বাংলাদেশের শাসনকাল ১৯৭২ হতে ১৯৭৫ সাল অনুসারে একটি তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে, শাসকপ্রধান জনাব 'ক' তার সময়টিতে প্রথমত একটি দলিল প্রণয়নে মনোনিবেশ করেন। এর যেকোনো ধারা লঙ্ঘন করা অপরাধ। দ্বিতীয়ত তিনি দেশের মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য কয়েকটি রাজনৈতিক দল মিলে একটি দল গঠন করেন। তৃতীয়ত তিনি দেশের জন্য একটি নীতি প্রণয়ন করেন যার ফলে অনেক দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সঠিকভাবে যুদ্ধ পরিচালনা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দেশি-বিদেশি জনমত গঠনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়নের ফলে বিভিন্নভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। সৃজনশীল পদ্ধতির মূল্যায়ন ব্যবস্থা, শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রভৃতি এ শিক্ষানীতির বৈশিষ্ট্য। এসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার হ্রাস পেয়েছে, ভর্তি ও পাসের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে 'সবার জন্য শিক্ষা' কার্যক্রম সফলতা পেয়েছে, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রকে প্রগতিশীল ও যুগোপযোগী করে তুলেছে। এভাবেই জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০- শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন সূচিত করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের তথ্যচিত্রে প্রথমত যে কাজের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা হলো বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন।

পাকিস্তান কারাগার থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে গড়ে তুলতে মনোনিবেশ করেন। দেশে ফেরার পরদিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম সংবিধান তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। এ আদেশের ভিত্তিতে গণপরিষদ গঠিত হয় এবং ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অক্লান্ত পরিশ্রমে দ্রুততম সময়ে সংবিধান রচিত হয়। সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যা সারাদেশে সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। সংবিধানের যেকোনো ধারা লঙ্ঘন করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ১৯৭২ হতে ১৯৭৫ শাসনামলের প্রথমেই প্রধান শাসক জনাব 'ক' একটি দলিল প্রণয়নে মনোনিবেশ করেন যার যে কোনো ধারা লঙ্ঘন করা অপরাধ। ইঙ্গিতপূর্ণ 'ক' শাসক কার্যত ১৯৭২- ১৯৭৫ সময়ের প্রধান শাসক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর শেখ মুজিবুর রহমানের হাতেই এদেশের সর্বোচ্চ দলিল তথা সংবিধান প্রণীত হয়েছিল। বাংলাদেশের সংবিধান এদেশের সর্বোচ্চ আইনি দলিল। আর এভাবেই উল্লিখিত শাসনামলে জনাব 'ক'-এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতিফলন ঘটিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের শুরুতে প্রথমত যে কাজের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা হলো- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকে জনাব 'ক' এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদক্ষেপ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য যথার্থ ছিল- প্রশ্নের মন্তব্যটির সাথে আমি একমত।

উদ্দীপকের তথ্যচিত্রে জনাব 'ক' এর উল্লিখিত শাসনামলের দ্বারা শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইঙ্গিতপূর্ণ দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।। মুক্তিযুদ্ধের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ যখন ব্যস্ত, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায় এবং বন্যায় দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যোৎপাদন দারুণভাবে ব্যাহত হয়। এছাড়া আরও বিভিন্ন কারণ যেমন- দুর্নীতি, মজুদদারি প্রভৃতি কারণে এদেশের মানুষ দারুণভাবে অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর সরকার জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি ও শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দল নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করে। দ্বিতীয় বিপ্লব খ্যাত এ উদ্যোগ গণমানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গৃহীত হয়েছিল। আবার, আলোচ্য তৃতীয় পদক্ষেপটিও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য যথার্থ ছিল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলভাবে ধরে রাখতে "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়" ঘোষণা করেন, ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে ১৪০টি দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করে দেয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বন্দরকে মাইনমুক্ত করাসহ নানাভাবে সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করে। অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশও খাদ্যদ্রব্য ও ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসে যা সদ্য স্বাধীন দেশকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখে। এভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি সদ্য স্বাধীন দেশকে বঙ্গবন্ধু দেশি-বিদেশি অসংখ্য ষড়যন্ত্রের মাঝেও এগিয়ে নিতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। এটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য সেই সময়ের দাবি ছিল। আর তাই উক্ত পদক্ষেপদ্বয় যথার্থ ছিল এবং এ কারণেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যের সাথে আমি একমত পোষণ করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
168
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে 'গণযুদ্ধ' বা 'জনযুদ্ধ' নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা আদেশ'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

আরিফার বাবা স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী ছিলেন। স্বাধীন বাংলা বেতার একটি গণমাধ্যম। অর্থাৎ, আরিফার বাবা গণমাধ্যমে কাজ করতেন। মুক্তিযুদ্ধে উক্ত মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। সংবাদপত্র ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন। পরে এটি মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, রণাঙ্গনের নানা ঘটনা ইত্যাদি দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের প্রতি অনুপ্রাণিত করে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়ে বিজয়ের পথ সুগম করে। এছাড়া মুজিবনগর সরকারের প্রচার সেলের তত্ত্বাবধানে 'জয় বাংলা' পত্রিকা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অতএব বলা যায়, আরিফার বাবার মতো সংস্কৃতিকর্মী এবং প্রচারমাধ্যম মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আরিফার মায়ের মতো অনেক নারীর ভূমিকাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত আরিফার মা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে খাবার সরবরাহ করতেন। মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করতেন। আরিফার মায়ের ন্যায় মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অপরদিকে, সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রুষা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লক্ষ মা-বোন। তারাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী এবং ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারিভাবে তাদেরকে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে আরিফার মায়ের মতো অনেক নারীই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
939
উত্তরঃ

যে তহবিল থেকে প্রসূত নারীদের অনুদান প্রদান করা হয় সেই তহবিল হচ্ছে 'ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

কোনো দেশের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে যে পরিষদ বা কমিটি গঠন করা হয়, তাকে গণপরিষদ (Constituent Assembly) বলে। যেমন- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু 'বাংলাদেশ গণপরিষদ' নামে একটি আদেশ জারি করেন। এ আদেশবলে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে পরিগণিত হন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews