বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৪০.৬ ভাগ যে ক্ষেত্র থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে সেই ক্ষেত্রের বিভিন্ন খাতের সমন্বিত অবদান প্রায় ১৪.১০ ভাগ।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও সর্বসাধারণের কল্যাণে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে এবং সরকারের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় সামাজিক এলাকায় (প্রান্তিক ও পতিত জমি) যে বনায়ন করা হয় তাকে সমাজিক বনায়ন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অভিজ্ঞ কৃষক একজন স্থানীয় নেতা এবং পরামর্শদাতা। তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ ও নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন। এছাড়া তিনি গণমাধ্যম থেকেও অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন। এভাবে তিনি নিজ কৃষিজ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে এলাকার অন্য কৃষকদের কৃষি বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। তাই অভিজ্ঞ কৃষককে স্থানীয় তথ্যভাণ্ডার বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্ষেত্রটি হলো কৃষি, যার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো ফসল।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে কৃষির বিভিন্ন খাতের (ফসল, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বন) সমন্বিত অবদান শতকরা ১৪.১০ ভাগ। এর মধ্যে ফসল খাতের অবদান শতকরা ৭.৩৭ ভাগ, বনজ সম্পদ শতকরা ১.৬২ ভাগ, মৎস্য খাত শতকরা ৩.৫৭ ভাগ এবং প্রাণিসম্পদের অবদান শতকরা ১.৫৪ ভাগ (তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৮)। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ফসল খাতের অবদান অনস্বীকার্য। খাদ্য হিসেবে আমরা চাল, ডাল, গম, শাকসবজি প্রভৃতি গ্রহণ করে থাকি। পাট, তুলা ইত্যাদি বস্ত্র তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হলো বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদ। উদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়। শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ, যেমন- কাগজ, কলম, পেন্সিল ইত্যাদি তৈরি হয় বাঁশ, আখের ছোবড়া, ধানের খড় প্রভৃতি থেকে। বাঁশ, খড়, কাঠ ইত্যাদি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পাট, পাটজাত দ্রব্য, তামাক, চা, তুলা প্রভৃতি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জিত হচ্ছে।

অতএব বলা যায়, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিল্পায়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কৃষির বিভিন্ন খাতের মধ্যে ফসলের গুরুত্ব সর্বাধিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জামালের কৃষিবিদ বন্ধু বলেছিল, বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে মাঠ ফসলের গুরুত্ব অনেক। যে সকল ফসল সাধারণত বিস্তীর্ণ মাঠে, নিচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে বেড়াবিহীন অবস্থায় তুলনামূলক কম পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। নিচে এ ফসলের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো-

i. খাদ্যের সিংহভাগ যেমন- চাল, ডাল, গম ইত্যাদি মাঠ ফসল হতে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে উৎপাদিত দানা জাতীয় ফসলের ৭৫%, ১০% ও ৯% আসে যথাক্রমে ধান, গম ও ভুট্টা থেকে। 

ii. বস্ত্র তৈরির প্রধান কাঁচামাল পাট, তুলা, রেশম, তিসির আঁশ ইত্যাদি মাঠ ফসল হতে আসে। 

iii. এদেশের গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ ঘরই কাঁচা। গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত বাঁশ, খড়, শন, গোলপাতা ইত্যাদি কৃষিজ পণ্য মাঠ ফসল হতে আসে। 

iv. রোগের চিকিৎসায় ব্যবহূত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কাঁচামাল মাঠ ফসল হতে আসে। 

V. শিক্ষার উপকরণ যেমন- কাগজ, পেন্সিল আসে বাঁশ, আখের ছোবড়া ও ধানের খড় হতে।

উপরিউক্ত বর্ণনা অনুযায়ী বলা যায়, জামালের কৃষিবিদ বন্ধুর বক্তব্যটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
82

Related Question

View All
উত্তরঃ

বঙ্গোপসাগরে ও উপকূলীয় এলাকায় অর্থাৎ লোনা পানিতে যেসব মাছ বাস করে সেগুলোকে লোনা পানির মাছ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
592
উত্তরঃ

মাটির গুণগতমান উন্নয়নের জন্য গাছে ফুল আসার পূর্বে লিগিউম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ দিয়ে মাটিতে মিশিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।

ধৈঞ্চা ও শনপাট জমিতে প্রচুর পরিমাণে জৈব পদার্থ যোগ করে। ধৈঞ্চা গাছের শিকড়ে নডিউল সৃষ্টি হয় যা মিথোজীবী প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে ফসলের গ্রহণোপযোগী করে তোলে। তাই জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ধৈঞ্চা ও শনপাটকে জমিতে সবুজ সার হিসেবে উৎপাদন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
747
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত ফসল হলো মাঠ ফসল। যে সকল ফসল সাধারণত উন্মুক্ত মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় তুলনামূলক কম পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য হলো-

i. সাধারণত বড় জমিতে চাষ করা হয়। 

ii. মাঠের সমস্ত ফসলকে একত্রে বা সমষ্টিগতভাবে যত্ন নেওয়া হয়। 

iii. তুলনামূলকভাবে কম যত্নের প্রয়োজন হয়। 

iv. মাঠের সমস্ত ফসল একত্রে পরিপক্ক হয় বলে একত্রে সংগ্রহ করতে হয় (ব্যতিক্রম- তুলা)। 

v. বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না (ব্যতিক্রম- রাস্তার পাশের জমি)। 

vi. মৌসুমের শুরুতে দাম কম থাকে।

vii. সেচ না দিয়েও অনেক ফসল চাষ করা যায়। 

viii. একবর্ষজীবী ফসল (ব্যতিক্রম- চা)। 

ix. নিচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে চাষ করা হয়। 

Χ. ফসলের উৎপাদন খরচ ও ঝুঁকি বেশি। 

xi. ফসল শুকিয়ে মাড়াই করে ব্যবহার করা হয় (ব্যতিক্রম- পাট, আখ ইত্যাদি)। 

xii. আকারে খাটো ও ছোট হয় (ব্যতিক্রম- আখ, পাট, ভুট্টা ইত্যাদি)।

অর্থাৎ মাঠ ফসলের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যাবলি লক্ষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
562
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কৃষি শিক্ষকের বর্ণিত বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে রয়েছে মাঠ ফসল, উদ্যান ফসল, গবাদিপশু, পোল্ট্রি, সামাজিক বনায়ন ও মৎস্য।

বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে সম্পর্কিত। কৃষি মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানার প্রসার ঘটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করে। নিচে বাংলাদেশের মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রায় উপরে বর্ণিত উপাদানসমূহের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো- 

i. খাদ্যের সিংহভাগ আসে কৃষি হতে। যেমন- চাল, ডাল, গম, শাকসবজি, মাছ ইত্যাদি। 

ii. কৃষি হলো বস্ত্র তৈরির প্রধান কাঁচামালের উপাদান যেমন- পাট, তুলা, রেশম ইত্যাদির উৎস। 

iii. গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণ যেমন- কাঠ, বাঁশ, খড়, শন, গোলপাতা প্রভৃতির উৎস হলো কৃষি। আসবাব তৈরির মূল উপকরণ আসে বন হতে। 

iv. বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক, মরফিন, কোকেন এবং রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ভিদ হতে প্রস্তুত করা হয়। 

V. শিক্ষার উপকরণ যেমন- কাগজ, পেন্সিল ইত্যাদি আসে কৃষির উপাদান হতে। 

vi. জ্বালানি হিসেবে বাঁশ, খড়, নাড়া, গবাদিপশুর বিষ্ঠা ইত্যাদি গৃহস্থালির কাজে ও ইটের ভাটায় ব্যবহৃত হয়, যা কৃষি হতে আসে। 

vii. এ দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৪০.৬ ভাগ কৃষি হতে আসে। 

viii. বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ১১% কৃষিজ পণ্য রপ্তানির ফলে আসে। 

ix. মাছের চর্বি, কাঁটা, হাড় ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবৃহত হয়। 

x. মাছের কাঁটা, আঁইশ, বিষাক্ত মাছ ইত্যাদি শুকিয়ে গুঁড়া করে সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করলে ফসফরাসের অভাব দূর করা যায়।

অতএব, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রায় উদ্দীপকের উপাদানসমূহের গুরুত্ব অনেক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
405
উত্তরঃ

ই-বুক হলো এক ধরনের ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল বই যাতে কোনো বিষয়ে টেক্সট কনটেন্টের সাথে অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও সমন্বিত আকারে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

স্বল্প পরিসরে প্রতিটি উদ্ভিদের আলাদা যত্ন করার মাধ্যমে বাগানে যে ফসলের চাষ করা হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে। ফুল, ফল, শাকসবজি ও মসলাজাতীয় ফসল উদ্যান ফসলের অন্তর্ভূক্ত। সাধারণত বসতবাড়ি সংলগ্ন উঁচু জমিতে উদ্যান ফসলের আবাদ করা হয়। আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশই আসে উদ্যান ফসল থেকে। উদ্যান ফসল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে, পুষ্টির চাহিদা পূরণে ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
6.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews