বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের ক্লাসে শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের জিজ্ঞাসা করেন, কীভাবে আদি সমাজের মানুষেরা নিজেদের খাদ্য সংগ্রহ করত? এতে ছাত্রছাত্রী উত্তর দিতে না পারায় শিক্ষক বলেন, ফলমূল আহরণ, মাছ ধরা এবং অন্য পশুপাখি শিকার করার মাধ্যমে তারা খাদ্য সংগ্রহ করত। অবশেষে শিক্ষক বলেন, খাদ্য সংগ্রহই এ সমাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সমাজের রূপান্তরকে ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

আজকের সমাজ দীর্ঘকালের বিকাশধারার ফল। কালের সুদীর্ঘ যাত্রাপথে শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে আদিমতম রূপ। এরপর উদ্যানভিত্তিক ও পশুপালন সমাজব্যবস্থার সূচনা হয়। কালের অগ্রযাত্রায় শিল্পভিত্তিক সমাজ ও শিল্পবিপ্লব পরবর্তী সমাজব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কালের পরিক্রমায় সমাজ পরিবর্তন হয়ে আধুনিক সমাজে রূপ নিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

আদি সমাজের প্রধান কাজ ছিল ফলমূল সংগ্রহ, পশুপাখি ও মৎস্য শিকার। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খুঁজে তারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। মেয়েরা ফলমূল সংগ্রহ করত আর পুরুষেরা পশু শিকার করত। সে সময় পাথরই ছিল একমাত্র হাতিয়ার। এছাড়া খাঁজকাটা বল্লম, মাছ ধরার হারপুন এবং হাড়ের সুই তারা শিকারের কাজে ব্যবহার করত। মেয়েরা ফলমূল সংগ্রহ করতে গিয়ে কখনো কখনো নিয়ে আসত গম, বার্লি, মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ। আস্তানার আশপাশে গম ও বালির যেসব দানা পড়ত তা থেকে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। এক্ষেত্রে প্রথমে মেয়েরা তাদের বসবাসের আশপাশে পতিত জমিতে একটা লম্বা লাঠি বা পশুর শিং দিয়ে মাটি চিরে গর্তে বীজ ফেলে ফসল ও ফলমূল উৎপাদন করত। ফসল পাকলে পশুর চোয়ালের হাড় দিয়ে ফসল কাটত। বুনো ষাঁড়, ভেড়া, ছাগল, ঘোড়া, গাধা প্রভৃতি পশু Activate মানুষের হাতে ধরা পড়ত। সেগুলোকে তারা ধরে এনে বেঁধে রাখত। do Go to Settings to শিকার না মিললে এগুলোকে তারা বধ করে আহার করত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য সংগ্রহই আদিম সমাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়- কথাটি যথার্থ।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানবসমাজের আদিমতম রূপ। আদিম সমাজে মেয়েরা ফলমূল সংগ্রহ করত আর পুরুষেরা পশুপাখি ও মৎস্য শিকার করত। খাবারের খোঁজে তারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়াত। তাদের এ দলবদ্ধতা থেকেই সমাজব্যবস্থ্যার উদ্ভব। সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সূত্রপাত আদিম সমাজ থেকেই। এ সমাজে গোষ্ঠীর শক্তিশালী লোকটিকে সবাই দলপতি হিসেবে মানত, যা কোনো সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম শর্ত। ফলমূল সংগ্রহ করতে গিয়ে কখনো কখনো তারা নিয়ে আসত বুনো গম ও বার্লি, মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ। আস্তানার আশপাশে গম ও বার্লির যেসব দানা পড়ত তা থেকে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। আর এভাবেই কৃষি যুগের সূচনা। তাছাড়া খাদ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আদিম সমাজে যেসব বুনো ষাঁড়, ভেড়া, ছাগল, ঘোড়া, গাধা প্রভৃতি পশু ধরা হতো। মানুষ ক্রমে বুঝতে পারে, এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখলে বেশি লাভজনক হবে। যেমন- প্রতিদিন দুধ ও বছর বছর বাচ্চা পাওয়া যাবে। চামড়া ও পশমকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যাবে। এভাবে সমাজে গৃহপালিত পশুর সংখ্যা বেড়ে তা মানুষের সম্পদে পরিণত হয়। তাই বলা যায়, খাদ্য সংগ্রহই এ সমাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
166

সমাজ বিবর্তনের ইতিহাস
আমরা যে পৃথিবীতে বাস করি তা জুড়ে রয়েছে মানুষ, আর নানা প্রজাতির গাছপালা, জীবজন্তু ও সামুদ্রিক প্রাণী। আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। এভাবে পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে গিয়ে মানুষ গড়ে তুলেছে সমাজ। শুধু মানুষই নয়, পশুপাখি এবং কীটপতঙ্গের মাঝেও আমরা দলবদ্ধ জীবনধারা লক্ষ করি। যেমন- হাতি দল বেঁধে একসঙ্গে চলাফেরা করতে ভালোবাসে। কোনো কাক বিপদে পড়লে দল বেঁধে সব কাক তাকে বাঁচাতে ছুটে আসে। মৌমাছিরা মৌচাক এবং উইপোকা ঢিপি তৈরি করে তার মাঝে সবাই মিলেমিশে থাকে। বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতার ধারাকে বুঝতে সমাজ কী ও কীভাবে তা গড়ে উঠেছে- এ অধ্যায়ের পাঠগুলোতে আমরা সে সম্পর্কে জানব।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • সমাজের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • সমাজজীবনে প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব বর্ণনা করতে পারব;
  • সমাজ বিকাশের বিভিন্ন স্তর যেমন-শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক, উদ্যানকৃষি, পশুপালন, কৃষিভিত্তিক, শিল্পভিত্তিক ও শিল্পবিপ্লব-পরবর্তী সমাজের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থা বর্ণনা করতে পারব;
  • বিবর্তনের বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে বাংলাদেশের সমাজের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • কৃষিভিত্তিক সমাজ ও আধুনিক সমাজের উৎপাদন পদ্ধতির তুলনা করতে পারব;
  • সমাজ বিকাশে বিবর্তনের গুরুত্ব উপলব্ধি করব

Related Question

View All
উত্তরঃ

আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
1.4k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।

উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
788
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে।  সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
667
উত্তরঃ

সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
371
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews