বাংলাদেশের ওয়ালটন কোম্পানি দেশেই এখন বিশ্বমানের রেফ্রিজারেটর, মোটরসাইকেল, টিভি ইত্যাদি তৈরি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করছে। পূর্বে এসব পণ্য সম্পূর্ণ বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

যে শিল্প প্রচুর পরিমাণ শ্রম, মূলধন, কাঁচামাল এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণে দ্রব্য উৎপাদন করে তাকে বৃহদায়তন শিল্প বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ শিল্পের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈদেশিক বাণিজ্যে পোশাক শিল্পের প্রধান দুটি অবদান হলো-
১। সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং
২। লেনদেন ভারসাম্য বজায় রাখা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ওয়ালটন কোম্পানি হলো একটি আমদানি বিকল্প শিল্প। আমদানি বিকল্প শিল্প বলতে সেসব প্রতিষ্ঠিত শিল্পকে বোঝায় যেসব শিল্প ঐসব দ্রব্য উৎপাদন করে, যেগুলো পূর্বে বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো। যেমন- বাংলাদেশের ওয়ালটন কোম্পানি টিভি, রেফ্রিজারেটর, মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ইত্যাদি তৈরি করছে, যা পূর্বে সম্পূর্ণভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো।
তাই, ওয়ালটন কোম্পানি একটি আমদানি বিকল্প শিল্প। অর্থনীতিতে ওয়ালটন কোম্পানিটির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কারণ ওয়ালটন কোম্পানি আমদানি বিকল্প শিল্প স্থাপনের ফলে অর্থনীতিতে নিয়োগের পরিমাণ বাড়ছে। ফলে বেকারত্বের হার কমছে। আবার এ ধরনের শিল্প স্থাপনের দ্বারা দেশীয় শিল্পের বাজার প্রসারিত হচ্ছে। ফলে উদ্যোক্তাদের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশাপাশি আমদানি হ্রাসেও অবদান রাখছে। আবার ওয়ালটন কোম্পানির উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য দেশীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে যা আমাদের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।
অতএব আমরা বলতে পারি, আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে ওয়ালটন কোম্পানি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ওয়ালটন কোম্পানি একটি আমদানি বিকল্প শিল্প। ওয়ালটন কোম্পানির মত আরও অনেক ক্ষেত্রে আমাদের শিল্প ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন-

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণ বাংলাদেশে নেই। তাই অনেক কিছুই আমদানি করতে হয়। যেমন- স্টেপল ফাইবার, সুতা ইত্যাদি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে স্টেপল ফাইবার আমদানি বাবদ ১১৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং সুতা আমদানি বাবদ ১৯৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়। আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে স্টেপল ফাইবার বা সুতা উৎপাদন করতে পারলে এগুলোর আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে এবং এ ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা আসবে।এছাড়া বাংলাদেশে প্রচুর সার উৎপাদিত হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় বিদেশ থেকে সার আমদানি করতে হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরেও বাংলাদেশ ১,১১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সার আমদানি করে। এ সার দেশেই উৎপাদিত হলে অনেক খরচ কমে যেত। পরিশেষে বলা যায়, উল্লেখিত ক্ষেত্রগুলোতে ওয়ালটন কোম্পানির মতো আমাদের শিল্প ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
41
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অল্প শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন সদস্যরা জীবনধারণের তাগিদে পরিবারের স্বল্প মূলধন ও সহজলভ্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ঘরে বসে বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে তা-ই কুটির শিল্প।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
100
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশ যে সব দ্রব্য আমদানি করে থাকে, তা যদি আমদানি না করে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন করা হয় তাকে আমদানি বিকল্পন শিল্প বলে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা, মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ইত্যাদি কারণে আমদানি বিকল্পন শিল্প স্থাপন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশ সাধারণত গাড়ি আমদানি করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ যদি আমদানি না করে দেশের অভ্যন্তরেই গাড়ি তৈরির কলাকৌশল ব্যবহার করে গাড়ি তৈরি করতে পারে তাহলে তা আমদানি বিকল্পন শিল্প বলে গণ্য হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
109
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত শিল্পটি হলো চা শিল্প। নিচে চা শিল্পের সমস্যাগুলো ব্যাখ্যা করা হলো-

বাংলাদেশের চা শিল্প প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। কোনো বছর বৃষ্টি কম হলে চা উৎপাদন কম হয়, কারণ চা উৎপাদনের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। পাহাড়ি অঞ্চলে চা বাগান হওয়ায় মূল ভূখণ্ডের সাথে চা বাগানে যাওয়ার ভালো সড়ক নেই, এমনকি টেলিফোন লাইন, মোবাইল নেটওয়ার্ক বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও অনেক স্থানে অপ্রতুল। চা শিল্পে দক্ষ শ্রমিকের খুব অভাব, যেখানে ঐতিহাসিক কিছু অবাঙালি পরিবার চা উৎপাদনে নিয়োজিত। তারা শুধু দেখে দেখে কাজ শিখেছে। চায়ের বিকল্প হিসেবে কফির উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের চায়ের চাহিদা বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।
পুরাতন পদ্ধতিতে চা চাষের ফলে বিশ্বমানের চা উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে আছে। চা বাগানগুলোতে প্রায়ই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, যার ফলে নিরাপত্তার অভাবে অনেক দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাগান এলাকায় বসবাস করতে চান না। ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন এদের চা অপেক্ষাকৃত উন্নত হওয়ায় রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশ এদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ে। চা বাগান তৈরি, পাতা প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনে বড় মূলধন প্রয়োজন, যা সহজে ফেরত আসে না।
তাই এ ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা, নতুন মূলধন দেখা যায় না। উল্লিখিত এসব সমস্যা বাংলাদেশের চা শিল্পে বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
116
উত্তরঃ

চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। নিচে উক্ত সমস্যার সমাধান সম্পর্কে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

চা উৎপাদনে আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি প্রয়োগ করা একান্ত প্রয়োজন। পুরনো পদ্ধতির পরিবর্তে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ করে একরপ্রতি উৎপাদন বাড়াতে হবে। অনাবৃষ্টি ও খরার সময় চা বাগানে পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। অদক্ষ, অশিক্ষিত শ্রমিক-কর্মচারীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে বাগানের পরিচর্যা ও পাতা সংগ্রহে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন বাড়বে। চা বাগান এলাকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। চা বাগানের সাথে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বিভিন্ন নেটওয়ার্ক স্থাপন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত করতে হবে। বিদেশে চা রপ্তানি বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। ব্যাপক প্রচারণা, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, প্রদর্শনী মেলায় অংশগ্রহণ রপ্তানি বাজার বৃদ্ধির সহায়ক। চা বাগানগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধাসহ সার ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অবশ্যই চায়ের গুণগত মান বাড়াতে হবে। চা শিল্পের উন্নয়নে নিবিড় গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করা একান্ত প্রয়োজন। গুণগত মান বজায় রাখার জন্য চায়ের উত্তম গুদামজাতকরণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্যাকেটিং প্রয়োজন। চা বাগান, প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, চা রপ্তানির সাথে জড়িত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লিখিত কার্যক্রমের মাধ্যমে চা শিল্পের সমস্যাগুলো দূর করা সম্ভম্ব বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
80
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা, তা-ই অতি ক্ষুদ্র শিল্প।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
129
উত্তরঃ

বাংলাদেশে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প এবং কুটির শিল্প এই দুই চরম বিপরীতধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে রয়েছে ক্ষুদ্র শিল্প।
ক্ষুদ্র শিল্প বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানাভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লাখ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৫-৯৯ জন শ্রমিক কাজ করে।
ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাবান শিল্প, দিয়াশলাই শিল্প, কাঠশিল্প, হোসিয়ারি শিল্প, লবণ শিল্প ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
121
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews