বাংলাদেশের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীগুলো জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে একইসূত্রে গাঁথা।
বাংলাদেশে অনেকগুলো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের দিক থেকে তাদের মাঝে রয়েছে অনেক ধরনের বৈচিত্র্য। তবে সবাই জাতীয়তার পরিচয়ে এক। দেশকে ভালোবাসার ক্ষেত্রেও তারা ঐক্যবদ্ধ।
Related Question
View Allচাকমারা পহেলা বৈশাখকে 'গ্যাপর্য্যা' বলে আখ্যায়িত করে।'
গ্রামীণ সমাজের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ায় পঞ্চায়েতের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পঞ্চায়েত গ্রামীণ স্বায়ত্ত শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি। পাঁচজন সদস্য নিয়ে যে স্বশাসিত স্বনির্ভর গ্রামীণ পরিষদ গঠিত হয়, তাই পঞ্চায়েত। কয়েকটি গ্রাম নিয়ে প্রশাসনিক, জনকল্যাণমূলক, বিচার বিভাগীয় ও প্রতিনিধিত্বমূলক- এ স্বায়ত্ত শাসনব্যবস্থা গ্রামীণ ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হওয়াতে গ্রামীণ উন্নয়নে এবং গ্রামের যাবতীয় সমস্যা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকের প্রথম স্থানটি রচনার মারমা জাতিসত্তাকে নির্দেশ করে।
বাংলাদেশে বসবাসকারী নানা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মারমা অন্যতম। রচনায় মারমা জনগোষ্ঠীর জীবন কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে। মারমাদের ভাষা, বর্ণমালা, পোশাক, শাসনব্যবস্থা, পারিবারিক জীবন, খাদ্য, ধর্ম, লোকাচার, উৎসব সম্পর্কে বলা হয়েছে। রচনার এই অংশ থেকে আমরা জানতে পারি, মারমাদের নববর্ষের উৎসবকে সাংগ্রাই বলে। তারা দেব-দেবীর পূজা করে। আলোচ্য রচনার ও উদ্দীপকের এই অংশটি অভিন্ন।
উদ্দীপকের প্রথম অংশে বাহার ও সঞ্জীব যে পার্বত্য অঞ্চলে বেড়াতে যায়, সেখানকার স্থানীয় লোকজন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং পিতৃতান্ত্রিক। তারা দেব-দেবীর পূজা করে এবং নববর্ষে 'সাংগ্রাই' উৎসব পালন করে। ঠিক একই রকম বৈশিষ্ট্য আমরা দেখতে পাই 'বহু জাতিসত্তার দেশ-বাংলাদেশ' রচনার মারমা জনগোষ্ঠীর মধ্যে। সে বিবেচনায় উদ্দীপকের প্রথম স্থানটি 'বহু জাতিসত্তার দেশ-বাংলাদেশ' রচনার মারমা জাতিগোষ্ঠীকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের শেষ স্থানটি বাংলাদেশের চাকমা জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে।
প্রাবন্ধিক 'বহু জাতিসত্তার দেশ-বাংলাদেশ' রচনায় এ দেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সাথে সাথে চাকমাদেরও বৈচিত্র্যময় জীবন ও তাদের জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকের শেষ স্থানটি অর্থাৎ বাহার ও তার বন্ধু সঞ্জীব যেখানে বেড়াতে যায় সেখানকার জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছে। সেখানে সমাজের প্রধান হলেন রাজা। গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি। সেখানকার পুরুষেরা 'ধুতি' ও মহিলারা 'পিনন' পরিধান করে। পুরুষেরা নিজেদের তৈরি 'সিলুম' বা জামা পরে আর মেয়েরা খাদিকে ওড়না হিসেবে ব্যবহার করে। উদ্দীপকের এই বর্ণনা মূলত চাকমা জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে।
'বহু জাতিসত্তার দেশ-বাংলাদেশ' রচনায় চাকমা জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্য চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আলোচ্য রচনায় চাকমাদের ভাষা, পারিবারিক কাঠামো, খাদ্য, ঐতিহ্য, আচার-অনুষ্ঠান, ধর্ম, উৎসব সর্বোপরি তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। এখানে আমরা দেখতে পাই, চাকমাদের সমাজের প্রধান হলেন রাজা। গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি। সেখানকার পুরুষেরা 'ধুতি' ও মহিলারা 'পিনন' পরিধান করে। পুরুষেরা নিজেদের তাঁতে তৈরি 'সিলুম' বা জামা পরে। প্রাবন্ধিক চাকমাদের সংস্কৃতি ও জীবনাচারের এক অনবদ্য চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, যার প্রতিচ্ছবি আমরা উদ্দীপকের শেষাংশে দেখতে পাই। এদিক বিবেচনায়, উদ্দীপকের শেষ অংশে বাংলাদেশের যে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরা হয়েছে তা চাকমা জনগোষ্ঠীর।
ত্রিপুরাদের ভাষার নাম 'ককবরক'।
ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের আত্মপরিচয় পাওয়া যায় এমন সব বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় সংস্কৃতি।
পৃথিবীতে মানুষের মাঝে আছে নানা ধরনের বৈচিত্র্য। পৃথিবীর বিশাল এই জনসমষ্টি আবার অসংখ্য জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় ইত্যাদিতে বিভক্ত। এক একটি জনসমষ্টির আচার-আচরণ, জীবিকার ধরন, শিল্প-সাহিত্য, সামাজিক সম্পর্ক, রীতিনীতি ইত্যাদি একেক রকম। এ বিষয়গুলোর সম্মিলিত নামই সংস্কৃতি, যার মাধ্যমে আমরা নির্দিষ্ট একটি জনগোষ্ঠীর পরিচয় পেয়ে থাকি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

