সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদটি মূলত 'দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা' এবং 'ফ্লোর ক্রসিং' (Floor Crossing) প্রতিরোধ সংক্রান্ত একটি রক্ষাকবচ।
মূল ধারা: যদি কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়ে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোট দান করেন (যাকে ফ্লোর ক্রসিং বলা হয়), তবে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে। এবং 'হর্স ট্রেডিং' বা অর্থের বিনিময়ে সংসদ সদস্যদের দল পরিবর্তন রোধ করা। ১৯৫৪ ও ১৯৭০ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে সংসদকে অস্থিতিশীলতা থেকে বাঁচাতে এটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
উদ্দেশ্য: সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা
বিতর্ক: এই অনুচ্ছেদটি সংসদীয় গণতন্ত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন চিন্তার অন্তরায় হিসেবে সমালোচিত। এর ফলে সংসদ সদস্যরা নিজ দলের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে পারেন না, যা সংসদকে অনেক সময় 'রাবার স্ট্যাম্প' হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
Related Question
View All১৭ নং অনুচ্ছেদ। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ।
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগ (মৌলিক অধিকার) অধ্যায়ের ৩৯(১) নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়েছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগঃ ৮নং অনুচ্ছেদে আছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে প্রবর্তিত হয় এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১টি প্রস্তাবনা ও ৭টি তফসিল রয়েছে। আর সমগ্র সংবিধান ১১টি ভাগে বিভক্ত।
বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!