বাংলা 

বিষয় কোড: ০০১

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

শব্দ গঠন বা সাধিত শব্দ গঠন: 

যে যে উপায়ে বা পদ্ধতিতে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব উপায় বা পদ্ধতিকে বলা হয় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া। বিভিন্ন উপায়ে বা প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠিত হয়। উপায়গুলো নিম্নরূপ:

ক. উপসর্গযোগে শব্দ গঠন: শব্দের শুরুতে উপসর্গ বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: আ + হার = আহার, প্র + হার = প্রহার, বি + হার = বিহার, অনা + হার = অনাহার ইত্যাদি।

খ. সন্ধিযোগে শব্দ গঠন: পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। দুটি বর্ণ বা ধ্বনি মিলে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, সু + আগত = স্বাগত, দেব+ ঋষি = দেবর্ষি ইত্যাদি।

গ. প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন: প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: ডুব্‌ + অন্ত ডুবন্ত, ইতর + আমি = ইতরামি ইত্যাদি।

ঘ. সমাসযোগে শব্দ গঠন: পরস্পর অর্থ সংগতি বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক পদ একপদে পরিণত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: নীল যে আকাশ = নীলাকাশ, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।

ঙ. শব্দ দ্বৈত বা দ্বিরুক্তি যোগে শব্দ গঠন: একই শব্দ দুইবার ব্যবহার করে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে। যেমন: জ্বর জ্বর, কালো কালো ইত্যাদি।

চ. পদাশ্রিত নির্দেশক যোগে শব্দ গঠন: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি, টুকু, টে, গুলা, গুলো, গুলিন, টুকুন, কেতা, পাটি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যোগে নতুন শব্দ গঠন করা যায়। যেমন: কলম + টি = কলমটি, দুধ + টুকু = দুধটুকু, আম + গুলো = আমগুলো ইত্যাদি।

ছ. পদ পরিবর্তন করে শব্দ গঠন: অনেক সময় পদ পরিবর্তন করে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: সুন্দর > সৌন্দর্য, লবণ> লাবণ্য, মানব > মানবিক, মধুর মাধুর্য, লোক > লৌকিক ইত্যাদি।

জ. বিভক্তি যোগে শব্দ গঠন: বিভক্তি যোগ করে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: কলম এ কলমে, খাতায় খাতায়, মানুষ + এর = মানুষের ইত্যাদি।

ঝ. বহুবচনের মাধ্যমে শব্দ গঠন: বহুবচনবাচক শব্দযোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: গ্রন্থ আবলি = গ্রন্থাবলি, পাখি সব পাখিসব ইত্যাদি।

ঞ. বাক্য সংকোচনের মাধ্যমে শব্দ গঠন: যেমন লাভ করার ইচ্ছা = লিপ্সা, হনন করার ইচ্ছা = জিঘাংসা, খ (আকাশে) তে চড়ে যে = খেচর ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান অনুসারে বিদেশি শব্দের বানানের নিয়ম:

১. বাংলায় বিদেশি শব্দের আদিতে বর্ণবিশ্লেষ সম্ভব নয়। এগুলো যুক্তবর্ণ দিয়ে লিখতে হবে। যেমন: স্টেশন, স্ট্রিট। তবে অন্য ক্ষেত্রে বিশ্লেষ করা যায়। যেমন: মার্কস, শেকসপিয়র ইত্যাদি।

২. বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ষ' ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। যেমন: কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, জিনিস, মসলা, সাদা ইত্যাদি। 

৩. বিদেশি শব্দের বানানে ই-কার হবে। যেমন: বেআইনি, শহিদ, লাইব্রেরি ইত্যাদি। 

৪. বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' না হয়ে 'ন' ব্যবহৃত হবে। যেমন: গ্রিন, হর্ন, মর্নিং ইত্যাদি। 

৫. বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি অনুযায়ী লিখতে হবে। যেমন: কাগজ, জাদু, জাহাজ-জুলুম ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যান ব্যাক্তিদের সৌজন্যতায় সবাই মুগ্ধ হয়। = বিদ্বান ব্যক্তিদের সুজনতায় / সৌজন্যে সবাই মুগ্ধ হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তোমার কি হয়েছে, বলবে কি? = তোমার কি হয়েছে, বলবে কী?

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইহার আবশ্যক নাই। = ইহার আবশ্যকতা নাই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল। = তার দু'চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঘটনার প্রেক্ষিতে কাজটি করলেও তিনি সম্পূর্ণ নিরপরাধী। = ঘটনার প্রেক্ষিতে কাজটি করলেও তিনি সম্পূর্ণ নিরপরাধ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অসারের তর্জন-গর্জন সার = অক্ষমতা সত্ত্বেও বড়াই করা। বাক্য রচনা: ওর চিৎকার-চেঁচামেচি দেখে ভয় পেয়ো না, ওর কিছুই করার সাহস নেই অসারের তর্জন-গর্জন সার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গরিবের ঘোড়া রোগ = অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা। বাক্য রচনা: নিজের খাবারেরই অভাব, অথচ দামি গাড়ি কিনতে চায়-এ যেন গরিবের ঘোড়া রোগ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জুতো সেলাই থেকে চণ্ডী পাঠ = ছোটবড় সব কাজ। বাক্য রচনা: অফিসে ও একাই সব কাজ করে-জুতো সেলাই থেকে চণ্ডী পাঠ সবই সামলায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেঁড়া = হঠাৎ অপ্রত্যাশিত সৌভাগ্য লাভ। বাক্য রচনা: এতদিনে ওর একটা চাকরি হলো, সত্যিই বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেঁড়া।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিসেবের গরু বাঘে খায় না = হিসেব রাখা জিনিস নষ্ট হয় না। বাক্য রচনা: আমি সব সময় খরচের হিসেব লিখে রাখি, কারণ হিসেবের গরু বাঘে খায় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে। (যৌগিক) = রূপান্তর: মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ধনীরা প্রায়ই কৃপণ হয়। (জটিল) = রূপান্তর: যারা ধনী, তারা প্রায়ই কৃপণ হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে রক্ষক, সেই ভক্ষক। (সরল) = রূপান্তর: রক্ষকই ভক্ষক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এভাবে সমাজ চলে না। (অস্তিবাচক) = রূপান্তর: এভাবে সমাজ অচল হয়ে পড়ে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমি এ ঘরে থাকব। (নেতিবাচক) = রূপান্তর: আমি এ ঘরে না থেকে পারব না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন, বিলাস ধন নহে।

মূলভাব: যে অর্থ মানুষের উপকারে আসে, সেটিই প্রকৃত ধন। শুধুমাত্র ভোগবিলাসে ব্যয়িত অর্থ কখনো প্রকৃত ধন হতে পারে না।

সম্প্রসারিত ভাব: প্রতিটি মানুষ নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে। এই উপার্জনের যথার্থতা তখনই প্রমাণিত হয়, যখন তা সমাজ ও মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা হয়। ধন দিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব, কিন্তু অনেকেই এই অর্থ শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে ব্যয় করে থাকেন। কেউ কেউ ধন সঞ্চয়ে লিপ্ত থাকে, আবার কেউ অযথা অপব্যয়ে আনন্দ খোঁজে। এসব অর্থ যদিও তাদের ব্যক্তিগত ভোগে লাগে, কিন্তু তাতে সমাজের কোনো কল্যাণ সাধিত হয় না। কোনো ব্যক্তি যদি নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিয়ে সমাজের দরিদ্র ও নিপীড়িত মানুষদের উপেক্ষা করে, তবে তা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়।

যদি ধনী ব্যক্তি সমাজ ও দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের উপার্জিত অর্থ ব্যয় করেন, তবে তা অনেক গরীব ও অভাবগ্রস্ত মানুষের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হতে পারে। তাই আমাদের মনে রাখা উচিত, ধন তখনই অর্থবহ ও মর্যাদাসম্পন্ন হয়, যখন তা জনকল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

সত্যিকারের ধন সেই, যা মানব কল্যাণে ব্যয় করা হয়। নিজের উপার্জিত অর্থ যদি মহৎ কাজে লাগে, তবে তবেই তার আসল মূল্য ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কবি বিশাল পৃথিবীর জ্ঞান অর্জনের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ভুগছেন। তিনি জানেন, পৃথিবীতে অসংখ্য নগর, রাজধানী, মানুষের কীর্তি, নদী, পর্বত, মরুভূমি, অজানা প্রাণী ও অপরিচিত গাছপালা রয়েছে। বিশাল বিশ্বের এই বিশালতার কাছে তার জ্ঞান অত্যন্ত নগণ্য মনে হচ্ছে। এই ক্ষোভে তিনি বই ও ভ্রমণবৃত্তান্ত পড়েন, যেখানে লেখকরা অক্ষয় উৎসাহে বিশ্বের বিভিন্ন দিকের বর্ণনা দিয়েছেন। কবি এই বর্ণনা থেকে অনুপ্রেরণা পান এবং নিজের জ্ঞানের অভাব পূরণ করার চেষ্টা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ সম্বন্ধে জানার প্রধান অবলম্বন হলো চর্যাপদ। বহু বাংলা শব্দের বিবর্তনের ধারা খুঁজে পেতে এই গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলা কবিতার মধ্যে যে অন্ত্যমিল লক্ষ করা যায়, তার উৎসও বলা যায় চর্যাপদকে। চর্যাপদে ব্যবহৃত কিছু প্রবাদ ও রূপকল্প পরবর্তীকালে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। এসব কারণে চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যে অপরিসীম গুরুত্ব বহন করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে লেখক বড়ু চণ্ডীদাস তৎকালীন গ্রামীণ জীবনের পরিচয় অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কাব্যের ১৩টি খণ্ডের নামকরণের মধ্যেই তৎকালীন গ্রামীণ জীবনের ছবি ফুটে উঠেছে। যেমন: তাম্বুল, নৌকা, বৃন্দাবন, বংশী, যমুনা খণ্ড। অর্থাৎ পান, নৌকা, বন, বাশি স্বাভাবিকভাবেই গ্রামীণ জীবনেরই অনুষঙ্গ। এছাড়া কৃষ্ণ-রাধা ও বড়াই চরিত্রের মধ্যেও গ্রামীণ মানুষের স্বভাব বৈশিষ্ট্য উঠে এসেছে। রাধাকে ভোগ করার জন্য কৃষ্ণ বুড়িকে ঘুষ হিসেবে পান দেওয়া, রাধার লাকড়ি দিয়ে রান্না, কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রান্না নষ্ট হওয়া, মথুরা হাটে দুধ বিক্রি করা, কৃষ্ণের মাঝিরূপে গোপীগণকে নদী পার করা, পথে রাধাকে আটক করে জোরপূর্বক কৃষ্ণের ভোগ ইত্যাদিসহ গ্রামীণ জীবনের অনেক প্রসঙ্গ এই কাব্যে উঠে এসেছে। কৃষ্ণকে অশিক্ষিত, অমার্জিত, গ্রাম্য, এবং বড়ায়িকে গ্রাম্য কুট্টনী বলে অনেক সমালোচক অভিহিত করেছেন। হাটকেন্দ্রিক অর্থনীতিও গ্রামীণ জীবনে দেখা যায় আর যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে ফুটে উঠেছে। মথুরা হাটে রাধা দুধ বিক্রি করতে যায় পথে কৃষ্ণ রাধার দুগ্ধদধির পসার নষ্ট করে। প্রতিশোধ নিতে রাধা কৃষ্ণকে দিয়ে ছাত্র বা ছাতা ধরায় এবং দুধের পসার বহন করায়। তাছাড়া গ্রামীণ জীবনের খণ্ড খণ্ড চিত্রও এ কাব্যে সংযোজিত হয়েছে। গোপ, কুমার, তেলী, নাপিত ইত্যাদি শ্রেণি পেশাজীবীর উল্লেখ পাওয়া যায়। যাদুটোনা, বান মারা, অশ্রাব্য গালি গালাজ, তন্ত্রমন্ত্র, ঝাড়ফুক ইতাদি গ্রামীণ জীবন চিত্রকেই তুলে ধরে। অর্থাৎ গ্রামীণ জীবনের কথকতাই এই কাব্যে তুলে ধরেছেন লেখক বড়ু চণ্ডীদাস।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

১৮০০ সালে লর্ড ওয়েলেসলির উদ্যোগে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যে। বাংলা গদ্যের ধারাবাহিক এবং সুশৃঙ্খল বিকাশের প্রথম সার্থক প্রয়াস এ কলেজের মাধ্যমে হয়। ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ চালু হলে অধ্যক্ষ উইলিয়াম কেরি পণ্ডিত ও সহকারী পণ্ডিতদের নিয়ে বাংলা গদ্যে পাঠোপযোগী বই রচনায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের মধ্যে আটজন লেখকের ১৩ বা ১৪টি গ্রন্থ রচিত হয়। তাদের মধ্যে উলে-খযোগ্য লেখক ও গ্রন্থ হলো উইলিয়াম কেরির কথোপকথন (১৮০১), রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (১৮০১) এবং লিপিমালা (১৮০২), মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), হিতোপদেশ (১৮০৮) ও রাজাবলি (১৮০৮), এবং চণ্ডীচরণ মুনশীর তোতা ইতিহাস। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের জড়ত্ব মুক্তি ঘটে, গদ্য শৃঙ্খলাবদ্ধ হয় এবং ইতিহাস ও গল্প রচনায় সাফল্যের পাশাপাশি অনুবাদ সাহিত্যে দক্ষতা প্রকাশ পায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইংরেজিতে Folklore শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ 'লোকসাহিত্য' বলতে জনসাধারণের মুখে মুখে প্রচলিত গান, কাহিনী, গল্প, ছড়া, প্রবাদ ইত্যাদি বোঝানো হয়। সাধারণত কোনো সম্প্রদায় বা জনগোষ্ঠীর অলিখিত সাহিত্যই লোকসাহিত্য। 

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান যেমন অপরিসীম তেমনি সমাজ সংস্কারেও বিদ্যাসাগরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিদ্যাসাগরের সাহিত্য সাধনার পশ্চাতে সমাজসেবকের মনোবৃত্তি কার্যকর ছিল। তিনি ছিলেন নিয়মনিষ্ঠ, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি তার পৃষ্ঠপোষকতা ছিল, তিনি বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করেছেন, বিধবাবিবাহ প্রচলনের জন্য সর্বস্ব পণ করেছিলেন এবং নিজের আদর্শকে চিরদিন সমুন্নত রেখেছেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সমাজ সম্পর্কিত প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব এবং বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক বিচার' উল্লেখযোগ্য। হিন্দু সমাজের আবহমানকালের অনুসৃত হৃদয়বিদারক অনাচারগুলো বিদ্যাসাগরের মনকে সহানুভূতিশীল করে তুলেছিল। তাঁর রচনাবলিতে সে নিদর্শন বিদ্যমান। সাহিত্য ও সমাজকর্ম-এ দুটি বিষয়েই বিদ্যাসাগরের রয়েছে সরব পদচারণা। সাহিত্যের খ্যাতি যেমন তাকে প্রসিদ্ধ করেছে তেমনি সমাজসংস্কারের অদম্য প্রচেষ্টা তাকে সমাজ সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত করেছে। তবে বিদ্যাসাগর মূলত সমাজ সংস্কারক হিসেবেই বাঙালি সমাজে অবিস্মরণীয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
424

Related Question

View All
উত্তরঃ

একজন লেখক তিনিই যিনি লেখেন। তবে সব লেখা লিখেই লেখক হওয়া যায় না। লেখক সব ধরনের হতে পারে। তবে সৃজনশীল লেখকই হচ্ছে আমাদের মূল কেন্দ্রবিন্দু। লেখক হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম একটি স্বাধীন সত্ত্বা।

একজন লেখক পুরোপুরি তার নিজের সত্ত্বার ওপরে বেঁচে থাকে। অনেকেই লেখক হবার সহজ উপায় খোঁজ করে। কিন্তু পড়তে পড়তে আর লিখতে লিখতেই শুধুমাত্র লেখক হওয়া যায়। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই। লেখক অনেক ধরনের হতে পারে।

একজন সাংবাদিকও একজন লেখক। উপন্যাস, গল্প, কবিতা, ছড়া, সাহিত্য, প্রবন্ধ, রম্য, ব্লগ সব ধরনের লেখা যারা লেখে তারাই লেখক। অনেকেই মস্তিষ্কের মধ্যে ওকটা লেখার শক্তি পেয়ে যায় আর অনেকে হয়ত শিখে শিখে লেখক হয়।

সমাজ সভ্যতা কখনোই পুরোপুরি একজন লেখকের পক্ষে থাকে না। বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিপক্ষে চলে যায়। স্বাভাবিকভাবেই একজন লেখক তার কলমের আঘাতে জর্জরিত করতে চায় সকল অন্যায়, অপবাদ। তাই হয়ত বেঁধে যেতে পারে সংঘাত। কলমই হচ্ছে একজন লেখকের দাঁড়ানোর জায়গা। কলম ছাড়া লেখকের অস্তিত্ব বিলীন। তবে সবাইকে যে প্রতিবাদ লিখতে হবে এমন কোনো কথা। কেউ কেউ মনোরঞ্জনের জন্যও লেখে। অনেকে আবার চাটুকারিতা করতে লেখে। কেউ আবার কীভাবে পুরষ্কার তুলে নেওয়া যায় সেই ধান্দা করার জন্য লেখে।

একজন লেখক হয়ে উঠতে পারে ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্যকারী। সে কলমের ছোঁয়ায় প্রতিবাদ করতে অন্যায়ের আর ফুটিয়ে তুলবে ন্যায়ের কথা। লেখকের কলমের কালি প্রেরণার সুর হয়ে গান গাইবে। আর অশ্রুসিক্ত নয়নে হাসির ঝলক আনবে লেখকের কলম। একজন লেখকের প্রাণ তার লেখা, তার লেখার ভঙ্গি। সে তার লেখা দিয়ে বাঁচিয়ে তুলতে পারবে অসুস্থ কোনো সভ্যতাকে। লেখক তার কলম দিয়ে জাগ্রত করতে পারবে মানুষের ভীতরে লুকিয়ে থাকা অদম্য সাহস।

একজন লেখক কল্পনাকে নিয়ে আসতে পারে বাস্তবে। আমাদের নিয়ে যেতে পারে কল্পনার গহীন বনে। লেখক আমাদের সবাক যুগ থেকে অবাক যুগে নিয়ে যেতে পারে মুহূর্তের মাঝেই। লেখক জাগাতে পারে প্রেম, লেখক জাগাতে পারে নতুন কাজের স্পৃহা।

অনেকেই মনে করে লেখকের সকল বিষয়ে দ্বায় আছে। কিন্তু লেখকের মূলত কারো কাছেই কোনো দ্বায় নেই। তার দ্বায় থাকে শুধু নিজের মনের কাছে, নিজের বিবেকের কাছে, নিজের সুপ্ত চেতনার কাছে। সমাজ কি ভাববে তা নিয়ে লেখক মাথা ঘামাবে না। লেখক ভয়ে নাথা নোয়াবে না। লেখক যতদিন বাঁচবে বীরের মতোই বাঁচবে।

সারা বিশ্বেই লেখকরা নির্যাতনের শিকার হয়। অনেকেই বলে থাকে লিখে কিছুই হয় না। তাই যদি হতো তাহলে লেখার জন্য লেখকের শাস্তি হতো না। লেখকের ফাঁসি হতো না।

লেখকের কলমে অনেক জোর। সেই জোর ভেঙে চুরে গুড়িয়ে দিতে পারে যেকোনো কিছু। বিশেষ করে সাংবাদিকরা বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত হয় অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে। শাস্তি, সাজা বহু কিছু তাদের সহ্য করতে হয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লিখলে হুমকি আসে, হামলা মামলা বহু ঘটনাই ঘটে। কারণ শাসক, শোষক আর অন্যায়কারীদের অনেক ক্ষমতা। লেখকের সমাজের দায়মুক্তির জন্য জীবনও দিতে হয়। তাইতো একজন লেখক সমাজের শক্তি, সমাজের সম্পদ।

3.7k
উত্তরঃ

সাহিত্য হচ্ছে মানুষের চিন্তা-ভাবনা, অনুভূতি তথা মানব-অভিজ্ঞতার কথা বা শব্দের বাঁধনে নির্মিত নান্দনিক বহিঃপ্রকাশ। এই অর্থে গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ ইত্যাদি উচ্চতর গুণাবলি সমন্বিত বিশেষ ধরনের সৃজনশীল মহত্তম শিল্পকর্ম। সাহিত্য-শিল্পীগণ যখন ‘অন্তর হতে বচন আহরণ’ করে আত্মপ্রকাশ কলায় ‘গীতরস ধারা’য় সিঞ্চন করে ‘আনন্দলোকে’ নিজের কথা- পরের কথা- বাইরের জগতের কথা আত্মগত উপলব্ধির রসে প্রকাশ করেন- তখনই তা হয়ে ওঠে সাহিত্য। রবীন্দ্রনাথের কথায় “বহিঃপ্রকৃতি এবং মানব-চরিত্র মানুষের মধ্যে অনুক্ষণ যে আকার ধারণ করিতেছে, যে-সঙ্গীত ধ্বনিত করিয়া তুলিতেছে, ভাষা-রচিত সেই চিত্র এবং সেই গানই সাহিত্য।…সাধারণের জিনিসকে বিশেষভাবে নিজের করিয়া – সেই উপায়ে তাহাকে পুনরায় বিশেষভাবে সাধারণের করিয়া তোলাই হচ্ছে সাহিত্যের কাজ।” [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সাহিত্য] সাহিত্য সত্য-সুন্দরের প্রকাশ হিসেবে প্রবহমাণ সময়ে যা ঘটে – সে-সবের মধ্য থেকে যা মহৎ, যা বস্তুসীমাকে ছাড়িয়ে বাস্তবাতীত প্রকাশ করে, যা জীবনের জন্য কল্যাণময় এবং মহৎ আদর্শের দ্যোতক তাকেই প্রকাশ করে। আসলে মহৎ সাহিত্য তাই- যা একাধারে সমসাময়িক-শাশ্বত-যুগধর্মী-যুগোপযোগী-যুগোত্তীর্ণ। সাহিত্য কেবল পাঠককে আনন্দ দেয় না- সমানভাবে প্রভাবিত করে পাঠক এবং সমাজকে।

আভিধানিকভাবে ‘সহিতের ভাব’ বা ‘মিলন’ অর্থে ‘সাহিত্য’ হলো কাব্য, নাটক, গল্প, উপন্যাস ইত্যাদি সৃজনশিল্পের মাধ্যমে এক হৃদয়ের সঙ্গে অন্য হৃদয়ের সংযোগ স্থাপন; সাহিত্য¯্রষ্টা-সাহিত্যের সাথে পাঠকের এক সানুরাগ বিনিময়। কিন্তু আভিধানিক অর্থের নির্দিষ্ট সীমায় সাহিত্যের স্বরূপ-গতি-প্রকৃতি-বৈচিত্র্য ও বিস্তৃতির সম্যক ধারণা দেওয়া যেমন অসম্ভব, কোনো বিশেষ সংজ্ঞায় তাকে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়াও তেমন দুঃসাধ্য। বাচ্যার্থ ও ব্যঞ্জনার্থর সীমাকে অতিক্রম করে নানা রূপে, রসে, প্রকরণ ও শৈলীতে সাহিত্যের নিরন্তর যাত্রা সীমা থেকে অসীমে। প্রত্যক্ষ সমাজপরিবেশ তথা সমকালীন বাস্তব পারিপার্শ্বিক, নিসর্গপ্রীতি ও মহাবিশ্বলোকের বৃহৎ-উদার পরিসরে ব্যক্তিচৈতন্য ও কল্পনার অন্বেষণ ও মুক্তি- আর এইভাবেই শ্রেণিবিভাজন, নামকরণ ও স্বরূপমীমাংসার প্রচেষ্টাকে ছাপিয়ে উঠে সাহিত্যের যাত্রা সীমাহীনতায়। প্রকৃত সাহিত্য তাই যেমন তার সমসময় যা যুগমুহূর্তের, তেমনই তা সর্বকালের সর্বজনের। মার্কসবাদী সাহিত্যতত্ত্বে বাস্তব সমাজজীবনকে ‘ভিত্তি’ আর শিল্প-সাহিত্যকে সমাজের উপরিকাঠামোর [ঝঁঢ়বৎংঃৎঁপঃঁৎব] অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। সাহিত্যের মৌল উপকরণসামগ্রী আহৃত হয় জীবনের ভা-ার থেকে- সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, প্রেম-বৈরিতার বিচিত্র-অনিঃশেষ ভা-ার থেকে। সাহিত্যসৃষ্টির মূলে সক্রিয় যে সৃজনী-ব্যক্তিত্ব তা নিছক বিমূর্ত কোনো সত্তা নয়; আত্মপ্রকাশ ও মানবিক সংযোগ ও বিনিময়ের বাসনায় অনুপ্রাণিত সে সত্তা তার ভাব-ভাবনা, বোধ ও বিশ্বাসকে এক আশ্চর্য কৌশলে প্রকাশ করে জনসমক্ষে কোনো একটি বিশেষ রূপ-রীতি-নীতির আশ্রয়ে। ব্যক্তিক অনুুভূতি-যাপিতজীবন-মিশ্রকল্পনার জগৎ থেকেই সৃষ্টি হয় সাহিত্যের; যুগান্তরের আলোকবর্তিকা হিসেবে সাহিত্য সত্যের পথে সবসময় মাথা উঁচু করে থেকেছে- সত্যকে সন্ধান করেছে। আসলে সাহিত্য এমনি এক দর্পণ- যাতে প্রতিবিম্বিত হয় মানবজীবন, জীবনের চলচ্ছবি, পরিবেশ-প্রতিবেশ, সমাজজীবনে ঘটমান ইতিহাস- ইতিহাসের চোরাস্রােত নানাবিধ কৌণিক সূক্ষ্মতায়।

