Related Question
View All১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
'৬৯' এর গণ আন্দোলনের ফলে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। এর আগে তিনি ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা তুলে নেন। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন দিতে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নতুন সামরিক সরকার বাধ্য হয়। গণঅভ্যুত্থানের ফলে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটে।
উদ্দীপকের 'আলোর দিশারী' সংস্থাটি একটি বেসরকারি সংস্থা।
বেসরকারি সংস্থা বলতে কোনো অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে বোঝায়, যা উন্নয়ন সহযোগিতা অথবা শিক্ষা ও নীতিগত কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকে। বাংলাদেশে বেসরকারি সংস্থাসমূহ বিভিন্ন আর্থ- সামাজিক কর্মকাণ্ড যেমন- দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে গ্রামীণ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ সংস্থাসমূহ জামানতবিহীন ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান, বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা, কৃষি উন্নয়নসহ নানা ফলপ্রসু পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বর্তমানে দেশে রেজিস্ট্রিকৃত প্রায় ২,৫০০ দেশি-বিদেশি বেসরকারি সংস্থা প্রায় দুই কোটি উপকারভোগী তৈরি এবং অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। যেমনটি উদ্দীপকেও দেখা যায়।
উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, নিরক্ষরতা, অনুর্বর জমি, মূলধনের অভাব ইত্যাদি কারণে নীলফামারী জেলার খানাবাড়ি গ্রামের মানুষ দারিদ্র্যের শিকার। এমতাবস্থায় 'আলোর দিশারী' নামক স্থানীয় একটি সংস্থা গ্রামের মানুষের মাঝে শিক্ষার বিস্তার, মূলধন যোগান, ফসলের চারা বিতাড়ন ইত্যাদি কার্যক্রম গ্রহণ করে। ফলে কিছুদিন পর দেখা যায়, গ্রামের অধিকাংশ মানুষ সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করছে। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে এটা স্পষ্ট যে, 'আলোর দিশারী' নামক সংস্থাটি একটি বেসরকারি সংস্থা।
বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনে উদ্দীপকে উল্লেখিত সংস্থা অর্থাৎ বেসরকারি সংস্থাগুলো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
সমকালীন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনে অনেক বেসরকারি সংস্থা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এসব সংস্থা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের মানসিক, দৈহিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালায়। পাশাপাশি এসব বেসরকারি সংস্থা গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নেও প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। ফলে গ্রামে রাস্তাঘাট, বাজার, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এ কারণে সমকালীন বাংলাদেশের সমাজকাঠামো নানাভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ লাভ করছে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, দারিদ্র্য বিমোচন প্রতিটি ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাসমূহের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যা বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনে বেসরকারি সংস্থাসমূহের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, নিজেকে বয়স্ক ভাবা একটি মানসিক রোগ।
স্থানীয় সরকারব্যবস্থার প্রথম সোপান ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা গ্রামীণ সমাজে ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করেন। এদের বেশিরভাগই ধনী লোক, প্রভাবশালী পরিবার থেকে আগত। এরা মূলত গ্রামীণ জনগণের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী অবস্থান নেয়। গ্রামের নানা রকম উন্নয়নমূলক কাজ ক্ষমতাসীন সরকার এদের মাধ্যমেই সম্পন্ন করে থাকে।
উদ্দীপকে জেন্ডার বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে।
জেন্ডার হচ্ছে সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা নারী-পুরুষের পরিচয়। এই পরিচয়ের কারণে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভিন্ন পার্থক্য করা হয়; যা শুভ্র ও তিশার ক্ষেত্রেও লক্ষণীয়। জেন্ডার বৈষম্যের নানাবিধ প্রভাব দেখা যায়।
জন্মগত বৈষম্য: পিতৃতান্ত্রিক সমাজে জন্ম নেওয়া সন্তানের ক্ষেত্রে জেন্ডার বৈষম্য চোখে পড়ে। যেমন- একটি পুত্রসন্তান পেলে তারা যেরূপ আনন্দচিত্তে ও আগ্রহভরে তাকে নিয়ে নানান রঙিন স্বপ্ন দেখে, একটি কন্যাসন্তান হলে ঠিক তদ্রুপ বিষাদঘন চিত্তে তারা কন্যাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনায় পড়ে।
খাদ্য পরিবেশনে বৈষম্য: পরিবারে খাবার পরিবেশনকালে ছেলে ও মেয়ে একত্রে উপস্থিত থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ছেলেকে উত্তম খাদ্য পরিবেশন করা হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য: অনেক পরিবারেই পুত্রসন্তানের জন্য যথাসাধ্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও কন্যাসন্তানের জন্য ততখানি করা হয় না। অল্পবয়সেই মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে তার পিছনে পড়াশোনা বাবদ ব্যয় কমানো যায়।
শ্রমমূল্যে বৈষম্য: জেন্ডার বৈষম্যের কারণে নারীরা পুরুষের তুলনায় কম মজুরিতে কাজ করে থাকে।
চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্যঃ আমাদের দেশে চাকরির ক্ষেত্রে জেন্ডার বৈষম্য চোখে পড়ে। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ হওয়ায় সকল কর্মক্ষেত্রে পুরুষেরা বেশি অগ্রাধিকার পায়। এছাড়া অনেক কর্মে মেয়েদের নিরুৎসাহিত করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!