতীয় স্বার্থে সেগুলো অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে এগুলো একত্রে বাস্তবায়ন সম্ব হয় না। তাই এসব কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়। তাই বলা যায়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সমষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
53
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রশিদের কাজের ধারা স্বল্পমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাকে নির্দেশ করছে।

এ ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে দ্বি-বার্ষিক ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলা হয়। বাণিজ্যের প্রসার, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্য সামাজিক স্বার্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন করা দরকার। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এক বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সময়সীমা বিবেচনা করে এই পরিকল্পনা করা হয়। সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অনিশ্চয়তা হ্রাস করে। এ ধরনের পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথ ত্বরান্বিত করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। উন্নয়ন কর্মসূচিগুলোর সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

অতএব বলা যায়, স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা এমন কিছু পরিকল্পনা, যেখানে জাতীয় স্বার্থ অন্তর্নিহিত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
52
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রশিদের কাজের ধারা স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে। আবার ইউনুসের কাজের ধারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করছে। এ দুই ধরনের পরিকল্পনা দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত। নিচে এই দুই ধরনের পরিকল্পনার তুলনা করা হলো-

সাধারণ সময়সীমার মধ্যে কতগুলো সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। পক্ষান্তরে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য কোনো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্বাচন করে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে।
সাধারণত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সময় ১-৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মেয়াদ ১০-২৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ভেতর ব্যক্তির ক্ষুদ্রস্বার্থ বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থ ক্ষুদ্র স্বার্থ অপেক্ষা অগ্রাধিকার পায়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা একটি অস্থায়ী পরিকল্পনা। এর মধ্যে অর্থনৈতিক অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থাকতে পারে। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভেতর অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তসমূহের স্থয়িত্ব, অস্তিত্ব, সঠিক কর্মদক্ষতা ও দিকনির্দেশনা থাকে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা অর্থনৈতিকভাবে কম কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা গ্রহণে সহায়ক। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অর্থনৈতিকভাবে অধিক কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা গ্রহণে সহায়ক।

অতএব স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
53
উত্তরঃ

পাঁচ বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ পনেরো বছর পর্যন্ত সময়সীমার পরিকল্পনাই মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
53
উত্তরঃ

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় ১৯৭৩ সালে। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সরকারি খাতের ব্যয় বরাদ্দের ৮১% ও বেসরকারি খাতের ব্যয় বরাদ্দের ৪৯.১১% অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়। বার্ষিক জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৫.৫-এর স্থলে প্রকৃত বৃদ্ধি হয়েছিল ৪% হারে। বার্ষিক মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য ২.৫% ধরা হলেও পরিকল্পনা শেষে তা বার্ষিক ১.১% হারে বৃদ্ধি পায়। জিডিপির বার্ষিক ১৫.২% হারে সঞ্চয় আহরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সঞ্চয় আহরণের হার ছিল ৩.৯%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
65
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews