জনগণের অভাব মোচনের উপকরণাদি সরবরাহের নিমিত্তে প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহকরণ, উৎপাদন ও বণ্টনের প্রচেষ্টায় অবিরত নিযুক্ত থেকে মানুষ যে পরিবেশ সৃষ্টি করে তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে।
একটি দেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহ্য মিলে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয় তাই সামাজিক পরিবেশ।
মানুষ তার নিজ দেশের ভাষা, রীতিনীতি, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ও আচার-আচরণ দ্বারা নিজের সমাজকে সমৃদ্ধ করে। সমাজ হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত মানবগোষ্ঠী। সমাজের মানুষের চিন্তা-চেতনা, ধ্যান- ধারণা, রীতিনীতি, আইন-কানুন, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সমাজসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে সামাজিক পরিবেশ গড়ে ওঠে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে অর্থনৈতিক পরিবেশ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করছে।
জনগণের অভাব মোচনের উপকরণাদি সরবরাহের নিমিত্তে প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহকরণ, উৎপাদন ও বণ্টনের প্রচেষ্টায় অবিরত নিযুক্ত থেকে মানুষ যে পরিবেশ সৃষ্টি করে তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে। বাংলাদেশে রয়েছে প্রচুর জর্নশক্তি। জনশক্তি ও সস্তা শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে পোশাক শিল্প। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিদেশে যথেষ্ট সুনাম আছে। আর এই সুনামের পিছনে এদেশের দক্ষ জনশক্তি এবং উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। এই দক্ষ জনশক্তি অর্থনৈতিক পরিবেশের অন্যতম উপাদান হিসেবে পরিগণিত হয়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে অর্থনৈতিক পরিবেশ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করছে।
উদ্দীপকে পোশাক শিল্পের উন্নয়নে শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, শ্রমিকদের যথাসময়ে ন্যায্য পারিশ্রমিক প্রদান, মানবসম্পদের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক বাধা দূর, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধিসহ বেশকিছু কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
পোশাক শিল্প স্থাপন ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তবে এজন্যে অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রয়োজন। বাংলাদেশে পোশাক শিল্প উন্নয়নে বিরাজমান পরিবেশ সকল ক্ষেত্রে অনুকূল নয়। বেশকিছু সমস্যার কারণে পোশাক শিল্পের উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌছতে পারেনি। তবে এজন্যে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে বিরাজমান বাধাসমূহ দূরীকরণে সরকারি পৃষ্ঠাপোষকতার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে অনুকূল শিল্পনীতি, বাণিজ্য নীতি, করনীতি, বিনিয়োগ নীতি, রপ্তানি নীতি প্রণয়ন করতে হবে। এছাড়া সহজ শর্তে যাতে উদ্যোক্তাগণ ঋণ - পায় সেজন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়াও শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশ উন্নয়নসহ ন্যায্য পারিশ্রমিক যাতে পায়, সেজন্যে কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
সুতরাং, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, শ্রমিকদের যথাসময়ে ন্যায্য পারিশ্রমিক প্রদান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধিসহ বেশকিছু কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
Related Question
View Allসঞ্চয় ও বিনিয়োগ অর্থনীতিক পরিবেশের উপাদান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!