বর্তমান সরাকরের বিগত ১০ বছরের বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্জন/সফলতাগুলো লিখুন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশঃ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়শীল দেশে উত্তোরণ ঘটেছে। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে যোগ্যতা অর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষনা দেয়। এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের জন্য মাথাপিছু আয়, মানব সম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরত সূচক এ তিনটি সূচকের যে কোন দুটি অর্জনের শর্ত থাকলেও বাংলাদেশ তিনটি সূচকের মানদণ্ডেই উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু আয়ের মানদন্ড অনুযায়ী কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলার থাকতে হবে। যা বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় থেকে অনেক কম। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক হতে হবে ৩২ ভাগ বা এর কম যেখানে, বাংলাদেশের রয়েছে ২৪.৮ ভাগ ।

বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। 

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় উঠে আসে, জন্মের ৫০ বছরের কম সময়ের মধ্যে কীভাবে বাংলাদেশ দ্রুতপতিসম্পন্ন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মতো সফলতা দেখাতে পেয়েছে ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব, দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা: SDG অর্জন, SDG বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা, কৃষি, দারিদ্রসীমা হ্রাস, গড় আয় বৃদ্ধি, ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল, রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দোর, পদ্মা সেতু, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ।

শিক্ষা খাতে অর্জনঃ শিক্ষা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে সরকার শতভাগ ছাত্রছাত্রীর মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম নেয়। নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নেবার জন্য চালু করেছে উপবৃত্তির ব্যবস্থা। বর্তমানে ২৬ হাজার ১৯৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৬ টি হওয়া শিশুর শতকরা হার ৯৭.৭ ভাগ। গরিব ও মেধাবী ছাত্র- ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন-২০১২” প্রণয়নকরা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবায় অর্জনঃ শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ বিশে অন্যতম আদর্শ দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতকে যুগোপযোগী করতে প্রনয়ণ করা হয়েছে “জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা-২০১১”। তৃণমূল পর্যায় স্বাস্থ্য সেবা দিতে তৈরি করা হয় ১২ হাজার ৭৭৯ টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ৩১২ টি উপজেলা হাসপাতালকে উন্নীত করা হয়েছে ৫০ শয্যায়। মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালগুলোতে ২ হাজার শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নবজাত মৃত্যু ও মাতৃ মৃত্যুর হার কমেছে। স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে ১২ টি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ ও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৭ হাজারেরও বেশি জনশক্তি ।

নারী ও শিশু উন্নয়নের অর্জনঃ নারীর সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে “জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১”। “জাতীয় শিশু নীতি-২০১১” প্রণয়নের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হয়েছে শিশুদের সার্বিক অধিকারকে। দেশের ৪০টি জেলার সদর হাসপাতাল ও ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হয়েছে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল। দরিদ্র্যশীশুদের জন্য স্থাপন করা হয় ১৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র । এজন্য প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ সাউথ এওয়ার্ডে ভূষিত করে।

নারীর ক্ষমাতায়নে অর্জনঃ পোশক শিল্পে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ দেশ। এই শিল্পের সিংহভাগ কর্মী হচ্ছে নারী। ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে ৮০% এর উপর নারী ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনঃ দেশের প্রায় ৪৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ইউনিয়ন পর্যায় ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টালের সংখ্যা প্রায় ২৫,০০০। মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ৩৭ লক্ষ। ইন্টারনেটের গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৪৬ লক্ষ। প্রযুক্তির মোবইল নেটওয়ার্ক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।

কৃষিতে কৃতিত্ব ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতাঃ ধানের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ মেট্রিক টন। প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর সরাসরি সহায়তায় বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম আবিষ্কার করেছেন পাটের জিনোম সিকুয়েন্সি। সারা বিশ্বে আজ পর্যন্ত মাত্র ১৭টি জিনোম সিকুয়েন্সিং হয়েছে যারমধ্যে ড. মাকসুদ করেছেন ৩টি।

প্রবাসী শ্রমিকদের উন্নয়নে অর্জনঃ বর্তমানে বিশ্বের ১৫৭ টি দেশে বাংলাদেশের ৮৬ লক্ষ্যেরও অধিক শ্রমিক কর্মরত আছে। স্থাপন করা হয়েছে প্রবাসী কল্যান ব্যাংক। ২০১৪ সাল পর্যন্ত ২০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা অভিবসন ঋণ বিতরণ করে এই ব্যাংক ।

বিদ্যুৎখাতে সাফল্যঃ বিদ্যুৎখাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে জাতীয় গ্রীডে অতিরিক্ত ৬ হাজার ৩২৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযোজন, যার ফলে বিদ্যুতের সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৪৭ শতাংশ থেকে ৬২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। শিল্প বাণিজ্য খাতে অর্জনঃ বর্তমানে বাংলাদেশ আইটি শিল্প হতে ১০ কোটি মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় করেছে।

মন্দা মোকবেলায় সাফল্যঃ মন্দার প্রকোপে বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন বিপর্যস্থ ছিল বাংলাদেশ তখন বিভিন্ন উপযুক্ত প্রণোদনা প্যাকেজ ও নীতি সহায়তার মাধ্যমে মন্দা মোকাবেলায় সক্ষমই শুধু হয়নি, জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার গড়ে ৬ শতাংশের বেশি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। 

সরকারের শীর্ষ মহা প্রকল্পঃ পদ্মা বহুমুখী প্রকল্প বাস্তয়নে মোট ব্যয় ধরা হয় ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মেট্রোরেল প্রকল্প যা বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৪ সালকে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

রাম্পাল বিদ্যুৎকেন্দ্রঃ মৈত্রী সুপার মার্শাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা । রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ ২০১১ সালে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের প্রকল্পের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৮৭ কোটি টাকা ।

দোহাজারি ঘুমধুম রেলপ্রকল্পঃ পর্যটন সুবিধা বাড়াতে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন প্রকল্প । মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ গ্যাসের ক্রমবর্ধমান স্বল্পতার কারনে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের কাজ হাতে নেয় সরকার। ২০২৩ সাল নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে মনে করা হয়। পায়রা 

গভীর সমুদ্রবন্দরঃ দেশের তৃতীয় গভীর সমুদ্রবন্দর এটি এলএনজি টারমিনালঃ এলএনজি ভাসমান টার্মিনাল। কাতারের রাষ্ট্রয়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান রাসগ্যাস লেকে সরাসরি এই গ্যাস কিনবে
সরকার। এর আনুমানিক ব্যয় ১৮ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দরঃ এ প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে আজকের এই উত্তরণ যেখানে রয়েছে বা বন্ধুর পথ পারি দেবার ইতিহাস। এ সকল অর্জন সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ তত্ত্বাবধান ও দূরদৃষ্টি পরিকল্পনার মাধ্যমে।

350

রেনেসাঁর জনকঃ পেত্রার্ক (ইতালি)।

  • মুসলিম রেনেসাঁর কবিঃ ফররুখ আহমদ
  • বাঙালি রেনেসাঁর জনকঃ রাজা রামমোহন রায়।
  • বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে খ্যাতঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
  • বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রোহী কবিঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
  • শাহজালাল (রহ.) তুরস্কের অধিবাসী ছিলেন ও ইয়েমেন থেকে বাংলায় আসেন ।
  • ১৯৪৮-১৯৫২ সাল পর্যন্ত ১১ মার্চ ভাষা দিবস পালন করা হত।
  • আন্তর্জাতিক বইমেলাঃ ডিসেম্বর।
  • ঢাকা বইমেলাঃ জানুয়ারি।
  • একুশে বইমেলাঃ ফেব্রুয়ারি।
  • হেমন্ত মেলার আয়োজকঃ বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
  • বাণিজ্য মেলার আয়োজকঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
  • পূর্ব বাংলার প্রথম সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ঃ ইডেন গার্লস স্কুল ।
  • পূর্ব বাংলার প্রথম মহিলা কলেজঃ বেথুন কলেজ ।
  • ভারত শাসন আইন পাশ হয় : ১৯৩৫ সালে।
  • ভারত স্বাধীনতা আইন পাশ হয় : ১৯৪৭ সালে।
  • স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালীন জেলা ছিল ১৯টি।
  • পাকিস্তান শাসনামলে টাঙ্গাইল ও পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়।
  • স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম নবগঠিত জেলা : জামালপুর (১৯৭৮)।
  • বাংলাদেশের বেশিরভাগ জেলা গঠিত হয় : ১৯৮৪ সালে ।
  • স্বাধীনতার পূর্বে বিভাগ ছিল : ৪টি (ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহী-খুলনা) ।
  • বৃহত্তর জেলা : ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যে সকল জেলা বিদ্যমান ছিল সেগুলোকে বৃহত্তর জেলা বলা হয়। দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ববঙ্গে ১৫টি জেলা ছিল। ১৯৪৭ সালে নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬টি। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭টি।
  • ফয়েজ লেক-চট্টগ্রাম(পাহাড়তলী)
  • বগালেক- বান্দরবান (রুমা)
  • প্রান্তিক হ্রদ- বান্দরবান(হলুদিয়া)
  • বাংলাদেশে শীতল পানির ঝর্না - হিমছড়ি
  • বাংলাদেশের উষ্ণ পানির ঝর্না - সীতাকুণ্ড।
  • বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ -তাজিংডং বা বিজয়
  • বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড় - গারোপাহাড়
  • জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়-১৭ অক্টোবর ১৯৭২(পর্যবেক্ষক)
  • বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়-১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  • সাইবারসিটি- সিলেট
  • Healthy city- Chattagram
  • Silk city- Rajshahi Statue of liberty-Manhattan, Newyork city
  • বিশ্বের সর্বোচ্চ ভাস্কর্য Statue of Unity- ভারতের গুজরাটে।
  • পিস স্ট্যাচু-নাগাসাকি, জাপান
  • স্ট্যাচু অব পিস-সিউল,দক্ষিণ কোরিয়া
  • তাম্রলিপ্ত-জনপদ
  • তাম্রলিপি- শাসনাদেশ।
  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোন-EU
  • রংধনু যার প্রতীক- স্বাস্থ্যসেবার সবুজ ছাতা - স্বাস্থ্য পরিচর্যা সেবার
  • সূর্যের হাসি-পারিবারিক স্বাস্থ্যসেবার
  • সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আসে-যুক্তরাষ্ট্র
  • সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে-সৌদি আরব
  • বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  • বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  • ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে(বাংলায়)আসেন-দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে।
  • হিউয়েন সাং ভারতে আসেন-৬৩০ খ্রি.
  • হিউয়েন সাং বাংলায় আসেন-৬৩৮ খ্রি. (হর্ষবর্ধনের আমলে)
  • ইবনে বতুতা ভারতে আসেন- ১৩৩৩ ( তুগলকের আমলে)
  • ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন- ১৩৪৫-৪৬ (ফখরুদ্দিন মোবারক শাহর আমলে)
  • রাঙ্গামাটির রাজাকে বলে-চাকমা রাজা
  • বান্দরবানের রাজাকে-মোবাং রাজা
  • খাগড়াছড়ির রাজাকে -মং রাজা
  • বাংলাদেশে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়-ডিসেম্বর, ১৯৯০ - ৫ এপ্রিল,
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন ১৯৯১ (পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন)
  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোন-TWO
  • কত সে.মি এর ছোট ইলিশ মাছের পোনা ধরা নিষেধ - ২৫ সে.মি.
  • ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-চাঁদপুরে
  • মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট -ময়মনসিংহে
  • প্রথম ইপিজেড- চট্টগ্রাম আয়তনে বড় ইপিজেড-ঢাকা
  • কৃষিভিত্তিক ইপিজেট- উত্তরা ইপিজেড, নীলফামারী
  • এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-লন্ডন
  • ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল-জার্মানি
  • জাতীয় জনসংখ্যা দিবস-২ ফেব্রুয়ারি
  • বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-১১ জুলাই
  • বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি লোক কথা বলে-ইংরেজিতে
  • ভাতৃভাষার বিবেচনায় বেশি লোক কথা বলে - মান্দারিনে
  • ব্রি ২৮=বন্যা প্রবণ এলাকার জন্য
  • ব্রি ৩৩= উত্তরবঙ্গে মঙ্গা এলাকার জন্য
  • ব্রি ৪০/৪১= উপকূলীয় লবণাক্ত এলকার জন্য
  • ব্রি ৫৬/৫৭=খরা প্রবণ এলাকার জন্য
  • রাষ্ট্রপতি পুরস্কার - কৃষি উন্নয়নের জন্য
  • প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার -বৃক্ষ রোপনের জন্য
  • শিখা চিরন্তন অবস্থিত -সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
  • শিখা অনির্বাণ অবস্থিত - ঢাকা সেনানিবাসে
  • বাকল্যান্ড বাঁধ যে নদীর তীরে- বুড়িগঙ্গা নদীর (১৮৬৪)
  • ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর তীরে ( বাংলাদেশ থেকে ১৬.৫ কি.মি দূরে পশ্চিমবঙ্গে)
  • টিপাইমুখী বাঁধ- বরাক নদীর উজানে ( পূর্বাঞ্চল, সিলেট, ভারত)
  • তিস্তাবাঁধ কোন নদীর তীরে- তিস্তা নদীর ( নীলফামারী,রংপুর ও দিনাজপুর এলাকা জুড়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প)
  • গজলডোবা বাঁধ - তিস্তা নদীর উপর ( ভারতীয় অংশ,পশ্চিমবঙ্গ)
  • টাইগার পয়েন্ট -সুন্দরবন আর এলিপেন্ড পয়েন্ট- কক্সবাজার
  • জাতীয় সংসদে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস- ১৯৯৬
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে মোট নির্বাচন - ৪টি (১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮)
  • বাংলাদেশে দুবার গণভোটের আয়োজন করা হয়।
  • মোট কতটা সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়- ৪টি (৫ম, ৭ম, ১৩তম, ১৬তম)
  • বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর- ইউনিয়ন পরিষদ।
  • পুলিশ একাডেমি - সারদা, রাজশাহী
  • মিলিটারি একাডেমি - ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম
  • নেভাল একাডেমি - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
  • এয়ারফোর্স ট্রেনিং সেন্টার - যশোর
  • ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে প্রথম ভারতে আসে-পর্তুগিজরা
  • ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে অবশেষে ভারতে আসে ফরাসিরা
  • যুক্তরাষ্ট্র আলাস্কা রাজ্যটি কিনে-রাশিয়ার কাছ থেকে (১৮৬৭)
  • যুক্তরাষ্ট্র লুইজিয়ানা রাজ্যটি কিনে ফ্রান্সের কাছ থেকে। (১৮০৩)
  • যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা -ফেয়ার ফ্যাক্স
  • যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা- ব্লাক ওয়াটার
  • আইফেল টাওয়ার - প্যারিস, ফ্রান্স
  • টুইন টাওয়ার - নিউইয়ার্ক,যুক্তরাষ্ট্র
  • বাংলাদেশ স্কয়ার- লাইবেরিয়া
  • বঙ্গবন্ধু স্কয়ার - ফ্রান্স
  • বঙ্গবন্ধু সংবাদ সংস্থা - কলকাতায়
  • পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ -মাউন্ট এভারেস্ট
  • পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতমালা- হিমালয়
  • পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী- আন্দিজ পর্বতমালা
  • চা বোর্ড -চট্টগ্রাম (১৯৭৭)
  • চা গবেষণাগার-শ্রীমঙ্গল
  • প্রথম চা চাষ হয়-চট্টগ্রাম (১৮৪০)
  • বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা চাষ-মালনী ছড়া, সিলেট (১৮৫৪)
  • বাংলাদেশ জাতিসংঘের- ১৩৬তম সদস্য 
  • বাংলাদেশ ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয়- ২১ নভেম্বর ১৯৭১

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় ২০১০ সালে তরুণ একদল বিজ্ঞানীকে নিয়ে তোষা পাটের জিন নকশা উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক মাকসুদুলের নেতৃত্বে পরে ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ছত্রাকের জিন-নকশা উন্মোচন করেন; যা পাটসহ প্রায় ৫০০ উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা দেয়। WIPO এর পূর্ণরূপ হলো World Intellectual Property Organization. এটি বিভিন্ন মেধাস্বত্ত্বের স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।

339
উত্তরঃ

‘মুজিববর্ষ' ঘোষণা করা হয়েছে ১৭ মার্চ ২০২০ সাল থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত।

180
উত্তরঃ

মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার হলেন শিল্পী সব্যসাচী হাজরা।

171
উত্তরঃ

৫ এপ্রিল ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek এর সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স তাঁর প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' (Poet of Politics) বলে আখ্যায়িত করেছেন ।

198
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews