বাংলাদেশে বিদেশী পর্যটক আকর্ষণের জন্য সমন্বিত ও পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রথমত, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা একটি প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, যাতে তারা নির্ভয়ে বাংলাদেশ ভ্রমণ করতে পারেন। আকর্ষণীয় পর্যটন স্থানগুলোর উপযুক্ত প্রচার এবং পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা তাদের আগ্রহ বাড়াতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুততর করলে বিদেশীদের জন্য বাংলাদেশে আসা আরও সুবিধাজনক হবে। পর্যটন অবকাঠামোর মানোন্নয়ন যেমন-উন্নত হোটেল, নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা-পর্যটকদের অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় করে তোলে। এছাড়া, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। স্থানীয় আতিথেয়তা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিদেশী পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হতে পারে, যা উপস্থাপন ও প্রচারে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আকর্ষণীয় পর্যটন প্যাকেজ ও ছাড়ের ব্যবস্থা করে বিদেশীদের মনোযোগ আকর্ষণ করা সম্ভব। পর্যটকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ভাষায় তথ্য ও গাইডলাইন সরবরাহ করা তাদের ভ্রমণ আরও সহজ করে তোলে। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি পর্যটন সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সর্বোপরি, সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাংলাদেশের পর্যটন বিষয়ক প্রচার চালানো হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে। এসব উদ্যোগ সম্মিলিতভাবে বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশে বিদেশী পর্যটকদের আগমন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।
Related Question
View All"পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার"
বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ দূষণ একটি ব্যাপক আলোচিত ঘটনা যা আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। গত কয়েক দশক ধরে প্রকৃতি বিজ্ঞানীরা মানব জাতিকে সতর্ক ও সচেতন হতে নির্দেশ দিয়ে আসছেন। পরিবেশ দূষণ মানব সমাজে নিদারুন সংকটের সৃষ্টি করেছে এবং মানব জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবেশ দূষণের ফলে শুধু মানব গোষ্ঠীই নয়, বরং সমস্থ জীবকূলের অস্তিত্ব এই পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। দূষণ পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর স্বকীয়তা নষ্ট করে দেয়। পরিবেশে বিভিন্ন উপাদানে ক্ষতিকারক বস্তুর অনুপ্রবেশ ঘটে। বিশিষ্ট বস্তুবিজ্ঞানী ওডামের মতে, “বায়ু, পানি, মাটি” ইত্যাদি ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক বৈশিষ্ট্যের যে পরিবর্তন মানব সভ্যতাকে অথবা কোন প্রজাতির জীবনকে সাংস্কৃতিক বা প্রাকৃতিক সম্পর্কে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে বা করতে পারে, তাকেই দূষণ বলে। পরিবেশ দূষণের প্রকারভেদগুলো হলোঃ পানি দূষণ, মাটি দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ ।
পানি দূষণমুক্ত রাখতে করণীয়:
১. পানিতে আবর্জনা, সার বা বিষাক্ত দ্রব্য না ফেলা।
২. উপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।
৩. ভূগর্ভস্থ পানির পরিমিত ব্যবহার।
৪. জমিতে সার বা কীটনাশক ব্যবহারে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
বায়ু দূষণমুক্ত রাখতে করণীয়:
১. ধুমপানের ধোঁয়া, যানবাহন ও কলকারখানার ধোঁয়া ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখা।
২. ওজোন স্তরে ছিদ্র হয়ে যে সমস্যার সম্ভাবনা রয়েছে তা প্রতিরোধ করা।
৩. গ্রীণ হাউজ গ্যাসের কারণে উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধ করা।
৪. আবর্জনাকে ধরণ অনুযায়ী পৃথক করে জমা ও অপসারণ করা। ৫. জনগণকে বৃক্ষ রোপনে উৎসাহী করা।
শব্দ দূষণ রোধে করণীয় :
১. উচ্চস্বরে কথা/চিৎকার করা যাবে না।
২. জোরে গান বাজানো যাবে না।
৩. হাইড্রোলিক হর্ণ/ বোমাবাজি/ বিকট আওয়াজে স্লোগান ইত্যাদি করা
মাটি দূষণ মুক্ত রাখতে করণীয়:
১. প্লাস্টিকের ব্যাগ, পলিথিন পরিহার করতে হবে।
২. বৃক্ষরোপন, পাহাড় ও উচ্চভূমি রক্ষা করতে হবে।
৩. কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
৪. ইটের বিকল্পে ব্লক ইট ব্যবহার।
৫. পরিকল্পিত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।
কারাগারের রোজনামচা
কারাগারের রোজনামচা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত একটি গ্রন্থ সংকলন। গ্রন্থটির নামকরণ করেন বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধুর ৯৮ তম জন্ম বার্ষিকীতে ২০১৭ সালে গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা দেবার পর বাঙালি জাতির মহানায়ক গ্রেফতার হন। ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কারান্তরীণ থাকেন। সেই সময়ে কারাগারে প্রতিদিন তিনি ডায়েরী লেখা শুরু করেন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত ঘটনাবহুল জেল- জীবনচিত্র এ গ্রন্থে স্থান পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জেল-জীবন, জেল-যন্ত্রণা, কয়েদীদের অজানা কথা, অপরাধীদের কথা, কেন তারা এই অপরাধ জগতে পা দিয়েছিলো সেসব বিষয় যেমন সন্নিবেশিত হয়েছে; ঠিক তেমনি তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের দুঃখ-দুর্দশা, গণমাধ্যমের অবস্থা, শাসক গোষ্ঠীর নির্মম নির্যাতন, ৬ দফার আবেগকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা, ষড়যন্ত্র, বিশ্বাস ঘাতকতা, প্রকৃতি প্রেম, পিতৃ-মাতৃ ভক্তি, কারাগারে পাগলদের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না সংবেদনশীলতার সাথে তুলে ধরেছেন।
Rice is our main food. There is plenty of rice produced in our country. We all should work hard to reduce poverty. Excessive crop production is not possible without hard work. At present, we grow advanced varities of rice.
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!