বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বলা হয়েছিল কেন?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হওয়াতে বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বলা হয়েছিল।

বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা থেকে অর্থাৎ ১২০৪ সাল থেকে ১৩৩৮ সাল পর্যন্ত সময়কাল ছিল খুবই গোলযোগপূর্ণ। বাংলার শাসকগণ দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে স্বাধীন হতে চাইলে দিল্লির আক্রমণের মুখে তা ব্যর্থ হয়। ফলে মুসলমান শাসনের এ সময় ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলাময়। তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাকে 'বুলগাকপুর' অর্থাৎ বিদ্রোহের নগরী বলে আখ্যায়িত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
4.6k

মুসলমান শাসনের সূচনাকালকে বাংলায় মধ্যযুগের শুরু বলা হয় । ইতিহাসে এক যুগ থেকে অন্য যুগে প্রবেশ করতে হলে বিশেষ কতকগুলো যুগান্তকারী পরিবর্তন দরকার। মুসলমানদের বঙ্গ বিজয়ের ফলে বঙ্গের রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই শুধু পরিবর্তন আসেনি; এর ফলে বঙ্গের সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, ভাষা ও সাহিত্য, শিল্পকলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • মধ্যযুগের বাংলার মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠা পর্বের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ বর্ণনা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে সুলতানি আমলে বাংলার বংশানুক্রমিক শাসন এবং তাঁদের রাজনৈতিক কৃতিত্বসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলায় আফগান শাসনামল ও শাসকগণের কৃতিত্ব বর্ণনা করতে পারব;
  •  বাংলায় বারোভূঁইয়াদের ইতিহাস ও পরিচয় বর্ণনা করতে পারব;
  • মুঘল শাসনামলে বাংলায় সুবেদার ও নবাবদের শাসন কালের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের নানা দিক সমূহ বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • ধারাবাহিকভাবে মধ্যযুগে বাংলার মুসলমান শাসকগণের রাজনৈতিক ইতিহাস জানতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে এর প্রকৃত স্বাধীনতা সূচনা করেন। তাই তাকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম প্রবক্তা বলা হয়।

ইলিয়াস শাহ ফিরোজাবাদের সিংহাসনে আরোহণের মাধ্যমে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম বাংলার অধিপতি হন। তারপর তিনি সোনারগাঁও, সাতগাঁও, বিহার, উড়িষ্যা, আসাম ইত্যাদি জয় করে বৃহত্তর বাংলার সৃষ্টি করেছিলেন। এ সময় থেকেই বাংলার সকল অঞ্চলের অধিবাসী 'বাঙালি' বলে পরিচিত হয়। আর এ কারণেই ইলিয়াস শাহকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.7k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিজয়ী সেনাপতির যুদ্ধ কৌশলের প্রতিফলন পাঠ্যবইয়ের ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির কর্মে প্রতিফলিত হয়েছে।

বখতিয়ার খলজি বিহার বিজয় করার পর নদীয়া আক্রমণ করার মনোস্থির করেন। রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন। বিহার হতে বাংলায় প্রবেশ করতে হলে তেলিয়াগড় ও শিকড়িগড় এই দুই গিরিপথ দিয়ে আসতে হতো। কিন্তু এ গিরিপথ দুটি সুরক্ষিত থাকায় বখতিয়ার খলজি এ পথে না এসে ঝাড়খণ্ডের অরণ্যময় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হওয়াতে তার সৈন্যদল খণ্ড খণ্ড ভাবে অগ্রসর হয়। মাত্র ১৭/১৮ জন সৈনিক নিয়ে বখতিয়ার খলজি মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া বিজয় করেন।

উদ্দীপকেও দেখা যায়, রোমান যোদ্ধারা একইভাবে উপদলে বিভক্ত হয়ে জঙ্গল পথে বিপক্ষদলের প্রাসাদ আক্রমণের পরিকল্পনা করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিজয়ী সেনাপতির কৌশলের প্রতিফলন পাঠ্যবইয়ের বখতিয়ার খলজির যুদ্ধকৌশলে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
666
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বখতিয়ার খলজির যুদ্ধকৌশল প্রতিফলিত হয়েছে। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি প্রথম জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলেও ভাগ্য ও কর্মশক্তির সংমিশ্রণ তাকে সফলতা এনে দেয় বলে আমি মনে করি।

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশির বা আধুনিক দশত-ই-মার্গের অধিবাসী ছিলেন। তিনি ১১৯৫ খ্রিষ্টাব্দে নিজ জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে জীবিকার অন্বেষণে গজনিতে আসেন। এখানে তিনি শিহাবউদ্দিন ঘোরীর সৈন্য বিভাগে চাকরিপ্রার্থী হয়ে ব্যর্থ হন। গজনিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের দরবারে গিয়েও চাকরি পেতে ব্যর্থ হন। এরপর বদাউনের শাসনকর্তা মালিক হিজবরউদ্দিন তাকে মাসিক বেতনে সৈন্য বিভাগে নিযুক্ত করেন। কিন্তু উচ্চাভিলাষী বখতিয়ার এ ধরনের সামান্য বেতনে সন্তুষ্ট না হয়ে বদাউন ত্যাগ করে অযোধ্যায় যান। সেখানকার শাসনকর্তা তার সাহস ও বুদ্ধিমত্তায় সন্তুষ্ট হয়ে তাকে ভাগবত ও ভিউলি নামক দুটি পরগনার জায়গীর দান করেন। বিহার জয় করে বখতিয়ার খলজি অনেক ধনরত্নের মালিক হন। এরপর তিনি রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া দখল করেন। তারপর তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে রাজধানী স্থাপন করেন।

তাই বলা যায়, প্রাথমিক জীবনে ব্যর্থ হলেও বখতিয়ার খলজি ভাগ্য ও কর্মের সমন্বয়ে পরবর্তীতে সফলতা লাভ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
673
উত্তরঃ

দুর্জয়ের বাংলার ইতিহাসের সুবাদার শায়েস্তা খানের কথা মনে পড়ে যায়।

সুবাদার শায়েস্তা খানের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি ও কৃষিক্ষেত্রে বিপুল উন্নতি সাধিত হয়েছিল। তিনি কৃষির উন্নতির জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর সময়ে দ্রব্যমূল্য এত সস্তা ছিল যে, এক টাকায় আটমণ চাল পাওয়া যেত। উদ্দীপকে আমরা দেখি পাহাড়ি অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকাটিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় তখনকার পাহাড়ের ঢালু জমিতে প্রচুর উৎপাদিত কলা সময়মতো বাজারজাত করা সম্ভব হয় নি। একেবারে সস্তায় কলা বিক্রি হতে দেখে স্কুল পড়ুয়া দুর্জয় তার মাকে বলল এতো দেখি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। এ বিষয়গুলো শায়েস্তা খানের শাসনামলের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
700
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews