বাংলাদেশের প্রধান আম উৎপাদনকারী এলাকা থেকে একদল ছাত্র শিক্ষা সফরে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চা উৎপাদনকারী অঞ্চলে বেড়াতে গেল। তারা সেখানকার ভূপ্রাকৃতিক অবস্থা সম্পর্কে সরেজমিনে অবস্থিত হয়ে উভয় এলাকার পার্থক্য বুঝতে পারল।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ব্যাসল্ট স্তরের সাথে গ্রানাইট স্তরের পৃথকীকরণ রেখাকে কনরাড বিযুক্তি রেখা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে শিলায় ঢেউয়ের মত ভাঁজ পড়ে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
গিরিজনি আলোড়নের ফলে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে। ভূভাগের স্থান পরিবর্তনের ফলে প্রান্তভাগের অংশবিশেষে ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে এ পর্বত গঠিত হয়। ভঙ্গিল পর্বতে সুউচ্চ শৃঙ্গ থাকে, যা অন্যান্য পর্বতে কম দেখা যায়। এ পর্বত স্তরযুক্ত নরম পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। এ পর্বতে জীবাশ্মের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। পৃথিবীর দীর্ঘ ও উচ্চতম পর্বতগুলো এ শ্রেণির। রকি, হিমালয় ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম অঞ্চলটি হলো রাজশাহী অঞ্চল যা বরেন্দ্র ভূমির অন্তর্গত।

বাংলাদেশের দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে এ বরেন্দ্রভূমি অঞ্চল গঠিত। এ অঞ্চলের আয়তন ৯.২৮৮ বর্গকিলোমিটার বা ৩,৬০০ বর্গমাইল। বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু হয়ে থাকে। এ অঞ্চলটি প্লাইস্টোসিন যুগের উচ্চভূমি। সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। এ অঞ্চলের মাটির রং অনেকটা হলুদ থেকে লালচে হলুদ। এ অঞ্চলে গভীর খাতবিশিষ্ট আঁকাবাঁকা ছোট ছোট কয়েকটি স্রোতস্বিনী রয়েছে। এগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। বরেন্দ্র অঞ্চলটি কৃষিতে বিশেষভাবে উপযোগী। কৃষিজ ফসলের মধ্যে ধানই প্রধান। ধান ছাড়াও পাট, ভুট্টা, পান প্রভৃতি কিছু কিছু উৎপন্ন হয়ে থাকে এ অঞ্চলে।
এছাড়া এ অঞ্চল নদী বিধৌত বলে এখানকার মাটি কৃষি উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঞ্চল দুটি হলো রাজশাহী এবং সিলেট যা যথাক্রমে বরেন্দ্র ভূমি ও টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপের অন্তর্গত। বাংলাদেশের দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে এ বরেন্দ্রভূমি অঞ্চল গঠিত। এ অঞ্চলের আয়তন ৯,২৮৮ বর্গকিলোমিটার বা ৩,৬০০ বর্গমাইল। বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু হয়ে থাকে। এ অঞ্চলটি প্লাইস্টোসিন যুগের উচ্চভূমি। সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। এ অঞ্চলের মাটির রং অনেকটা হলুদ থেকে লালচে হলুদ। এ অঞ্চলে গভীর খাতবিশিষ্ট আঁকাবাঁকা ছোট ছোট কয়েকটি স্রোতম্বিনী রয়েছে। এগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। বরেন্দ্র অঞ্চলটি কৃষিতে বিশেষভাবে উপযোগী। কৃষিজ ফসলের মধ্যে ধানই প্রধান। ধান ছাড়াও পাট, ভুট্টা, পান প্রভৃতি কিছু কিছু উৎপন্ন হয়ে থাকে এ অঞ্চলে। অন্যদিকে, টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় মায়ানমারের দিক থেকে আগত গিরিজনি আলোড়নের ধাক্কায় ভাঁজ হয়ে উক্ত অঞ্চলটি গঠিত হয়। এ অঞ্চলের মাটি বেলে পাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। বাংলাদেশের প্রকৃত পাহাড়িয়া এলাকা বলতে এ অঞ্চলকেই বোঝায়। বাংলাদেশের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাসমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তর্গত। এর মধ্যে সিলেট অঞ্চলটি টারশিয়ারী যুগের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত দুই অঞ্চলের ভূমিরূপগত পার্থক্য রয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
83

Related Question

View All
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
210
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ভূপ্রকৃতিটি হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।

রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পাহাড়ী এলাকাগুলো নিয়ে টারশিয়ারি অঞ্চল গঠিত। সম্ভবত টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় মিয়ানমারের দিক হতে আগত গিরিজনি আলোড়নের ধাক্কায় ভাঁজগ্রস্ত হয়ে এসব পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে। তাই এদের টারশিয়ারি পাহাড় বলা হয়। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মায়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ী অঞ্চলের আয়তন ১০,৩২৪ বর্গ কি.মি.। এ পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। পাহাড়গুলোর গায়ে
ক্ষুদ্র-বৃহৎ বৃক্ষরাজির বন এবং অসংখ্য ঝোপজঙ্গল রয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বিচ্ছিন্ন ছোট-বড় পাহাড় নিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল অবস্থিত। যা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর এ অঞ্চলটি দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
158
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক', 'খ' ও 'গ' ভূপ্রকৃতি হলো যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল। এদের মধ্যে সাম্পতিক কালের প্লাবন সমভূমির ভূপ্রকৃতি সর্বাধিক।টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত। সমুদ্র সমতল থেকে বাকি অঞ্চলগুলো যেমন- দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার এবং নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার। এই অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে আছে। এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওর বলে। এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওরসমূহ বর্ষার পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে হ্রদের আকার ধারণ করে। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভুমি খুবই উর্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
155
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে সুউচ্চ শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
138
উত্তরঃ

ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের স্থানচ্যুতি ঘটে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কখনো নিম্নগামী হয়।
চ্যুতি বরাবর ঊর্ধ্বগামী শিলাস্তূপকে স্তূপ পর্বত বলে। এ ধরনের পর্বতের অন্তত একপাশে উঁচু কোণবিশিষ্ট স্বাভাবিক চ্যুতি থাকে। ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, ভোজ, নীলগিরি ও আন্ন্যামালি এ পর্বতের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
190
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews