বাংলাদেশের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিভিন্ন সংগঠন ও শিল্পীরা অসামান্য অবদান রেখেছেন। সাংস্কৃতিক দল, ছায়ানট, উদীচী ও প্রগতিশীল নাট্যদলগুলোর সঙ্গে থেকে শিল্পীরা তাদের কাজে সহায়তা করতেন। শিশু সংগঠন খেলাঘর ও কচি-কাঁচার মেলার মাধ্যমে চিত্রশিল্পীরা শিশু চিত্রকলা ও অন্যান্য সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে, বাংলাদেশের অধিকার আদায় ও নিজেদের শিল্প, সাহিত্য ও ঐতিহ্য বিষয়ে আগ্রহী করে তুলেছিলেন। বিভিন্ন শিল্পীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফার লোগো, প্রচারের পোস্টার, মঞ্চসজ্জা করেছিলেন শিল্পী হাশেম খান। প্রতীকী মঞ্চসজ্জার নকশা প্রচ্ছদে। ব্যবহার করে দৈনিক ইত্তেফাক ৬ দফার বিষয়ে বিশেষ সংখ্যা বের করে। ১৯৬৭ থেকে পরপর ৫ বছর ১৯৭১ পর্যন্ত। একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে চিত্রশিল্পীরা শহিদমিনারে বড় বড় ক্যানভাসে, পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, শিক্ষা, বাণিজ্য, অর্থনীতি ও সংস্কৃতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে পাক শাসকগোষ্ঠীর বঞ্চনা ও বাঙালিদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে ছবি এঁকে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করতেন। চিত্রপ্রদর্শনী শুধু গ্যালারিগৃহে নয়। জনতার জন্য গৃহের বাইরে যেমন- বিদ্রোহী স্বরবর্ণ, এই নামে ১৩টি স্বরবর্ণ, ছড়া ও ছবির একটি প্রদর্শনী জনগণের মধ্যে বিপুল সাড়া তুলেছিল। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের চিত্রপ্রদর্শনী ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!