বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য
১. লিখিত দলিল: বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল। এর ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। এটি ১১টি ভাগে বিভক্ত। এর একটি প্রস্তাবনাসহ চারটি তফসিল রয়েছে।
২. দুষ্পরিবর্তনীয়: বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়। কারণ, এর কোনো নিয়ম পরিবর্তন বা সংশোধন করতে জাতীয় সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এসব মূলনীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত ও প্রভাবিত হয়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
৪. মৌলিক অধিকার: সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা কী কী অধিকার ভোগ করতে পারব তা সংবিধানে উল্লেখ থাকায় এগুলোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
৫. সর্বজনীন ভোটাধিকার: বাংলাদেশের সংবিধানের সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, পেশা নির্বিশেষে ১৮ বছর বয়সের এ দেশের সকল নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেছে।
৬. প্রজাতান্ত্রিক: সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের পক্ষে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ক্ষমতা পরিচালনা করবেন।
৭. সংসদীয় সরকার: বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয়শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার হাতে শাসনকার্য পরিচালনার ভার অর্পণ করা হয়। মন্ত্রি পরিষদ তার কাজের জন্য আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
৮. এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র: বাংলাদেশ এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। এখানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মতো কোনো অঙ্গরাজ্য বা প্রাদেশিক সরকার নেই। জাতীয় পর্যায়ে একটিমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা সমগ্র দেশ পরিচালিত হয়।
৯. আইনসভা: বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট। এটি সার্বভেৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। এর নাম জাতীয় সংসদ। বর্তমানের জাতীয় সংসদ ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
১০. সর্বোচ্চ আইন: বাংলাদেশে্র সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। কারণ বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে দেশের প্রচলিত কোনো আইনের সংঘাত সৃষ্টি হলে সে ক্ষেত্রে সংবিধান প্রাধান্য পাবে। অর্থাৎ যদি কোনো আইন সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যহীন হয়, তাহলে ঐ আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততোখানি বাতিল হয়ে যাবে।
Related Question
View Allযখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন ঐ রাষ্ট্রগুলাের প্রধানরা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলােচনা করে তাকে Second Track Diplomacy বলে।
Second Track Diplomacy বলতে এমন এক শ্রেণির কূটনীতিকে নির্দেশ করে যারা প্রতি অর্থে কূটনীতি নয়। এ শ্রেণির কূটনীতিক বর্গ তাদের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয় কিন্তু সেসকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থ ক। কখনাে কখনাে তাদের দপ্তরে আবার কখনাে কখনাে দপ্তরের বাইরে এসে তাদের কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকে। Second Track Diplomacy প্রথম বা Track I Diplomacy এর কাজে সহায়তা করে থাকে। তাই বলে Second Track Diplomacy প্রথম বা Track I এর সহযােগী নয়। এ শ্রেণির কূটনীতিকগণ সংঘর্ষ নিবারণের জন্য বিভিন্নভাবে তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
BRICS এর পূর্ণরূপ An acronym for Brazil, Russia, India, China, South Africa
সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আর্জেন্টিনা, মিশর এবং ইথিওপিয়াকে BRICS এর নতুন সদস্য রাষ্ট্র।
ভেটো শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে আগত , যার অর্থ হচ্ছে আমি মানি না।
জাতিসংঘ ১৭ টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) নির্ধারণ করেছে।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) এর লক্ষ্যগুলো হলোঃ
১. দারিদ্র্য নির্মূল;
২. ক্ষুধামুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য;
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. বৈষম্য হ্রাস;
১১. টেকসই শহর ও জনগণ;
১২. পরিমিত ভোগ;
১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ;
১৪. পানির নিচে প্রাণ;
১৫. স্থলভাগের জীবন;
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার এবং
১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।
সৌদি আরব এবং কিং আব্দুল আজিজ বন্দর সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের একটি বন্দর।
প্রাচীন কালে বাংলায় যে কয়েকটি জনপদের নাম শোনা যায় তাদের মধ্যে অন্যতম হলো সমতট। বর্তমান নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল এর অংশ বিশেষ ছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!