বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়।
২০০৮ সালে, দুই দেশের মধ্যে নৌ-সীমানা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। উভয় দেশই তাদের নৌ-সীমানা সম্পর্কে ভিন্ন দাবি করে।
২০১১ সালে, বাংলাদেশ ICJ-এর কাছে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে।
২০১২ সালে, ICJ বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয় এবং দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করে।
ICJ-এর রায় অনুসারে,
- টেরিটরিয়াল ওয়াটার:
- মিয়ানমার: 12 নটিক্যাল মাইল
- বাংলাদেশ: 12 নটিক্যাল মাইল
- এক্সক্লুসিভ ইকনোমিক জোন (EEZ):
- মিয়ানমার: 200 নটিক্যাল মাইল
- বাংলাদেশ: 200 নটিক্যাল মাইল
- কন্টিনেন্টাল শেল:
- মিয়ানমার: প্রাকৃতিক প্রসারণের নীতি অনুযায়ী
- বাংলাদেশ: প্রাকৃতিক প্রসারণের নীতি অনুযায়ী
ICJ-এর রায় বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান। এটি দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রসম্পদের উপর তাদের অধিকার এবং দায়িত্ব স্পষ্ট করে।
এই রায় বঙ্গোপসাগরে শান্তি এবং সহযোগিতা প্রচারে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
International Tribunal for the law of the Sea
Related Question
View Allবাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল ।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল এবং রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা হলো ১২ নটিক্যাল মাইল ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!