বাংলাদেশে কুটির শিল্পের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। একসময় গ্রামের মানুষ নিজ হাতে কুটিরে নানা জিনিস তৈরি করত। ইবনে বতুতা চৌদ্দ শতকে এ দেশে এসে বাংলার কুটির শিল্পের সমৃদ্ধির কথা লিখেছেন। তখন মসলিন কাপড় ছিল বিশ্বের সেরা কাপড়গুলোর একটি। মোগল বাদশাহ-বেগমরা মসলিন কাপড় ব্যবহার করতেন। আজও এই ঐতিহ্য টিকে আছে। কুটির শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গৌরব বহন করে।
Related Question
View Allআগে গ্রামের মানুষ তাদের ঘরে বা কুটিরে হাতে তৈরি করত কুটির পণ্য। সেক্ষেত্রে কোনো যন্ত্র বা কারখানা ব্যবহার করা হতো না। এরপর তারা পণ্যগুলো বাজারে বা মেলায় বিক্রি করত।
যেসব জিনিস গ্রামীণ কুটিরে হাতে তৈরি হতো সেগুলোকে কুটির পণ্য বলা হয়। এগুলো আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
কুটির শিল্পের মধ্যে জামদানি শাড়ি, তাঁতের কাপড়, শীতলপাটি, নকশিকাঁথা, মাটির হাঁড়ি, বাঁশ-বেতের আসবাব, পাটের জিনিস ইত্যাদি রয়েছে। এসব জিনিস মানুষ নিজের হাতে তৈরি করে
মসলিন কাপড় সূক্ষ্ম সুতা দিয়ে হাতে তৈরি হতো। মোগল বাদশাহ ও বেগমরা এটি ব্যবহার করতেন। আরব ও ইউরোপের বণিকেরা মসলিন কিনে নিয়ে যেতেন। এভাবে এটি বিশ্বে বিখ্যাত হয়েছিল।
মাটি দিয়ে থালা-বাটি, হাঁড়ি-পাতিল, হাতি-ঘোড়া ও পুতুল তৈরি করা হয়। এসব পণ্য দেখতে সুন্দর এবং বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উপযোগী। এগুলো গ্রামীণ জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাঁশ দিয়ে তৈরি হয় বেড়া, ঝুড়ি, কুলা, চালুন ও মোড়া। বেত দিয়ে বানানো হয় চেয়ার, টেবিল, দোলনা, বই রাখার তাক ও ধামা। এসব পণ্য ঘরে ব্যবহার করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!