বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় লন্ডনে। গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার। ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম' সেদেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য উদাহরণ স্থাপন করে ।
মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশ ওমানে গড়ে ওঠে বাংলা ভাষার শহীদ মিনার। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নির্মিত এই মিনারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেখানকার তৎকালীন রাষ্ট্রদূত গোলাম আকবর খন্দকারের উদ্যোগে।
বাংলাদেশের সরকারের অর্থায়নে, দেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় জাপানে।
ইউরোপের প্রথম শহীদ মিনারটি স্থাপিত হয় উত্তর লন্ডনে। ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার জন্য আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে এই ওল্ডহ্যাম শহরেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বাংলাদেশের কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের আদলে দেশের বাইরে প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার।
Related Question
View Allবগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ভুরানিপুর ইউনিয়েনর বালেন্দা গ্রামে ১০০ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপনের মাধ্যমে 'শস্য চিত্রে বঙ্গবন্ধু' নির্মাণ করা হয়।

মুজিব বর্ষে বগুড়ার শেরপুরে ১০০ বিঘা জমির যে বিশাল ‘ক্যানভাসে’ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জাতির পিতার মুখ, তা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।
রোপণের কৌশলে ধানের চারায় জাতির জনকের যে অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বগুড়ার শেরপুরে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র হিসেবে তা স্থান করে নিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পাতায়।
ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত পলাশীর প্রান্তরে ২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে ‘পলাশীর যুদ্ধ' সংঘটিত হয়।
বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন সিপাহী রজব আলী । এই সিপাহী বিদ্রোহে প্রথম জীবন দান করেন মঙ্গল পান্ডে। ১৮৫৭ সালের বিপ্লবকে সিপাহী বিদ্রোহ; আবার কেউ কেউ একে 'জাতীয় সংগ্রাম' বলে অভিহিত করেন। এটি ছিল পাক-ভারত উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ। চার মাস অবরোধের পর ব্রিটিশগণ দিল্লি দখল করে নেয় ।
সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয় ১৭৫৭ সালে। সিপাহী বিদ্রোহের নেতা হাবিলদার রজব আলী ও মঙ্গল পান্ডে। সিপাহী বিদ্রোহ সমর্থন করার ক্ষমতাচ্যুত হন দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ । দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নির্বাসন দেওয়া হয়- রেঙ্গুনে (মিয়ানমার)।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জন কে নিয়ে ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় । ১৯ জুন, ১৯৬৮ সালে কুর্মিটোলা সেনানিবাসে এই মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সরকার জনরোষের মুখে এই মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।
'আমি বীরঙ্গনা বলছি' গ্রন্থের রচয়িতা নীলিমা ইব্রাহিম। উল্লেখ্য, গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!