বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড আমেরিকার KFC এর সাথে তাদের নাম ব্যবহার ও পণ্য বিক্রির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। উক্ত চুক্তির ফলে ট্রান্সকম লিমিটেড KFC কে মাসিক বিক্রির ওপর কমিশন দেবে এবং KFC ট্রান্সকম লিমিটেডকে নির্দিষ্ট কতগুলো শর্ত দেয়। এ শর্তগুলো মেনে ট্রান্সকম লিমিটেড KFC এর পণ্য বিক্রি করার একচ্ছত্র অধিকার পায়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো পণ্যকে অন্য পণ্য থেকে স্বতন্ত্র করার লক্ষ্যে ব্যবহৃত প্রতীকই হলো ট্রেডমার্ক।

উত্তরঃ

কোনো প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত সেবাকে অন্য প্রতিষ্ঠানের সেবা থেকে পৃথক করার জন্য যে চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকে সার্ভিস মার্ক বলে।
এর মাধ্যমে মালিক নির্দিষ্ট সেবা ব্যবহার ও বিক্রির একচ্ছত্র অধিকার পেয়ে থাকে। এর মাধ্যমে ক্রেতা-ভোক্তাদের কাছে তার সেবার পরিচিতি বাড়ে। এছাড়া ফলে অসাধু ব্যবসায়ীদের জালিয়াতি রোধ করা যায়। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই এর সুফল পায়।

উত্তরঃ

ট্রান্সকম লিমিটেড ও KFC-এর মধ্যকার চুক্তিটি হলো ফ্রানসাইজিং চুক্তি।
ফ্রানসাইজিং চুক্তির মাধ্যমে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার, এর পণ্য তৈরি, বিক্রি বা বিতরণ করার অধিকার পাওয়া যায়। এ চুক্তিতে ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি এ দুটি পক্ষ থাকে।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড আমেরিকার KFC-এর সাথে একটি ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষর করে। এখানে ট্রান্সকম লিমিটেড হলো ফ্রানসাইজি এবং KFC হলো ফ্রানসাইজর। চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ট্রান্সকম লিমিটেড KFC-এর পণ্য বাংলাদেশে বিক্রি করার একচ্ছত্র অধিকার পায়। এজন্য ট্রান্সকম লিমিটেডকে প্রথমে নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি ও পরে বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট হারে মুনাফার অংশ দিতে হবে। এ ব্যবসায়ের উৎপাদিত পণ্য যদি KFC (ফ্রানসাইজর) এর মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক না হয়, তাহলে যেকোনো সময় এ চুক্তি বাতিল হতে পারে। এটি ফ্রানসাইজিং চুক্তির বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে। যায়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড এবং আমেরিকার KFC-এর মধ্যকার চুক্তিটি ফ্রানসাইজিং-এর অন্তর্গত।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের চুক্তির ফলে ট্রান্সকম লিমিটেড ব্যবসায়ের অর্থসংক্রান্ত, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনাগত কিছু সুবিধা ও অসুবিধা ভোগ করবে বলে আমি মনে করি।
বর্তমানে ফ্রানসাইজিং পদ্ধতিতে ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ব্যবসায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফ্রানসাইজিং চুক্তি।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড আমেরিকার KFC-এর সাথে একটি ফ্রানসাইজিং চুক্তির মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করে।
চুক্তি অনুযায়ী ট্রান্সকম লিমিটেড মাসিক বিক্রির ওপর কমিশন দেবে। আবার কিছু শর্তও মেনে চলতে হবে। ফ্রানসাইজিং-এর মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করায় ট্রান্সকম লিমিটেড কিছু সুবিধা লাভ করবে। KFC একটি খ্যাতনামা কোম্পানি। এ চুক্তির মাধ্যমে ট্রান্সকম লিমিটেড KFC-এর পণ্য বাজারজাতকরণ, কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং যেকোনো সময় KFC-এর কাছ থেকে অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে। এছাড়া KFC ট্রান্সকম লিমিটেডকে ব্যবসায় সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শও দেবে। এ ধরনের ব্যবসায়ের কিছু অসুবিধাও আছে। KFC বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেডের কার্যক্রমের ওপর কড়াকড়িভাবে নজরদারি করবে। চুক্তিপত্রে উল্লিখিত শর্ত অমান্য করলে KFC ট্রান্সকম লিমিটেডের সাথে চুক্তি বাতিল করতে পারবে। এছাড়া, এ ধরনের ব্যবসায় শুরু করার জন্য ট্রান্সকম লিমিটেডকে বেশি পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হবে। তাই বলা যায়, ফ্রানসাইজিং চুক্তির ফলে ট্রান্সকম লিমিটেড উল্লিখিত সুবিধা-অসুবিধাগুলোর সম্মুখীন হতে পারে।

338

জীবিকা অর্জন ও মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যে কোনো ব্যবসায় করার অধিকার সকলের রয়েছে। তবে সকল ব্যবসায় দেশের প্রচলিত আইন দ্বারা স্বীকৃত ও বৈধ হতে হয়। এ অধ্যায়ে ব্যবসায়ের বিভিন্ন আইনগত দিক যেমন লাইসেন্স, ট্রেড মার্কস, ফ্রানসাইজ ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারব।


এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • ব্যবসায়ের আইনগত দিকের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • লাইসেন্সের ধারণা ও এটি পাওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • ফ্রানসাইজের ধারণা ও এটি পাওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব ।
  • পেটেন্টের ধারণা, নিবন্ধনকরণ ও সুবিধাবলি বর্ণনা করতে পারব।
  • ট্রেড মার্কের ধারণা ও ধরন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ট্রেড মার্ক নিবন্ধন করার পদ্ধতি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করতে পারব
  • কপিরাইটের ধারণা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কপিরাইট নিবন্ধন করার সুবিধা বর্ণনা করতে পারব।
  • BSTI সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • বিমার ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • বিমার প্রকারভেদ ও বিমা করার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

লেখক বা শিল্পীর সৃজনশীল সাহিত্য বা শিল্পকর্ম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিক্রি, উন্নয়ন ও ব্যবহারের একক আইনগত অধিকারকে কপিরাইট বলে।
এর উদ্দেশ্য হলো সৃষ্টিকর্ম নকল থেকে রক্ষা করে প্রকৃত লেখক, শিল্পী বা স্বত্বাধিকারীর স্বার্থের সুরক্ষা করা। কপিরাইট আইন অনুযায়ী একজন লেখক বা শিল্পী তার সৃষ্ট কাজের ওপর পূর্ণ অধিকার লাভ করেন। সাধারণত বই, প্রবন্ধ, নৃত্য, সংগীত, চিত্র, চলচ্চিত্র প্রভৃতি কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত।

223
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং (Franchising) ব্যবসায়ের অন্তর্ভুক্ত।
এর মাধ্যমে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার করে পণ্য তৈরি ও বিক্রি করার অধিকার পাওয়া যায়। এরূপ ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মূল প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতির বিনিময়ে মূল প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট হারে ফি পেয়ে থাকে। কেএফসি, পিজ্জাহাট, ব্যান্ড বকস কোম্পানি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের উদাহরণ।
উদ্দীপকের ইসমাম ঢাকায় বেড়াতে এসে তার মামাতো ভাইয়ের সাথে চিড়িয়াখানা, নভোথিয়েটার, জাতীয় জাদুঘরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকায় ঘোরাফেরা করে। তারা সব জায়গায় একই নামের একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে। এই রেস্টুটেন্টটি বিদেশি। কিন্তু এ দেশেও একই নামে এর অনেক শাখা আছে। মূল রেস্টুরেন্টের নাম ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই ব্যবসায়ীরা এদেশে শাখা খুলেছে। সব শাখায় একই ধরনের খাবার ও সেবা দেওয়া হয়। এজন্য শাখাগুলো বিক্রীত পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি মূল প্রতিষ্ঠানকে দেয়। এসব বৈশিষ্ট্য ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের আওতাভুক্ত।

326
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।

ফ্রানসাইজিং হলো একটি চুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়। এখানে দুটি পক্ষের (ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি) মধ্যে চুক্তি হয়। এ ধরনের ব্যবসায়ে সাধারণত ব্রান্ডেড পণ্য বা সেবা বিক্রি করা হয়।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ে স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামেই পণ্য বিক্রি করা হয়। তাই এ ব্যবসায়ে সাফল্য লাভের সুযোগ বেশি থাকে। তারপরও আমাদের দেশে এ জাতীয় ব্যবসায়ের খুব একটা প্রসার ঘটেনি।

ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য দুই পক্ষকেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফ্রানসাইজরের (মূল প্রতিষ্ঠান) সুনাম যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকে ফ্রানসাইজিকে (অনুমোদন গ্রহণকারী) বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। এজন্য কোনো অবস্থাতেই পণ্য ও সেবার বিকৃতি ঘটানো যাবে না। পণ্যের সঠিক মান বজায় রাখতে হবে। দুই পক্ষকেই চুক্তির শর্ত যথাসম্ভব নমনীয় রাখতে হবে। তাছাড়া যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থাও করতে হবে। এভাবেই এদেশে ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানো যাবে বলে আমি মনে করি।

356
উত্তরঃ

যেকোনো ব্যবসায় শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়াই হলো লাইসেন্স।
লাইসেন্সকে অনুমোদনপত্র বলা হয়। কোনো ব্যবসায় স্থাপন ও পণ্য বিক্রয়ের বৈধ অধিকারের জন্য উদ্যোক্তাকে লাইসেন্স নিতে হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে তা আবার নবায়ন করা হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট হারে ফি দিতে হয়।

342
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews