বাঁশবাগানের পাশটি দিয়ে পাড়ার পথটি বাঁকা,

পথের ধারে গলাগলি সজনে গাছের শাখা,

গোরুর গাড়ির চাকায় পথে শুকায় নাকো কাদা,

কোথাও বা তার বেড়ার পাশে ঘুঁটে ছায়ের গাদা;-

তবু আমার জন্মভূমি স্বর্গপুরী,

বিশ্বশোভা ঐখানেতে গেছে চুরি!

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

'ডিঙা' অর্থ ছোট নৌকা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

শিশু মনের আনন্দে খইয়ের ধান উঠানে ছড়ায়।

আবহমান গ্রামবাংলায় কৃষক-বধূরা উঠানে খইয়ের ধান শুকাতে দেয়। তখন তাদের শিশুরা সেই উঠানে খেলার ছলে মনের আনন্দে ঐ ধান ছড়িয়ে দেয়। বাংলার গ্রামীণ জীবনে চিরচেনা এ দৃশ্য কবির হৃদয়ে ছায়াপাত করেছে। মৃত্যুর পরেও স্বদেশের নানা অনুষঙ্গে কবি নিজের অস্তিত্বের অবস্থান তুলে ধরেছেন। কৃষক-বধূ খইয়ের ধান শিশু কর্তৃক ছড়িয়ে দেওয়া তার একটি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি কবির অনুরাগের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

বাংলাদেশের গ্রামীণ সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। স্বদেশের প্রকৃতির প্রতি মুগ্ধতা মানুষকে স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ কারণেই মানুষ নিজের দেশকে ভুলে থাকতে পারে না। তাই মৃত্যুর পরও মানুষ ষদেশের বুকে ফিরে আসতে চায়।

উদ্দীপকে গ্রামীণ প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্যের প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে বাঁশবাগানের পাশ দিয়ে বাঁকা পথের কথা বলা হয়েছে। পথের ধারে সজনে গাছের শাখা গলাগলি করে ধরে আছে। সেই পথে গরুর গাড়ি চলাচল করে। গাড়ির চাকায় পথের কাদা শুকায় না। সেখানে কোথাও কোথাও ঘুঁটে, ছাইয়ের গাদা দেখা যায়। গ্রামীণ জনপদের চিরচেনা এই রূপ কবির জন্মভূমির। বিশ্বের সমস্ত শোভা সেই রূপবৈচিত্র্যের কাছে ম্লান। স্বদেশের প্রতি কবির এ অনুরাগ 'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় প্রতিফলিত কবির অনুরাগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবি ষদেশের রূপবৈচিত্র্যে মুগ্ধ বলে মৃত্যুর পর শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে জন্মভূমির মাটিতে আবার ফিরে আসতে চেয়েছেন। স্বদেশের তুচ্ছ জিনিসগুলো তাঁর দৃষ্টিতে সুন্দর হয়ে ধরা পড়েছে। উদ্দীপকেও তুচ্ছ জিনিসগুলো কবির কাছে বিশ্বের সেরা বলে মনে হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

"মিল থাকলেও উদ্দীপকে 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। প্রকৃতি যেন নিজের হাতে সাজিয়েছেন এই অপরূপ দেশকে। এদেশের মানুষের হৃদয়জুড়ে মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা বিরাজমান।

'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এ কবিতায় কবি বাংলার নদী-মাঠ-খেতকে ভালোবেসে, শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে এদেশে ফিরে আসতে চেয়েছেন। কবি মনে করেন, মৃত্যুর পরও স্বদেশের সঙ্গে তার এ মায়ার কন্ধন ছিন্ন হবে না। উদ্দীপকে কবির এ ভাবনার প্রতিফলন ঘটেনি। সেখানে কেবল বাংলার রূপবৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়েছে এবং সেই সৌন্দর্যের প্রতি কবির মুগ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে। 'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় প্রতিফলিত কবির প্রত্যাশার দিকটি উদ্দীপকে নেই।

'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় কবির চোখে গ্রামবাংলার যে রূপবৈচিত্র্য ধরা পড়েছে তার সঙ্গে উদ্দীপকে প্রতিফলিত গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক রূপের মিল রয়েছে। কিন্তু কবিতায় কবি মৃত্যুর পরও তাঁর প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরে আসার যে প্রত্যাশা ও আকুতি প্রকাশ করেছেন, তা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। কবি এখানে পাখি, নদী, ফুল প্রভৃতি অনুষঙ্গের যে কথা বলেছেন, তারও যথার্থ প্রতিফলন উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় না। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
85

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায় 

হয়তো মানুষ নয়— হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে; 

হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে 

কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়; 

হয়তো বা হাঁস হবো— কিশোরীর ঘুঙুর রহিবে লাল পায়, 

সারাদিন কেটে যাবে কলমির গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে; 

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে 

জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়,

 

হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে, 

হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে, 

হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে; 

রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে 

ডিঙা বায়; – রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে 

দেখিবে ধবল বক; আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে –

Related Question

View All
উত্তরঃ

কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকতে চান বলে মানুষ না হলেও শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে এদেশে ফিরে আসতে চান।

কবি জানেন, মৃত্যুর মধ্য একদিন তাঁকে এদেশ থেকে বিদায় নিতে হবে। কিন্তু কবি তাঁর দেশকে ভালোবাসেন। প্রিয় জন্মভূমির অত্যন্ত সাধারণ জিনিসগুলোও তাঁর দৃষ্টিতে সুন্দর হয়ে ধরা পড়েছে। তিনি এদেশের বিভিন্ন রূপবৈচিত্র্যের অনুষঙ্গ হয়ে আবার ফিরে আসতে চান। তিনি তাই বলেন যে, মানুষ হয়ে তিনি আর এদেশে ফিরে আসতে না পারলেও প্রকৃতির বুকে শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে ফিরে আসবেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
339
উত্তরঃ

'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় উদ্দীপকের ফরাসি জাতির দেশপ্রেমের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে।

জন্মভূমির সন্তানদের কাছে জন্মভূমির অত্যন্ত সাধারণ জিনিসগুলোও অনেক মূল্যবান। মানুষ তাই প্রিয় জন্মভূমির রূপময় প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে চায়।

'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় উদ্দীপকের ফরাসি জাতির দেশপ্রেমের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে। অমিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে ফ্রান্সে যায়। সেখানকার সুপ্রশস্ত রাজপথ, উদ্যান, নির্মল প্রকৃতি তার খুবই ভালো লাগে। রাস্তাঘাট, রেলস্টেশন, বাস-স্টপেজ সব জায়গায় দেশি-বিদেশি স্মরণীয় ব্যক্তিবর্গের মূর্তি স্থাপনের মধ্য দিয়ে ফরাসিদের দেশপ্রেম প্রকাশ পায় যা 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার কবি জীবনানন্দ দাশের দেশপ্রেমের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিও বাংলাকে ভালোবেসে বাংলার প্রকৃতি ও পরিবেশের সৌন্দর্য প্রকাশ করেছেন। তাই বলা যায় যে, 'আবার আসিব ফিরে' কবিতাটি উদ্দীপকের ফরাসি জাতির দেশপ্রেমের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
161
উত্তরঃ

"অমিতের অনুভূতি আর জীবনানন্দ দাশের অনুভূতি সম্পূর্ণ ভিন্ন"- উক্তিটি যথার্থ।

জন্মভূমির প্রতি সবার অনুভূতি এক নয়। অনেকেই বিদেশে গিয়ে জন্মভূমিকে ছেড়ে থাকতে পারে না। আবার অনেকে বিদেশের সৌন্দর্যে মোহাচ্ছন্ন হয়ে জন্মভূমিকে ভুলতে বসে।

উদ্দীপকের অমিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে ফ্রান্সে যায়। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের সুপ্রশস্ত রাজপথ, বিচিত্র উদ্যান, নির্মল প্রকৃতি তার খুবই ভালো লাগে। তাদের ক্যাফে, মিউজিয়াম সবকিছুই তাকে আকৃষ্ট করে। উচ্চশিক্ষা শেষ করে অমিত স্থায়ীভাবে ফ্রান্সে থেকে যায়। ফরাসি সৌন্দর্যের মোহে ক্রমশ ধূসর হয়ে যায় তার স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা, স্বদেশের স্মৃতি। উদ্দীপকের অনুভূতি ও চেতনা সম্পূর্ণভাবে জীবনানন্দ দাশের চেতনা ও অনুভূতি থেকে ভিন্ন। কারণ দেশকে ভালোবেসে কবি পুনরায় যেকোনো রূপে স্বদেশে ফিরে আসতে চান।

'আবার আসিব ফিরে' কবিতার কবি তাঁর নিজের দেশকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। জন্মভূমির অতি তুচ্ছ জিনিসগুলো তাঁর দৃষ্টিতে সুন্দর হয়ে ধরা পড়েছে। উদ্দীপকের অমিত উচ্চশিক্ষার্থে ফ্রান্সে গিয়ে সেখানকার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তার অতীতের স্মৃতি ধূসর হয়ে যায়। আর কবি মৃত্যুর পরও শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে হলেও ফিরে আসতে চান তাঁর জন্মভূমির রূপময় আকর্ষণের টানে। এ বিষয় থেকে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, অমিতের অনুভূতি আর জীবনানন্দ দাশের অনুভূতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
137
237
উত্তরঃ

'বাংলার সবুজ করুণ ডাঙা' বলতে সবুজ প্রকৃতি ঘেরা বিষণ্ণ বাংলাদেশকে বোঝানো হয়েছে।

কবি জীবনানন্দ দাশের চোখে তাঁর জন্মভূমি সবচেয়ে সুন্দর। চারদিকে সবুজের ছড়াছড়ি। অসম্ভব সৌন্দর্যের মাঝে বিষণ্ণতাও থাকে। সেই সৌন্দর্য ও বিষণ্ণতা এক সঙ্গে প্রকাশ করতে কবি বাংলাকে সবুজ করুণ ডাঙ্গা আখ্যায়িত করে উক্তিটি করেছেন। তবে যেমনই হোক তিনি মৃত্যুর পরেও এই বাংলায় ফিরে আসতে চান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
664
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews