বাংলাদেশের কৃষিতে নীরব বিপ্লব সাধিত হয়েছে। লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনের ফলে উপকূলীয় এলাকা ধান চাষের আওতায় এসেছে। দ্রুত বর্ধনশীল শস্যের জাত উদ্ভাবনের ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা দূর হয়েছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও সরকার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খাদ্যশস্য আমদানি, অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও কৃষি গবেষণার উপর গুরুত্ব দিয়েছে।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

যেসব খাদ্যে যথাযথ পুষ্টিগুণ বিদ্যমান এবং যা নষ্ট বা পরিত্যক্ত নয়, সেসব খাদ্যকে নিরাপদ খাদ্য বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

মানুষ তার বিজ্ঞানসম্মত বিদ্যা ও মেধা কাজে লাগিয়ে যেসব কৃষি উপকরণ যন্ত্রপাতি ও কলাকৌশল আবিষ্কার করেছে তা
কৃষি কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রয়োগ করার কৌশলকে কৃষি প্রযুক্তি বলা হয়। অর্থাৎ জমি চাষ থেকে শুরু করে শস্য বপন, আগাছা পরিষ্কার, শস্য কর্তন ও মাড়াই, গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণ ইত্যাদি কৃষি কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রচলিত ও গবেষণায় প্রাপ্ত প্রয়োগিক জ্ঞান ও উপকরণের প্রয়োগ বা কাজে লাগানোকে বলা হয় কৃষি প্রযুক্তি। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষিতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহৃত
হচ্ছে। কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কৃষকের পরিশ্রম, সময় ও উৎপাদন ব্যয় কমেছে এবং কৃষি উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণ।
তাই বাংলাদেশের কৃষিতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে যেসব কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ সরকারও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মেটাতে দেশজ খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নকে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্র সেচ সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, উন্নত মানের ও উচ্চফলনশীল বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকের চাহিদা ও বাজার চাহিদাভিত্তিক সিস্টেম বেজড এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কীটপতঙ্গ/রোগবালাইমুক্ত, খরা/লবণাক্ততা সহিষ্ণু, আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী এবং স্বল্প সময়ে ফসল পাওয়া যায় এরপ শস্যের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং সম্প্রসারণসহ সার্বিক কৃষি গবেষণাকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পরমাণু ও বায়োটেকনোলজি পদ্ধতি ব্যবহার করে লবণাক্ততা সহিষ্ণু এবং স্বল্প সময়ের শস্যের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল উপকূলীয় এলাকা ধান চাষের আওতায় আনার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তদ্রুপ স্বল্প সময়ের (সর্বোচ্চ ১১০ দিন) শস্যের জাত চাষের ফলে দেশের মঙ্গাপীড়িত এলাকায় অভাবের সময় খাদ্যাভাব দূরীকরণ এবং মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এছাড়া সরকার প্রতিবছর খাদ্যশস্য আমদানি করে এবং অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে মজুদ বৃদ্ধি করেছে।

অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে উক্ত কর্মসূচির কথাই উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত নিরাপদ খাদ্য কর্মসূচির যথার্থতা নিচে নিরূপণ করা হলো-

⇒ খাদ্যমজুদ বৃদ্ধি তথা খাদ্যঘাটতি মোকাবিলায় সরকার প্রতিবছর খাদ্যশস্য আমদানি করে থাকে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ আমদানির পরিমাণ ছিল ১৮.৭২ লাখ মেট্রিক টন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪১.৯১ লাখ মেট্রিক টন।

⇒ খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সরকার প্রতিবছর খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে মজুদ করে থাকে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে সরকারিভাবে মোট খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ১৬ লাখ মেট্রিক টন। চলতি ২০১৬-১৭অর্থবছরে বাজেটে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ২০.৫০ লাখ মেট্রিক টন।

⇒ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর এবং মার্চ এপ্রিল মাসের মঙ্গা মোকাবিলা এবং মৌসুমি বেকারত্ব নিরসনে সরকার দেশের হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ প্রেক্ষিতে সরকার খরা-সহিষ্ণু এবং দ্রুত ফলনশীল জাতের ধান চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করার পাশাপাশি উদ্যান চাষের কর্মসূচিকে পুনরুজ্জীবিত করে। এতে করে ঐসব হতদরিদ্র লোকদের আয় বৃদ্ধি পায়, মঙ্গার ব্যাপ্তি হ্রাস পায় এবং খাদ্য ব্যয় কমে।

⇒ দেশের জনসাধারণের দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন খাত ও উপখাত যেমন- কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রম, কৃষি সম্প্রসারণ ও প্রশিক্ষণ, কৃষিপণ্যের বিপণন, কৃষি সহায়তা ও পুনর্বাসন, কৃষি উপকরণ ও যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন, সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা, বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ, সেচ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেচ কার্যক্রম, শস্য সংরক্ষণসহ সামগ্রিক কৃষিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া সরকার সারাদেশে ১ কোটি ৪০ লাখ কৃষক পরিবারের মধ্যে উপকরণ সহায়তা কার্য বিতরণ করেছে।

সর্বোপরি বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত নিরাপদ খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
34
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যা ভোক্তার নিকট ক্ষতিকর হবে না এবং যা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত হবে ভোগের জন্য তা-ই নিরাপদ খাদ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
73
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সময়ে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যের প্রাপ্তিকেই খাদ্যের প্রাপ্যতা বলা হয়। পর্যাপ্ত উৎপাদন এবং নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পর্যাপ্ত খাদ্যের সরবরাহ নির্ভর করে সরকারি ও বেসরকারি খাদ্যশস্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উপর। কিছু কিছু জায়গায় পদ্ধতিগত দুর্বলতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় খাদ্যে সরকারি সহযোগিতার অভাবে খাদ্যের প্রাপ্যতা বাধাগ্রস্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
85
উত্তরঃ

উদ্দীপকে খাদ্যে ভেজালের কথা বলা হয়েছে। উক্ত বিষয়টি প্রতিরোধে সরকার যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇨ সরকার ভেজালবিরোধী আইনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সংসদে ভেজালবিরোধী আইন পাশ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

⇨ দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভেজালে সহায়তাকারী বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

⇨ ভেজাল প্রতিরোধে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে।

অতএব বলা যায়, সরকারের সদিচ্ছা এবং আইনের কার্যকরী প্রয়োগ দ্রুত দেশের ভেজাল প্রতিরোধ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
65
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নিচে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

উন্নত বিশ্ব খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দিতে নারাজ, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তারা নিরাপদ খাদ্য পেতে চায়। নিরাপদ খাদ্য পেতে তারা খরচের কথা চিন্তা করে না। ফলে তাদের খাদ্যের সরবরাহ ভালো। তাদের খাদ্য ক্রয়-বিক্রয়ও অনেক ভালো।
কিন্তু বাংলাদেশে ঠিক এর ব্যতিক্রম অবস্থা। বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি হলেও এই খাদ্য সরবরাহ করার পরও মানুষ প্রচুর অপচয় করে। এই অপচয় রোধে বিক্রেতারা খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিনের মতো বিষও প্রয়োগ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি সব খাদ্যে পচনশীলতা দূর করতে ফরমালিন প্রয়োগ করছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। খাদ্যের এই ভেজাল দিন দিন মনে হয় আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আশু প্রতিক্রিয়া তেমন দেখা যাচ্ছে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
70
উত্তরঃ

খাদ্য নিরাপত্তা হলো নির্ভরশীল স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের পর্যাপ্ত যোগান যা ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বিদ্যমান থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
96
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী কর্তৃক শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান প্রাপ্তির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট খাদ্যদ্রব্য গ্রহণকেই খাদ্যের ব্যবহার বলে।

শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে যে সব খাদ্য গ্রহণ করা হয়, তার আত্তীকরণের উপর নির্ভর করে খাদ্যের ব্যবহার। খাদ্যভোগের ধরন, পুষ্টিমান, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামাজিক, সাংস্কৃতিক উপাদান; যেমন- খাদ্যে প্রাপ্যতা খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা এবং তার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। দারিদ্র্য, লিঙ্গ, বয়স, কাঠামো ও সামর্থ্য, ভৌগোলিক অবস্থান, সংস্কৃতি চর্চা খাদ্যভোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
76
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews