বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। অতিদ্রুত একটি সংবিধান প্রণয়ন করে এদেশে গণতান্ত্রিক শাসন উপহার দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশে বিকশিত হয়েছে বহুদলীয় ব্যবস্থা। তার কথায় ও কাজে মিল ছিল। 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে আমাদের দেশের এমন কয়েকটি রাজনৈতিক দল হচ্ছে- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ইত্যাদি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রধান দু রাজনৈতিক জোট হচ্ছে আঠারো দলীয় জোট ও মহাজোট। আঠারো দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, ইসলামী ঐক্য জোট, খেলাফত মজলিশ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাপ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ন্যাপ-ভাসানী, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, ডেমোক্রেটিক লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ পিপল্স লীগ। ১৪ দলীয় মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (এমএল), শ্রমিক-কৃষক সমাজবাদী দল, বাংলাদেশ গণতন্ত্রী পার্টি, গণআজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, গণফোরাম, জাসদ, ন্যাপ (মোজাফফর) জাতীয় পার্টি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কার্যত শুরু থেকেই মহাজোটে ১৪টি দল ছিল না।

উত্তরঃ

কোনো দেশে একটি রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব থাকলে তাকে একদলীয় ব্যবস্থা এবং দুটি দলের অস্তিত্ব থাকলে তাকে দ্বিদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়। একদলীয় ও দ্বিদলীয় ব্যবস্থার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। একদলীয় ব্যবস্থায় একটি মাত্র দলের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এ দল হচ্ছে শাসক দল। এখানে কোনো প্রকার বিরোধী দল ও বিরোধী মতামতকে স্বীকার করা হয় না। এখানে দলের বিরোধিতা আর সরকার বিরোধিতাকে একই মনে করা হয়। নির্বাচনে ঐ দলেরই একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। একদলীয় ব্যবস্থায় দলীয় আদর্শ বা কর্মসূচির প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে না। বর্তমানে চীনের সংবিধানে মাত্র একটি রাজনৈতিক দল স্বীকৃত। এটির নাম হচ্ছে কমিউনিস্ট দল। অন্যদিকে, দ্বিদলীয় ব্যবস্থায় প্রধানত দুটি রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়। এ ব্যবস্থায় দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। একটি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে ক্ষমতাসীন হলে অন্যটি বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। দ্বিদলীয় ব্যবস্থায় দুটির বেশি রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব থাকলেও সুসংবদ্ধ দল থাকে মাত্র দুটি এবং এ দুটি দলের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। উদাহরণ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেনের রক্ষণশীল দল এবং শ্রমিক দলের কথা বলা যায়।

উত্তরঃ

নেতৃত্ব একটি সামাজিক গুণ। দেশ ও জাতিকে অভিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করাই হলো নেতৃত্বের মূল উদ্দেশ্য। নেতৃত্বের গুরুত্বকে সমগ্র বিশ্বেই স্বতন্ত্রভাবে বিবেচনা করা হয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরেই অসংগঠিত জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করা এবং সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নেতৃত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু সফল নেতৃত্বের জন্য একজন নেতার কিছু গুণাবলি থাকা দরকার। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার সামর্থ্য ও মানসিকতা। নেতার কথায় ও কাজে মিল থাকতে হবে। কেননা সাধারণ জনগণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নির্বাচনে ভোট প্রদান করে তাদের নির্বাচনি ইশতেহার ও প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির ওপর ভিত্তি করে। এজন্য নির্বাচনের পর জনগণ নেতাদের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশা করে। কিন্তু বিজয়ী দল ক্ষমতায় যাওয়ার পর জনগণকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ব্যর্থ হয়। ফলে জনগণ প্রতারিত হয়ে পরবর্তীতে বিকল্প নেতৃত্ব আশা করেন। ফলে দেশে সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অস্থিতিশীলতা। জাতীয় বিপর্যয় ঠেকানোর জন্য এবং রাষ্ট্রীয় সংকট উত্তরণের ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য একজন সৎ ও আদর্শ নেতার খুবই দরকার। কিন্তু যিনি জাতির নেতৃত্ব দেবেন তার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস থাকতে হবে। আর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের জন্য নেতার কথায় ও কাজে মিল থাকতে হবে।

203

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে নেতৃত্ব বলতে নেতার গুণাবলিকে বোঝায়। পৌরনীতিতে নেতৃত্ব বলতে বোঝানো হয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নেতা কতখানি গুণের অধিকারী এবং তা অন্যকে কতটুকু প্রভাবিত করতে পারে তাকে। সমাজবিজ্ঞানী কিম্বল ইয়ং-এর মতে, “নেতৃত্ব হলো এক ধরনের আধিপত্য যাতে অনুসারীরা তাকে সানন্দে মেনে চলে।” অর্থাৎ এটি এমন এক কৌশল, যা তার অনুসারীদেরকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে তাদেরকে উদ্দীপ্ত করে।

365
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটির সাথে রাজনৈতিক দলের ভূমিকার সাদৃশ্য রয়েছে।

গণতন্ত্র হলো প্রতিনিধিত্বমূলক ও পরোক্ষ ব্যবস্থা। বর্তমানকালের বিশাল জনসংখ্যা বিশিষ্ট জাতীয় রাষ্ট্রের নাগরিকদের পক্ষে প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশ নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এজন্য গড়ে উঠেছে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা। এরূপ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের পরোক্ষভাবে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। এজন্য পরোক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারকে 'দলীয় সরকার' বলা হয়। রাজনৈতিক দলের মূলভিত্তিই হলো প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র। 'আর রাজনৈতিক দল বলতে এমন এক জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানের পন্থা জনসম্মুখে = প্রচারের মাধ্যমে জনসমর্থন লাভের চেষ্টা করে। জনসমর্থন পেলে - নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করে এবং সরকার গঠন করে = থাকে। এর বিশেষ দিক হলো-

১. জনগণকে সংঘবদ্ধ করবে একটি আদর্শের ভিত্তিতে

২. তাদের আদর্শ ও নীতি প্রচার করে সমর্থন আদায় করবে;

৩. বৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করে;

৪. সরকার গঠন করলে দলীয় নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবে;

৫. জনকল্যাণে কাজ করবে;

৬. সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে।

 

 

211
উত্তরঃ

এখানে রাজনৈতিক দলের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, ক্ষমতা লাভই এর মূল উদ্দেশ্য। রাজনৈতিক দলের অনেকগুলো উদ্দেশ্যের মধ্যে ক্ষমতা লাভ অন্যতম একটি উদ্দেশ্য।

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলসমূহ তাদের আদর্শ ও নীতিমালা প্রচারের মাধ্যমে জনসমর্থন লাভের চেষ্টা করে থাকে। জনসমর্থন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো সরকার গঠন করে বা করার চেষ্টা করে। জোসেফ সুম্পিটার বলেন, "রাজনৈতিক দল হলো একটি গোষ্ঠী যার সদস্যরা রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রামে একযোগে কাজ করে যেতে সম্মত হয়।" আবার অধ্যাপক গ্যাটেল রলেন যে, "রাজনৈতিক দল কমবেশি সংগঠিত নাগরিকদের গোষ্ঠী, যারা রাজনৈতিক একক হিসেবে কাজ করে এবং যারা তাদের ভোটদান ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সাধারণ নীতিমালা কার্যকর করতে চেষ্টা করে।" অন্যদিকে, ম্যাকাইভার মনে করেন যে, রাজনৈতিক দল দলীয় আদর্শের ভিত্তিতে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করে থাকে।

অর্থাৎ আমরা দেখতে পাই যে, রাজনৈতিক দলের সকল কার্যক্রমের মূলভিত্তি হলো জনসমর্থন লাভের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া।
নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা গ্রহণ করতে রাজনৈতিক দল সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আর সরকার গঠন করার মতো পর্যাপ্ত জনসমর্থন না পেলে বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতে থাকে। ক্ষমতা লাভ করার জন্যই রাজনৈতিক দলের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

203
উত্তরঃ

"রাজনৈতিক দল আদর্শের প্রচারক হিসেবে কাজ করবে” কথাটি বলেছেন অধ্যাপক ম্যাকাইভার।

416
উত্তরঃ

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা মূলত দলীয় শাসনব্যবস্থা। এরূপ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলো জনসমর্থন আদায়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। গণতন্ত্রে দলীয় সরকার দেশ পরিচালনা করে। দল ব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন। এজন্য রাজনৈতিক দলকে গণতন্ত্রের প্রাণ বলা হয়।

379
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews