উদ্দীপকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে বলে আমি মনে করি।
বাণিজ্য ঘাটতি বলতে রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হওয়াকে বোঝায়। এই ঘাটতি পূরণে রেমিটেন্স (প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ) বিশেষ ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে একটি সারণি তুলে ধরা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ ও সৌদি
আরবের মধ্যকার বাণিজ্যিক অবস্থা প্রকাশ হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ সৌদি আরব থেকে তেল ও খেজুর আমদানি করে। পক্ষান্তরে
বাংলাদেশ সৌদি আরবে সবজি ও তৈরি পোশাক রপ্তানি করে।
উদ্দীপকে বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশ তেল ও খেজুর আমদানির জন্য ব্যয় করেছে ৪০০ + ২৫০ = ৬৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে রপ্তানির মাধ্যমে আয় করেছে ২০০ + ৩০০ = ৫০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশে রপ্তানির তুলনায় ৬৫০- ৫০০ = ১৫০ কোটি টাকার আমদানি বেশি হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি আছে।
Related Question
View Allরপ্তানি থেকে আমদানি বেশি হলে বাণিজ্য ঘাটতি দেখা যায়।
সরকার নিজ দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে থাকে।
একটি দেশের রাস্তাঘাট, সেতু, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি হাসপাতাল, সামাজিক অবকাঠামো প্রভৃতি উন্নয়নে সরকার অনেক অর্থ ব্যয় করে। এই ব্যয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ। এর মাধ্যমে সরকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের উন্নতি সাধন করে।
উদ্দীপকে এ কে এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক জনাব সোহানের কার্যক্রমকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলা যায়।
এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ ও বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠান অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে মালিকের নিজস্ব তহবিল, আত্মীয়-স্বজন থেকে গৃহীত ঋণ, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ প্রভৃতিকে উৎস হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।
উদ্দীপকে জনাব সোহান সবুজ ব্যাংক বন্ধু শফিকুল ইসলাম ও মামাতো বোন ফারজানার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। তার এই সংগৃহীত তহবিল দিয়ে তিনি বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীর বেতন ও অফিস ভাড়া প্রদান করেছেন। এছাড়া নতুন মেশিন কিনতে তিনি উক্ত তহবিল ব্যবহার করেছেন। এ কে এন্টারপ্রাইজ-এর ব্যবস্থাপক জনাব সোহানের সামগ্রিক কার্যক্রম ব্যবসায় অর্থায়নের সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, জনাব সোহানের কার্যক্রমকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলা হয়।
জনাব সোহান উপযুক্ততার নীতিটি ঠিকমতো অনুসরণ করলে ক্ষতির সম্মুখীন হতেন না বলে আমি মনে করি।
এ নীতি অনুযায়ী স্বল্পমেয়াদি তহবিল দিয়ে চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি তহবিল দিয়ে স্থায়ী মূলধন সংগ্রহ করা হয়। চলতি
মূলধনের পরিমাণ কম বলে এর উৎসের খরচও কম হয়। এ মূলধন দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হলে সুদ পরিশোধ অসম্ভব হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে জনাব সোহান সবুজ ব্যাংক থেকে ৮ লক্ষ টাকা ৫ বছরের
জন্য ঋণ নিয়েছেন। ব্যাংকের সুদের হার ১৫%। এছাড়া ২ লক্ষ টাকা তার বন্ধু শফিকুল ইসলাম ও মামাতো বোন ফারজানার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন। তিনি সংগৃহীত মূলধনের ৭ লক্ষ টাকা চলতি ব্যয় যেমন: বিদ্যুৎ বিল, বেতন ও ভাড়া প্রদানে ব্যয় করেন, যা তার স্বল্পমেয়াদি উৎস থেকে সংগ্রহ করা উচিত ছিল। অন্যদিকে তিনি তার মোট মূলধনের ৮ লক্ষ টাকাই দীর্ঘমেয়াদি তহবিল থেকে সংগ্রহ করেন, যেখানে তার নতুন মেশিন কিনতে স্থায়ী ব্যয় মাত্র ৩ লক্ষ টাকা।
উদ্দীপকে উপযুক্ততার নীতির আলোকে জনাব সোহানের সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। তিনি যদি স্থায়ী ব্যয়ের অর্থ দীর্ঘমেয়াদি উৎস এবং চলতি ব্যয়ের অর্থ স্বল্পমেয়াদি উৎস থেকে সংগ্রহ করতেন, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের সুদের পরিমাণ কম হতো। অর্থাৎ প্রয়োজনের বেশি অর্থ দীর্ঘমেয়াদি তহবিল থেকে সংগ্রহ করায় তাকে বেশি সুদ দিতে হয়েছে।
তাই বলা যায়, উপযুক্ততার নীতি না মানায় জনাব সোহান ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
কশিল্প বিল্পবের পর থেকে অর্থাৎ ১৯৭০-এর দশকে উৎপাদন কৌশল জটিল হয়।
একজন ব্যবসায়ীর অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জ্ঞান থাকলে পরিকল্পনামাফিক স্বল্পমূল্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থসংস্থান করতে পারে।
অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা একজন ব্যবসায়ীকে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে কী
পরিমাণ তহবিল স্বল্পমূল্যে সংগ্রহ করা যাবে সে বিষয়ে জ্ঞানদান করে। ফলে সংগ্রহীত অর্থের যথোপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালনা করে পর্যাপ্ত মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