সাধারণত আত্মপ্রকাশের বাসনা, সমাজ-সত্তার সঙ্গে সংযোগ কামনা, অভিজ্ঞতার আলোয় কল্পলোক নির্মাণ এবং রূপপ্রিয়তা- এই চতুর্মাত্রিক প্রবণতাই মানুষের সাহিত্য-সাধনার মৌল-উৎস। চতুর্মাত্রিক প্রবণতার [আত্মপ্রকাশের কামনা, পারিপার্শ্বিকের সাথে যোগাযোগ বা মিলনের কামনা, কল্প-জগতের প্রয়োজনীয়তা এবং সৌন্দর্য-সৃষ্টির আকাক্সক্ষা বা রূপমুগ্ধতা] মধ্যে সমাজসত্তার সঙ্গে সংযোগ-কামনা এবং অভিজ্ঞতার আলোয় কল্পলোক নির্মাণ- এই উৎসদ্বয়ের মধ্যে নিহিত রয়েছে সাহিত্য ও সমাজের মধ্যে আন্তর-সম্পর্কের প্রাণ-বীজ। সমাজ শিল্পীকে সাহিত্য-সাধনায় প্রণোদিত করে। ‘সহৃদয়-হৃদয় সংবাদ’এর মাধ্যমে সাহিত্যিকগণ লেখক-পাঠকের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করেন- উভয়ের হৃদয়বীণার তারগুলোকে একই সুতায় গেঁথে দেন। এর কারণে সাহিত্য দেশ-কাল-সমাজের সীমা অতিক্রম করে সর্বসাধারণের হৃদয়কে আকর্ষণ করে। এর ফলে সাহিত্য হয়ে ওঠে সার্বজনীন-সর্বকালের মানুষের হৃদয়ের সামগ্রী এবং সাহিত্য¯্রষ্টাও হয়ে ওঠেন অনেক বড়। কিন্তু বর্তমান বাংলা সাহিত্যচর্চার গতি-প্রকৃতি, সমস্যা-সংকট-সমাধান কোন দিকে? এসব বিষয়ের সন্ধান- এ প্রবন্ধের অন্বিষ্ট।

3.1k
উত্তরঃ

আমাদের লোকশিল্প প্রবন্ধটি আমাদের লোককৃষ্টি গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে। লেখক এ প্রবন্ধে বাংলাদেশের লোকশিল্প ও লোক-ঐতিহ্যের বর্ণনা দিয়েছেন । এ বর্ণনায় লোকশিল্পের প্রতি তার গভীর মমত্ববোধের পরিচয় রয়েছে।
আমাদের নিত্যব্যবহার্য অধিকাংশ জিনিসই এ কুটিরশিল্পের ওপর নির্ভরশীল ।

শিল্পগুণ বিচারে এ ধরনের শিল্পকে লোকশিল্পের মধ্যে গণ্য করা যেতে পারে । পূর্বে আমাদের দেশে যে সমস্ত লোকশিল্পের দ্রব্য তৈরি হতো তার অনেকগুলোই অত্যন্ত উচ্চমানের ছিল। ঢাকাই মসলিন তার অন্যতম। ঢাকাই মসলিন অধুনা বিলুপ্ত হলেও ঢাকাই জামদানি শাড়ি অনেকাংশে সে স্থান অধিকার করেছে।

বর্তমানে জামদানি শাড়ি দেশে-বিদেশে পরিচিত এবং আমাদের গর্বের বস্তু। নকশি কাথা আমাদের একটি গ্রামীণ লোকশিল্প। এ শিল্প আজ বিলুপ্তপ্রায় হলেও এর কিছু কিছু নমুনা পাওয়া যায়। আপন পরিবেশ থেকেই মেয়েরা তাদের মনের মতো করে কীথা সেলাইয়ের অনুপ্রেরণা পেতেন । কাঁথার প্রতিটি সুচের ফোঁড়ের মধ্যে লুকিয়ে আছে এক-একটি পরিবারের কাহিনী, তাদের পরিবেশ, তাদের জীবনগাঁথা ।

আমাদের দেশের কুমোরপাড়ার শিল্পীরা বিভিন্ন ধরনের তৈজসপত্র ছাড়াও পোড়ামাটি দিয়ে নানা প্রকার শৌখিন দ্রব্য তৈরি করে থাকে। নানা প্রকার পুতুল, মূর্তি ও আধুনিক রুচির ফুলদানি, ছাইদানি, চায়ের সেট ইত্যাদি তারা গড়ে থাকে।
খুলনার মাদুর ও সিলেটের শীতলপাটি সকলের কাছে পরিচিত। আমাদের দেশের এই যে লোকশিল্প তা সংরক্ষণের দায়িত আমাদের সকলের । লোকশিল্পের মাধ্যমে আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারি।

arif
arif
3 years ago
3.6k
উত্তরঃ

আমাদের অর্থনৈতিক সম্পদ

 

বাংলাদেশ, একটি দ্রুত উন্নতি লক্ষ্য নির্ধারণ করা দেশ, যা প্রচুর অর্থনৈতিক সম্পদের বেশিরভাগ সম্পদ নিয়ে এগিয়ে চলেছে। এই দেশের অর্থনৈতিক সম্পদ মৌলিকভাবে চারটি প্রধান উৎস থেকে আসে: জমি, কাজ, উদ্যোগ, এবং মানুষের কাজের দক্ষতা। এই সম্পদের বিকাশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, আর্থিক এবং সামাজিক পরিবর্তনের ভূমিকা রয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পদের মূল স্তম্ভ হল কৃষি। দেশটি একটি প্রধানত কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতির মূল হিসেবে প্রধানত শস্য ও ফসল চাষ প্রসঙ্গে বিকাশ হয়েছে। বাংলাদেশে প্রধানত ধান, পাট, মশুর ডাল, আখ, পটল, পেঁপে, তেল সহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয়। অত্যন্ত উচ্চ মানের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনের ফলে এই খাদ্য পণ্য রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সম্পদের গড়াতে সাহায্য করে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উৎস হল প্রবৃদ্ধি ও শিক্ষাগত উন্নতি। বাংলাদেশে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অভাব কমে আসছে এবং মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি করছে। বিশেষত, প্রযুক্তির আগমন এবং বিনিয়োগে বৃদ্ধি নেওয়া হচ্ছে, যা অর্থনৈতিক সম্পদের উন্নতির পথে সাহায্য করছে।

অন্যান্য উৎস হিসেবে প্রযুক্তিবিদ্যা এবং সেবা অংশ গুলির অগ্রগতি আছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক সম্পদ হল তার মানুষের চাকরিভার্থী শ্রমিকেরা। তাদের দক্ষতা, উদ্যোগ, ও সামর্থ্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যদিও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পদ উন্নতির পথে অনেক উত্সাহজনক প্রগতি হয়েছে, তবে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ র

য়েছে। প্রধানতঃ গরিব মানুষের জন্য আর্থিক সম্পদের অগ্রগতি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখনও বেশিরভাগ লোকের মধ্যে বৃদ্ধির অভাব আছে। তাছাড়া, পরিবেশের সম্পদ সংরক্ষণের জন্য সঠিক প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন।

পুনর্নির্মাণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পদের বিস্তার ও উন্নতি নিশ্চিত করতে পারে। সঠিক নীতি নির্ধারণ, উদ্যোগের বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত প্রবর্তন এবং শিক্ষাগত উন্নতি এমন পরিবর্তন নিশ্চিত করতে সাহায্য করতে পারে।

শেষ কথায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পদ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা দেশটির সমৃদ্ধি ও উন্নতির সাথে অবিভাজ্যভাবে সংযোগিত। একটি দ্রুত বৃদ্ধির উপায় হল সঠিক পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং উদ্যোগের বৃদ্ধি করা। এই প্রস্তুতি নেওয়ার মাধ্যমে, বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক সম্পদ উন্নতির পথে আরও এগিয়ে যেতে পারে এবং তার মানুষের জন্য আরো উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।

2.4k
উত্তরঃ

"বিক্ষুব্ধ পূর্ব ইউরোপ" বলতে পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ১৯৮৯ সালের পর সাম্যবাদী শাসনের পতন এবং এর ফলে উদ্ভূত রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতাকে বোঝায়। এই সময়কালে, পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো গণতন্ত্র ও বাজার অর্থনীতির দিকে ধাবিত হয়, যার ফলে নতুন জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক পরিবর্তন দেখা যায়। 

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও কারণ: 

সাম্যবাদের পতন:

১৯৮৯ সালের ঐতিহাসিক বছরটি পূর্ব ইউরোপে সাম্যবাদী ব্যবস্থার পতন ঘটায়, যা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এই পরিবর্তনের ফলে দেশগুলো তাদের সাম্যবাদী অতীত থেকে মুক্তি পেতে শুরু করে।

গণতন্ত্রের পথে যাত্রা:

সাম্যবাদের পতনের পর পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও মুক্ত বাজার অর্থনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ে।

বিক্ষোভ ও অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ: 

অর্থনৈতিক সংকট:

সাম্যবাদী অর্থনীতি থেকে বাজার অর্থনীতিতে উত্তরণ অনেক দেশে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, এবং ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য বাড়ে, যা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করে।

জাতীয়তাবাদের উত্থান:

অনেক দেশে সাম্যবাদী শাসনের অবসানের পর বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে জাতীয়তাবোধ তীব্র হয়, যা নতুন করে জাতিগত সংঘাতের জন্ম দেয়।

রাজনৈতিক অস্থিরতা:

নতুন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সুসংহত হতে সময় লাগে, ফলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়। অনেক দেশে ক্ষমতা ও আদর্শের লড়াইয়ের কারণে সহিংসতাও ঘটে।

সামাজিক পরিবর্তন:

পুরনো সাম্যবাদী নীতি ও ব্যবস্থার পরিবর্তে নতুন সামাজিক কাঠামো ও মূল্যবোধের জন্ম হতে থাকে, যা সমাজের বিভিন্ন স্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক: 

  • এই বিক্ষুব্ধ পরিস্থিতি পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে এক নতুন যুগের সূচনা করে, যেখানে তারা তাদের নিজস্ব পথে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ পায়।
  • যদিও এই পরিবর্তন প্রক্রিয়াটি কঠিন ছিল, এটি এই অঞ্চলে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এইভাবে, "বিক্ষুব্ধ পূর্ব ইউরোপ" মূলত সেই সময়ের পরিবর্তন, অস্থিরতা এবং নতুন করে গড়ে ওঠার জটিল প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে, যা সাম্যবাদের পতন ও গণতান্ত্রিক যাত্রার ফলস্বরূপ ঘটেছিল। 

Joy Roy
Joy Roy
8 months ago
2.2k
উত্তরঃ

পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ। পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।

১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী সময়ে ভৌগোলিক অবস্থান, স্বল্প পরিসরের ভূখন্ড এবং সীমিত অর্থনৈতিক সম্পদ ইত্যাদি বিভিন্ন নিয়ামক বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে  দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কীয় সাংবিধনিক বিধান  বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনাসমূহ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে। এগুলি হলো:

জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অপর রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা, এ সকল নীতিই হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এ সকল নীতির ভিত্তিতে-

১. রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকা এবং সাধারণ ও পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে; প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ বা বর্ণ্যবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

২. রাষ্ট্র ইসলামী সংহতির ভিত্তিতে মুসলিম দেশসমূহের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব সম্পর্ক সংহত, সংরক্ষণ এবং জোরদার করতে সচেষ্ট হবে। সংবিধানের ৬৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধ-ঘোষণা সংক্রান্ত নীতি উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে সংসদের সম্মতি ব্যতিত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না, কিংবা প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না। অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক)তে বৈদেশিক চুক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে: ‘বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন। তবে শর্ত হচ্ছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরূপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতিসমূহ  পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কিছু মূলনীতি অনুসরণ করে থাকে। জাতিসংঘ এবং ন্যামের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এসব সংগঠনের মূলনীতিসমূহ মেনে চলে, এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান নীতিসমূহ এসব সংগঠনের নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান চারটি মূলনীতি হলো:

সকলের প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়  একটি দরিদ্র রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল হবার কারণে বাংলাদেশকে বিভিন্ন মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হতে হয়। এ কারণেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হিসেবে বলেছিলেন, ‘আমাদের একটি ক্ষুদ্র দেশ, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়, আমরা চাই সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব’।

অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখন্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন  বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য। জাতিসংঘ সনদের ২(৪) ধারায় বলা হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল সদস্য-রাষ্ট্র আঞ্চলিক অখন্ডতার বিরুদ্ধে কিংবা অন্য কোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের ভীতি প্রদর্শন থেকে এবং জাতিসংঘের উদ্দেশ্যের সংঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কোনো উপায় গ্রহণ করা থেকে নিবৃত্ত থাকবে’।

অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা  জাতিসংঘ সনদের ২(৭) ধারায় বলা হয়েছে যে,  ‘বর্তমান সনদ জাতিসংঘকে কোনো রাষ্ট্রের নিছক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অধিকার দিচ্ছে না বা সেরূপ বিষয়ের নিষ্পত্তির জন্য কোনো সদস্যকে জাতিসংঘের দারস্থ হতে হবে না; কিন্তু সপ্তম অধ্যায় অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারে এই নীতি অন্তরায় হবে না’। জাতিসংঘের একটি সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ এই মূলনীতির উপর তার পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করেছে, যা অন্য রাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রকাশিত।

২০০৯ সালে পুনরায় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে, এবং প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনয়নের কথা ঘোষণা করেন। বাংলাদেশের নিরাপত্তা ধারণা বিবেচনায় রেখে প্রায় তিন দশক পর ভারতের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি সরকার রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে রাশিয়ার সাহায্যে দেশে পারমাণবিক প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সময়ের পরিবর্তনের সাথে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যত অর্জনের সম্ভাবনা অনেকটা ক্ষীণ হয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ তার প্রতিবেশী এবং আঞ্চলিক রাষ্ট্রসমূহের সাথে এবং বিশ্বের আরো কিছু রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়’ একটি সত্তুরের দশকের ধারণা, যা প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব প্রেক্ষাপটে পুরনো ধারার পরররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত তার অর্জনের সম্ভাবনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সুতরাং পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য নিয়ে নতুন কৌশল-পরিকল্পনা করা উচিত, যার মাধ্যমে পরিবর্তিত বিশ্বে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে।  [ঊর্মি হোসেন]

Md. Aminul Islam
Md. Aminul Islam
2 years ago
4.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews