বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মুনিয়ার দেয়া পরামর্শটি মূল্যায়ন করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

মুনিয়া কৃত্রিম পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ডিম হতে বাচ্চা ফুটানো হয়। এ পদ্ধতিতে কম সংখ্যক (৮-১০টি) ডিম ফুটানো যায়। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর জন্য ডিমে তাপ দিতে গিয়ে কখনো মুরগি ডিম ভেঙে বা বাচ্চা মেরে ফেলে। তাছাড়া এ পদ্ধতিতে সব ডিম ফুটে না, কিছু ডিম নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু মুনিয়া কৃত্রিম পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদনে ইনকিউবেটর যন্ত্র ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। ইনকিউবেটর যন্ত্র দিয়ে একই সময়ে অধিক সংখ্যক ডিম ফুটানো যায়। কৃত্রিম এই পদ্ধতিতে সব ডিম ফুটে এবং ডিম নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এ পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর জন্য মুরগির ওপর নির্ভর করতে হয় না। কৃত্রিমভাবে ডিমে তাপ দেওয়া হয়, মুরগির প্রয়োজন হয় না।

তাছাড়া তনয় পশুপালন বিষয়ে স্নাতকত্তোর ডিগ্রিধারী হওয়ায় খামার ব্যবস্থাপনার ওপর তার ব্যবহারিক জ্ঞান রয়েছে। তাই সে দক্ষভাবে খামার পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছে। সে এলাকার যুবকদের সংগঠিত করে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে যা দেশের আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার খামারে উৎপাদিত বাচ্চা দিয়ে আশেপাশে অনেক ব্রয়লার ও লেয়ার খামার গড়ে উঠবে। ফলে দেশে মোট মুরগি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ, দেশের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণেও তার এই খামারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বোপরি আধুনিক, প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তার খামারের অধিক উৎপাদনশীলতা অন্যদেরকেও এই কাজে অনুপ্রাণিত করবে।

পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বেকার জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তনয়ের উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
136

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
839
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
536
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
614
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
729
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
710
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews