বাংলাদেশে বেকার সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। নিচে তা উল্লেখ করা হলো-
১. শ্রম সরবরাহের উন্নয়ন ঘটানো।
২. অর্থনীতিকে সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে পরিচালনা করা।
৩. সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অধীনে আর্থিক সাহায্য প্রদান।
৪. জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৫. দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়ন ঘটানো।
৬. কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামীণ সমাজে সুযোগ ও পরিবেশ সৃষ্টি করা।
৭. দেশে ক্ষুদ্র মাঝারি ধরনের শিল্প কল-কারখানা স্থাপন করা।
৮. শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন, বিশেষ করে কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার প্রচলন করা।
বাংলাদেশে বেকার সমস্যা সমাধানে উপরিউক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা যেতে পারে।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!